Home Blog Page 15

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইলিয়াস

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইলিয়াস

নিজস্ব প্রতিবেদক :
পটিয়া সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ই্লিয়াস উদ্দিন আহমদকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মাহবুব আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তা ইলিয়াছ উদ্দিন আহাম্মদকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিজ বেতন ও বেতনক্রমে পদায়ন করা হলো। তিনি পদ সংশ্লিষ্ট ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। বোর্ড কর্তৃপক্ষ বিনা ভাড়ায় বাসস্থানের ব্যবস্থা করলে তিনি কোনো বাড়ি ভাড়া ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না। সরকারি বাসায় বসবাস করলে বাড়ি ভাড়াসহ যাবতীয় সরকারি পাওনা নিজ দায়িত্বে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খাতে জমা প্রদান করবেন। তিনি স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বাধ্যতামূলক ভবিষ্যৎ তহবিল, গোষ্ঠী বীমা ও অন্যান্য তহবিল চাঁদা প্রদান করবেন। বোর্ড কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী তাঁর লিড স্যালারি ও পেনশনের চাঁদা প্রদান করবেন। সরকারের প্রচলিত ও প্রণীত বিধি-বিধান ও আদেশ অনুসারে তাঁর চাকরি নিয়ন্ত্রিত হবে। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।’
প্রসঙ্গত,  ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেজাউল করিমের অবসরোত্তর ছুটির পর পদটি শূন্য হয়। পদাধিকারবলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বোর্ড সচিব অধ্যাপক ড. এ.কে.এম সামছু উদ্দিন আজাদ।
উল্লেখ্য, অধ্যাপক ইলিয়াছ ১৪তম বিসিএসে যোগ দিয়ে ১৯৯৩ সালের ১৪ নভেম্বর প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেন। ২০১৮ সালের ৯ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ২৩ জুলাই পটিয়া সরকারি কলেজে উপাধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন তিনি। সর্বশেষ তিনি ওই কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আয়নাঘর নিয়ে উপদেষ্টা নাহিদের স্মৃতিচারণ

আয়নাঘর নিয়ে উপদেষ্টা নাহিদের স্মৃতিচারণ

নিউজমেট্রো ডেস্ক :

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামকে আওয়ামী লীগের আমলে আয়নাঘরে আটকে রাখা হয়েছিল। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে আয়নাঘরে তুলে নেওয়ার ঘটনা বর্ণনা করেছেন।

তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময়ে একদিন রাতের অন্ধকারে খিলগাঁও থেকে আমাকে তুলে নিয়ে যায় তৎকালীন সরকারি বাহিনী। চোখে কালো কাপড় পেঁচিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় হাসিনার কুখ্যাত আয়নাঘর নামক বন্দিশালায়।

শুধু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জের ধরে গত ১৫ বছরে হাসিনার বাহিনীর হাতে গুমের শিকার হয়েছে অসংখ্য মানুষ।

আমরা গুম এবং আয়নাঘরে বিনা বিচারে বন্দিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবই। আমরা এমন রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং রাষ্ট্রব্যবস্থা নির্মাণ করতে চাই, যেখানে আর কখনো কোনো দিন বাংলাদেশের মাটিতে এমন ঘৃণ্য রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের পুনরাবৃত্তি না হয়।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ছয় উপদেষ্টা কয়েকটি গণমাধ্যমকে নিয়ে বুধবার রাজধানীর তিনটি এলাকায় র‌্যাব ও ডিজিএফআইয়ের কয়েকটি টর্চারসেল বা আয়নাঘর পরিদর্শনে যান।

কচুক্ষেতে ডিজিএফআইয়ের আয়নাঘরে গিয়ে উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম একটি কক্ষ শনাক্ত করেন, জুলাই আন্দোলনের সময় যেখানে তাকে আটকে রাখা হয়েছিল।

বাংলাদেশে জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে ১৪০০ মানুষ নিহত

বাংলাদেশে জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে ১৪০০ মানুষ নিহত

নিউজ মেট্রো ডেস্ক :

বাংলাদেশে গত জুলাই-আগস্ট মাসের অভ্যুত্থানে প্রায় এক হাজার ৪০০ জন মানুষ নিহত হয়েছে বলে উঠে এসেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের (ওএইচসিএইচআর) প্রতিবেদনে।

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আমন্ত্রণে ওএইচসিএইচআর এ তদন্ত পরিচালনা করে।

তদন্ত প্রতিবেদনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দ্বারা সংগঠিত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্বিচারে গ্রেপ্তার, নির্যাতন এবং অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের মতো নানা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা উঠে এসেছে।

সেসব ঘটনায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন গোষ্ঠী, সংগঠন এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা জড়িত ছিল বলে প্রতিবেদনটিতে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “তৎকালীন সরকার এবং তার নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা, আওয়ামী লীগ, এর সহিংস গোষ্ঠী ও সংগঠনের সঙ্গে একত্রিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত ছিল। যার মধ্যে রয়েছে কয়েকশ বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে গুরুতরভাবে শারীরিক নিপীড়ন ও বলপ্রয়োগ, ব্যাপক হারে নির্বিচারে গ্রেপ্তার ও আটক এবং নির্যাতনসহ অন্যান্য ধরনের নিপীড়ন।”

“ওএইচসিএইচআর যুক্তিসঙ্গত কারণে বিশ্বাস করে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং নিরাপত্তা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিকল্পনা, সমন্বয় এবং নির্দেশনায় এই মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো ঘটেছিল।”

প্রতিবেদনের আরেকটি অংশে বলা হয়েছে: “ওএইচসিএইচআরের অনুমান, বিক্ষোভ চলাকালে প্রায় ১,৪০০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই মিলিটারি রাইফেল এবং প্রাণঘাতি মেটাল প্যালেটস লোড করা শটগানে নিহত হয়েছেন। এই ধরনের শটগান সাধারণত বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী ব্যবহার করে থাকে। বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষ গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন, কেউ কেউ স্থায়ীভাবে আজীবনের জন্য কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন।”

এতে আরও বলা হয়, সেসময় ১১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেফতার এবং আটক করা হয়েছিল। আন্দোলনে নিহতদের মধ্যে প্রায় ১২-১৩ শতাংশ ছিল শিশু।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী শিশুদের টার্গেট করে হত্যা করেছে, ইচ্ছাকৃতভাবে পঙ্গু করেছে, নির্বিচারে গ্রেপ্তার, অমানবিকভাবে আটক-নির্যাতন এবং অন্যান্য ধরনের নিপীড়ন করেছে।

“বিশেষ করে, শুরুর দিকে বিক্ষোভের সম্মুখসারিতে থাকা নারীদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ সমর্থকরা মারাত্মকভাবে আক্রমণ করেছে। নারীরা যৌন ও লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন, যার মধ্যে ছিল লিঙ্গ-ভিত্তিক শারীরিক সহিংসতা ও ধর্ষণের হুমকি। কয়েকটি ডকুমেন্ট বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগ সমর্থকদের দ্বারা যৌন নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে।”

-বিবিসি

সাবেক সিএমপি কমিশনার সাইফুল গ্রেফতার

সাবেক সিএমপি কমিশনার সাইফুল গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক :
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে একজন ছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনায় বন্দর নগরী চট্টগ্রামের  চান্দগাঁও থানায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সিএমপির উপ পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) মোহাম্মদ রইছ উদ্দিন জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে ঢাকায় পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা আছে। তাকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হবে।
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ২০তম ব্যাচের একজন কর্মকর্তা হিসেবে সাইফুল ইসলাম সিএমপি কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ঢাকার মেট্রো রেলে (এমআরটি) উপ-মহাপরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

সাংবাদিক ও ভুক্তভোগীদের পরিবার নিয়ে আয়নাঘরে প্রধান উপদেষ্টা

সাংবাদিক ও ভুক্তভোগীদের পরিবার নিয়ে আয়নাঘরে প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বহুল আলোচিত আয়নাঘর পরিদর্শনে গিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমের প্রতিনিধি ও ভুক্তভোগীদের পরিবার।
জানা গেছে, আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে আয়নাঘর পরিদর্শনে যান প্রধান উপদেষ্টা। প্রধান উপদেষ্টার জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার আয়নাঘর পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত হয়।
উল্লেখ্য, ১৯ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে একটি বৈঠক করেছে। সে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টাকে গুমের ঘটনায় তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানানো হয়। আর তখন বন্দিদের সেখানে রাখা হতো তা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল বা আয়নাঘর নামে পরিচিত। কমিশনের সদস্যদের আহ্বানেই সেসব স্থাপনা পরিদর্শনে গেছেন অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান।

কারামুক্ত হয়েই পুলিশের বিরূদ্ধে বিএনপির বহিস্কৃত নেতার মামলা

কারামুক্ত হয়েই পুলিশের বিরূদ্ধে বিএনপির বহিস্কৃত নেতার মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রায় তিন মাস কারাবাসের পর জামিনে এসে এক ওসি, তিন এসআইসহ আটজনের বিরূদ্ধে কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ এনে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির এক বহিস্কৃত নেতা। আদালত মামলা আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেনের আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার বাদী মামুন আলী ওরফে কিং আলী বিএনপির বহিস্কৃত নেতা। প্রায় তিন মাস কারাভোগের পর সম্প্রতি তিনি আদালত থেকে জামিন লাভ করেছেন। আসামীরা হলেন- সিএমপির পাহাড়তলী থানার ওসি বাবুল আজাদ, উপ-পরিদর্শক (এসআই) মানিক ঘোষ, বন্দর থানার এসআই আসাদুল হক, কিশোর মজুমদার, এসএস ট্রেডিংয়ের মালিক সাইফুল ইসলাম সুমন, ব্যবস্থাপক আরিফ মঈনুদ্দিন, উপ ব্যবস্থাপক মো. আমান ও সুপারভাইজার দিদার হোসেন সজিব।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, নগরের বন্দর এলাকার জিএইচ এন্টারপ্রাইজ থেকে গত বছরের ১০ অক্টোবর ২০ হাজার টন পাথর কেনেন মামুন আলী। পাথরের দামের ৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা পরিশোধ করে। নগরের পাহাড়তলীর টোল রোডের কিং আলী গ্রুপের ডিপোতে পাথরগুলো এনে রাখেন। একই বছরের ১৭ অক্টোবর অভিযুক্তরা ডিপোর কার্যক্রমে বাধা দেন। প্রতিবাদ করলে পাহাড়তলী থানার এসআই মানিক ঘোষ ওসির সঙ্গে দেখা করতে বলেন। সন্ধ্যায় বাদী ওসির কাছে গেলে পাথর কেনার রশিদ ও তার সব জায়গার মূল্য ১০০ কোটি টাকা নির্ধারণ করে ১ শতাংশ অর্থাৎ এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান। ওইদিন রাত ১০টার দিকে এসআই মানিক ঘোষ তাকে দ্রুত থানায় গিয়ে চাঁদার টাকা দিতে বলেন। একইসাথে বাদীর করা আগের একটি মামলা থেকে হালিশহর থানার সাবেক ওসি প্রণব চৌধুরীর নাম বাদ দিতে বলেন। তাতে রাজি না হওয়ায় তাকে থানায় আটক রেখে তিন পুলিশ সদস্য মারধর করেন। পরদিন তাকে একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ৩০টি ট্রাক নিয়ে গিয়ে গত ২৪ অক্টোবর ডিপোর কেয়ারটেকারকে মারধর করেন অভিযুক্তরা। ৫ কোটি ৬০ লাখ টাকার পাথর, মাটি, ১০ লাখ টাকার স্কেলসহ ডিপোতে রাখা বিভিন্ন মালামাল লুট করে নেন অভিযুক্তরা।

বাদীর আইনজীবী আশরাফুর রহমান জানান, এক কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও পুলিশের তিন উপ-পরিদর্শকসহ (এসআই) আটজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়। আদালত পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

জুলাই আন্দোলনে গণহত্যা : এসি জাবেদ ইকবাল গ্রেফতার

জুলাই আন্দোলনে গণহত্যা : এসি জাবেদ ইকবাল গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক :

জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সাবেক সহকারী কমিশনার (এসি) জাবেদ ইকবালকে করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে হাজির করা হয় জাবেদ ইকবালকে। পরে আদালত তাকে কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল সূত্র জানায়, জুলাই-আগষ্ট ছাত্র আন্দোলন চলাকালে জাবেদ ইকবাল ডিবিতে রমনা বিভাগের গাড়ি চুরি প্রতিরোধ টিমের প্রধান ছিলেন। ২০২৪ সালের  জুলাই মাসে ছয় ছাত্র সমন্বয়ককে আটক করে ডিবিতে আনার নির্দেশনা বাস্তবায়ন করেছিলেন জাবেদ ইকবাল। এমনকি ডিবিতে ছয় ছাত্র সমন্বয়ককে তার কক্ষে রাখা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তদন্ত করার পর তাকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জাবেদ ইকবালের বাড়ি খুলনায়। তিনি ৩৪ তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে যোগদান করেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম জানান, জাবেদ ইকবালকে জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

 

সাগর-রুনি হত্যা মামলা সরকারের অগ্রাধিকার মামলার শীর্ষে

সাগর-রুনি হত্যা মামলা সরকারের অগ্রাধিকার মামলার শীর্ষে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সাংবাদিক সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার বিচার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, সাগর-রুনি হত্যা মামলা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার মামলাগুলোর শীর্ষে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দ্রুততম সময়ে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে।

উপদেষ্টা মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী অডিটোরিয়ামে ‘সাগর-রুনি হিউম্যান রাইটস ফটো অ্যাওয়ার্ড’ প্রদর্শনীতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের বিচার হতে হবে। বিচার না হওয়ার কোনো কারণ নেই। অতীতে সংশ্লিষ্টদের অসহযোগিতায় এক্ষেত্রে জটিলতা থাকলেও এখন সরকার তদন্তে কোনো হস্তক্ষেপ করছে না। তদন্তে প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত পেলে দ্রুততম সময়ে বিচার সম্পন্ন করা যাবে।

তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে দেরি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আরো বলেন, অতীতে বার বার সময় চাওয়া হলেও প্রতিবেদন আসেনি। এতে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। নিহতদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট নিয়ে আছে। ন্যায়বিচার পেলে তারা শান্তি পাবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ রোধ হবে।

প্রদর্শনীতে সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির একমাত্র সন্তান মাহির সরোয়ার মেঘ, ভাই নওশের আলম রোমান-সহ পরিবারের সদস্য, সহপাঠী ও বন্ধুবান্ধব, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক, ফটোগ্রাফার-সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে উপদেষ্টা প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং সাগর- রুনি সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেন।

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে ৫ বছর নিষিদ্ধ নারী ক্রিকেটার সোহেলী

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে ৫ বছর নিষিদ্ধ নারী ক্রিকেটার সোহেলী

ক্রীড়া প্রতিবেদক :

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটার সোহেলি আক্তারকে পাঁচ বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ২০২৫ থেকে তার নিষেধাজ্ঞার শাস্তি কার্যকর হয়েছে।

২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে। আইসিসির অ্যান্টি-করাপশন কোডের পাঁচটি বিধি লঙ্ঘনের কথা স্বীকার করেছেন তিনি।

দুই বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলে থাকা এক নারী ক্রিকেটারকে স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেন দলের বাইরে থাকা সোহেলি। দুজনের কথোপকথনের অডিও প্রকাশ হলে বেশ হইচই হয় দেশের ক্রিকেটে। সেখানে জানা যায়, জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটার সোহেলি আক্তার বিশ্বকাপ দলের এক সদস্যকে নিয়মবহির্ভূত প্রস্তাব দেন। সেই ক্রিকেটার অবশ্য ওই প্রস্তাবে রাজি হননি।

জাতীয় দলের সঙ্গে থাকা ওই ক্রিকেটার ঘটনাটি দ্রুত টিম ম্যানেজমেন্টকে অবহিত করেন। টিম ম্যানেজমেন্ট বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) বিষয়টি জানায়। বিষয়টি দ্রুত আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগের (এসিইউ) নজরেও নিয়ে আসা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি দুই বছর তদন্ত করেছে এসিইউ। সেটিরই পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচ বছরের নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে আইসিসি।

চাঁদাবাজির অভিযোগ : ১৩ পুলিশ ক্লোজড

চাঁদাবাজির অভিযোগ : ১৩ পুলিশ ক্লোজড

সিলেট প্রতিনিধি :

পাথরবাহী গাড়ি থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে ওঠায় সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার দুই এস আইসহ ১৩ পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদের মধ্যে ২জন এস আই, ২ জন এ এস আই ও ৯ জন কনস্টেবল রয়েছেন। সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. রাসেলুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাদেরকে ক্লোজড করা হয়।

অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন- এসআই খোকন চন্দ্র সরকার ও মিলন ফকির, এএসআই শিশির আহমেদ মুকুল ও শামীম হাসান, কনস্টেবল নাজমুল আহসান, মুন্না চৌধুরী, নাইমুর রহমান, তুষার পাল, আবু হানিফ, সাখাওয়াত সাদী, সাগর চন্দ্র দাস, মেহেদী হোসেন, ও কিপেস চন্দ্র রায়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার শাহ আরেফিন টিলার কেটে পাথর উত্তোলন শুরু করে স্থানীয়রা। কোম্পানীগঞ্জ থানার কিছু পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে টিলার পাথরবাহী গাড়ি থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে উঠে ।

সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান জানান, কোম্পানীগঞ্জ থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। বিভাগীয় তদন্ত শেষে তাঁদের বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।