জুলাই শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন সাঈদ আল নোমান

ctg_Sayeed Al Noman
Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক :

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চট্টগ্রামের দুই শহীদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন সাঈদ আল নোমান এমপি। তাঁদের হাতে তুলে দিয়েছেন দুই লক্ষ টাকা অনুদান। এসময় তিনি বলেছেন, শহীদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে নগরীর পাহাড়তলীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প, ওষুধ বিতরণ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে  শহীদ ওমর ফারুক ও ওয়াসিম আকরাম-এর পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের হাতে প্রতি পরিবারকে এক লাখ টাকা করে মোট দুই লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। এছাড়া তিনি মেডিকেল ক্যাম্প, বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ কার্যক্রম এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক চিত্রপ্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। পরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাঈদ আল নোমান এমপি বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে জীবন বাজি রেখে লড়াই করা শহীদদের আত্মত্যাগের কারণেই আজ দেশ নতুন বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই শহীদ পরিবারগুলোর সম্মান, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।

তিনি বলেন,যেখানে একজন মা তাঁর সন্তানকে হারিয়েছেন, একজন সন্তান তাঁর বাবাকে হারিয়েছে, একটি পরিবারের স্বপ্ন চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়েছে সেখানে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো তাদের পাশে দাঁড়ানো। আমরা এমন কোনো কাজ করব না, যাতে শহীদ পরিবারগুলো কষ্ট পায় বা নিজেদের অবহেলিত মনে করে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহীদ পরিবারগুলোর কল্যাণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর মানবিক নেতৃত্ব, বিনয়ী আচরণ ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দর্শন ইতোমধ্যে মানুষের হৃদয়ে গভীর আস্থা সৃষ্টি করেছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সাঈদ আল নোমান বলেন, রাজনীতির মূল শক্তি সততা, বিনয় ও জনসেবা। মুখে বড় বড় কথা বলে নয়, মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে, সেবার মাধ্যমে এবং আদর্শিক আচরণের মধ্য দিয়েই প্রকৃত রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে রাজনীতি করা যায় না। মানুষের বন্ধু হয়ে, মানুষের আস্থা অর্জন করেই রাজনীতি করতে হবে। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাহাড়তলী থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজ্বী বাবুল হক। স্থানীয় বিএনপি নেতা ফখরুল ইসলাম রাজু-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এস কে খোদা তোতন, পাহাড়তলী থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন জিয়া, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ মেহেদী, শহীদ ওয়াসিমের বাবা শহীদুল আলম এবং শহীদ ফারুকের স্ত্রী সীমা আক্তার।