বিচারপতি আমির হোসেন আর নেই
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় (সিএমএইচ) তিনি মারা যান।
সুপ্রিমকোর্টের মুখপাত্র ও বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান বিচারপতি আমির হোসেনের মৃত্যুর বিষয়টি বাসস’কে জানান।
বিচারপতি আমির হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।
আজ এক শোক বার্তায় তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি আমির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। বিচারপতি আমির হোসেন ১৯৫৭ সালের ৩০ নভেম্বর কিশোরগঞ্জের নিকলীতে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল.এল.বি ও এল.এল.এম ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বিচার বিভাগে মুন্সেফ (সহকারী জজ) হিসেবে নিয়োগ পান। পরে ২০০৯ সলের ৬ মে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদোন্নতি পান তিনি।
গাজীপুর জেলা জজ থাকা অবস্থায় তিনি ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০১৭ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তাকে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। এছাড়াও তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
জীবদ্দশায় এ বিচারপতি অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড, চীন, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, আরব আমিরাত, সৌদি আরব, তুরস্ক, জার্মানি, লুক্সেমবার্গ, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও নেদারল্যান্ডস সফর করেন।
আজ বাদ জোহর সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গনে মরহমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
-বাসস
করোনা সনাক্ত : বন্দরে বিদেশি জাহাজ ও নাবিক কোয়ারান্টাইনে
চীন থেকে সার নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা একটি বিদেশি জাহাজের ৭ নাবিকের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জাহাজটি থেকে পণ্য খালাস বন্ধ রাখার পাশাপাশি জাহাজের সব নাবিককে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।
রবিবার রাতে এদের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পেয়েছে বন্দর স্বাস্থ্য বিভাগ।
নাবিকদের কোয়ারেন্টাইনে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাহাজটির শিপিং এজেন্টের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানায়, বাহামাস পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ এমভি সেরেন জুনিপার চীন থেকে ডিএপি (ডায়ামোনিয়াম ফসফেট) সারের চালান নিয়ে গত ১২ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে আসে। এরপর যথাযথ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পণ্য খালাস শুরু করে।
গত ২১ আগস্ট জাহাজটির ক্যাপ্টেন স্থানীয় শিপিং এজেন্টের কাছে পাঠানো এক মেইল বার্তার মাধ্যমে জাহাজের ৭ জন নাবিকের শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দেয়ার কথা জানায়।
বিষয়টি শিপিং এজেন্ট বন্দর কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে বন্দরের স্বাস্থ্য বিভাগ পণ্য খালাস বন্ধ রাখা ও নাবিকদের সম্পূর্ণ কোয়ারেন্টাইনে রাখার নির্দেশনা দেয়। এরপর থেকে ওই জাহাজের পণ্য খালাস বন্ধ হয়ে যায়।
চট্টগ্রাম বন্দরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ জাবেদ দেশ রূপান্তরকে জানান, শনিবার বন্দরের নিজস্ব স্বাস্থ্যকর্মীরা বহির্নোঙরে অবস্থানরত এমভি সেরেন জুনিপার জাহাজে গিয়ে সেখানে থাকা ২১ জন নাবিকের নমুনা সংগ্রহ করে। এরপর নমুনাগুলো কভিড পরীক্ষার জন্য আরটিপিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়।
রবিবার রাতে নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আমাদের হাতে আসে। এতে দেখা যায়, ৭ জন নাবিকের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ এসেছে।
বাকি ১৪ জনের ফল নেগেটিভ আসে। এ অবস্থায় জাহাজটির সব নাবিককে কোয়ারেন্টাইনে রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামে জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট মাল্টিপোর্ট শিপিং লিমিটেডের কর্মকর্তারা জানান, চীন থেকে ৪৬ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন ডিএপি সারের চালান নিয়ে সিঙ্গাপুর বন্দর হয়ে চট্টগ্রাম আসে বাহামাস পতাকাবাহী জাহাজ এমভি সেরেন জুনিপার। চালানের একটি অংশ চট্টগ্রামে এবং অপর অংশ মোংলায় খালাস হওয়ার কথা। চট্টগ্রামের অংশ ইতিমধ্যে খালাস হয়ে গেছে।
শিপিং এজেন্ট মাল্টিপোর্ট শিপিং লিমিটেড এর পরিচালক মোহাম্মদ আলী বলেন, জাহাজটিতে আসা পণ্যের যে অংশ চট্টগ্রামে খালাস হওয়ার কথা ছিল তা খালাস হয়ে গেছে। যা বাকি রয়েছে সেগুলো মোংলা বন্দরে খালাস হওয়ার কথা। বন্দরের নির্দেশনা অনুসারে নাবিকদের কোয়ারেন্টাইন শেষ হলে তা মোংলায় খালাস করা হবে।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানায়, করোনা পরিস্থিতিতেও দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির অবস্থা বিবেচনায় রেখে বন্দরের কার্যক্রম সার্বক্ষণিক খোলা রাখা হয়। তবে করোনা সংক্রমণ রোধে বন্দরে আগত জাহাজের নাবিকদের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি পালনসহ অন্যান্য নির্দেশনা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর হাসপাতালে করোনা চিকিৎসারও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
সূত্র- দেশ রূপান্তর
চাঞ্চল্যকর সিনহা হত্যা মামলার বিচার শুরু : বাদীর সাক্ষ্য গ্রহণ
কক্সবাজার প্রতিনিধি :
টেকনাফে পুলিশের গুলিতে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মামলার বাদী ও নিহত সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌসের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সোমবার এ বিচার কাজ শুরু হয়।
আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে বাদী শারমিন এ হত্যাকান্ডকে পূর্ব পরিকল্পিত দাবি করে বলেছেন টেকনাফ থানার তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাশের নির্দেশে পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন তাঁর ভাই সিনহা মো. রাশেদ। মামলায় অভিযুক্ত ১৫ আসামীর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন তিনি।
সোমবার সকাল সাড়ে দশটায় জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে মামলার বাদী শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌসের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। বেলা আড়াইটা পর্যন্ত প্রথম দফা সাক্ষ্য গ্রহণ চলার পর আদালত এক ঘন্টার বিরতি দেয়া হয়। বিকেল সাড়ে তিনটায় পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। সাড়ে চারটায় সাক্ষ্য গ্রহণ মুলতবী করেন আদালত। তার আগে আসামী পক্ষের আইনজীবীদের বেশ ক’জন বাদীকে বিভিন্ন বিষয়ে জেরা করেন। মামলার প্রধান তিন আসামি ওসি প্রদীপ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও এএসআই লিটন মিয়ার পক্ষের আইনজীবীরা সময়ের অভাবে সোমবার বাদীকে জেরা করতে পারেননি। মঙ্গলবার তাঁরা জেরা করবেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন পিপি ফরিদুল আলম, অতিরিক্ত পিপি মোজাফফর আহমদ ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন আহমদ।
অন্যদিকে আসামীদের পক্ষে এডভোকেট রানা দাশ গুপ্তসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী আদালতে মামলা পরিচালনায় অংশ নেন। বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপসহ অন্যান্য আসামীরা এসময় কাটগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে পিপি ফরিদুল আলম এ প্রতিবেদককে বলেন, সোমবার মামলার বাদী শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌসসহ পাঁচজনের সাক্ষ্য গ্রহণের সময় নির্ধারিত ছিল। এদের মধ্যে বাদীর সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। তাঁর জেরা অসমাপ্ত রয়েছে। মঙ্গলবারও জেরা অনুষ্ঠিত হবে। ২৪ ও ২৫ আগস্ট আরও দুই দিন সাক্ষ্য গ্রহণ চলবে বলে জানান তিনি।
২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে গাড়ি থামিয়ে মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
হেফাজতের নতুন আমির নিয়ে শফিপন্থীদের অসন্তোষ
আলোচিত সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নতুন আমির ঘোষণার পর বিতর্ক ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। সংগঠনের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম শূরা কমিটির সভা ছাড়া মৌখিক পরামর্শে সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব নির্বাচনকে অগঠনতান্ত্রিক ও অসাংগঠনিক আখ্যায়িত করছেন অনেকেই। বিশেষ করে আহমদ শফীপন্থি হিসেবে পরিচিতদের মধ্যে এ নিয়ে অসন্তোষ বিরাজ করছে।
হেফাজতে ইসলামের আমির জুনায়েদ বাবুনগরীর মৃত্যুর পর গত ১৯ আগস্ট তার জানাজার আগে নতুন আমির হিসেবে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা, ইসলামী ঐক্যজোটের সাবেক সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর নাম ঘোষণা করা হয়।
কোনো ধরনের সাংগঠনিক সভা ছাড়া এভাবে সংগঠনের আমির নির্বাচন নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক। নেতাকর্মীদের অনেকে বলছেন, হেফাজতে ইসলাম বড় একটি সংগঠন। এর সুনির্দিষ্ট সাংগঠনিক কাঠামো আছে। আমিরের শূন্যতা পূরণে শূরা কমিটি বসে পরামর্শ করে কাউন্সিলের মাধ্যমে আমির নির্বাচন করবে এটাই নিয়ম। কিন্তু তা না করে যে প্রক্রিয়ায় শীর্ষ নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়েছে তা পুরোপুরি অগঠনতান্ত্রিক।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আমির প্রয়াত আহমদ শফীর ছেলে আনাস মাদানী এ প্রসঙ্গে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘নতুন আমির নির্বাচন নিয়ে যা করা হয়েছে তা কোনো নিয়মের মধ্যে পড়ে না। এটা অসাংগঠনিক ও অগঠনতান্ত্রিক। এটা মেনে নেওয়া যায় না। ’ তিনি বলেন, ‘মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী একটি সম্মানিত আলেম।
২০১৫ সালে তিনি হেফাজত ইসলাম থেকে পদত্যাগ করেন। সংগঠন থেকে পদত্যাগী একজন ব্যক্তিকে টেনে এনে একবার প্রধান উপদেষ্টা আবার আমির নির্বাচন করা এমন অনিয়মের মধ্য দিয়ে কোনোভাবেই একটি সংগঠন চলতে পারে না। একধরনের স্বেচ্ছাচারিতার নামান্তর। সংগঠনের আমির মারা গেছেন। কাউন্সিল ডেকে আমির নির্বাচন করতে হবে। ’ তিনি আরও বলেন, ‘এ পরিস্থিতিতে আমরা হেফাজতের কমিটির বিষয়ে নতুন করে চিন্তাভাবনা করছি। আমাদের মাঝে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। আমরা ঘুরে দাঁড়াব। ’
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা রুহী এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘এভাবে আমির নির্বাচন কোনোভাবেই সাংগঠনিক নিয়মের মধ্যে পড়ে না। আমির হবেন নায়েবে আমিরদের মধ্য থেকে এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। তাও হতে হবে কাউন্সিলের মাধ্যমে। কিন্তু এখানে মহাসচিবের ইচ্ছায় সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টাকে এনে আমির করা হয়েছে। মূলত সংগঠনে একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য মহাসচিব এ কাজ করেছেন। ’
তবে সাংগঠনিক সভা ছাড়া আমির নির্বাচনের পদ্ধতিকে অসাংগঠনিক মানতে নারাজ হেফাজতে ইসলামের বর্তমান মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম জেহাদী। দেশ রূপান্তরকে তিনি বলেন, ‘সবার সঙ্গে মৌখিকভাবে পরামর্শ করেই মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে নতুন আমির নির্বাচন করা হয়েছে এবং উপস্থিত বিপুলসংখ্যক জনগণ তা অনুমোদন দিয়েছে। কাজেই এখানে নতুন করে নতুন নেতৃত্ব অনুমোদনের কোনো প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। এ নিয়ে যারা বিতর্ক করতে চায়, তারা করুক। ’ তিনি বলেন, ‘সার্বিক বিষয় নিয়ে সুবিধাজনক সময়ে সভা ডাকব। তবে এখনো সভার সময় নির্ধারণ করা হয়নি। ’
হেফাজতের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হাটহাজারী মাদ্রাসায় ছাত্র আন্দোলন, হামলা-মামলা, সংগঠনের আমির আহমদ শফীর মৃত্যু, জুনায়েদ বাবুনগরীর নেতৃত্বে নতুন কমিটি গঠন, শফীপন্থি হিসেবে পরিচিতদের কমিটি থেকে বাদ পড়া এসব নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে কওমিপন্থি এ সংগঠনটির অভ্যন্তরীণ নানা বিশৃঙ্খলা চলে আসছে। আহমদ শফীর মৃত্যুর পর থেকে সংগঠনে অনেকটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন তার ছেলে আনাস মাদানীসহ তার অনুসারীরা। শফীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে করা হত্যা মামলার কারণে সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিরোধ আরও তীব্র ধারণ করেছে।
গত বছর ১৮ সেপ্টেম্বর মারা যান হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ আহমদ শফী। এরপর ১৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত সম্মেলনে জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির ও নুর হোসেন কাসেমীকে মহাসচিব করে ঘোষণা করা হয় ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি। শফীপন্থি হিসেবে পরিচিত নেতাদের অধিকাংশই এ কমিটি থেকে বাদ পড়েন। কমিটি গঠনের এক মাসের মাথায় মারা যান মহাসচিব নুর হোসেন কাসেমী। এরপর নুরুল ইসলাম জেহাদীকে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করা হয়। গত ১৯ আগস্ট মারা যান সংগঠনটির আমির জুনায়েদ বাবুনগরী।
২০১০ সালের ১৯ জানুয়ারি শাহ আহমদ শফীর নেতৃত্বে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত হয় হেফাজতে ইসলাম নামে অরাজনৈতিক সংগঠন। পরবর্তী সময়ে এ সংগঠনে সারা দেশের কওমি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা যুক্ত হওয়ার পর এটি দেশে বৃহৎ একটি সংগঠনে রূপ নেয়। শাহ আহমদ শফী আমৃত্যু সংগঠনটির আমিরের দায়িত্ব পালন করেন।
-দেশ রূপান্তর
বিজ্ঞাপনে বিদেশি শিল্পী ব্যবহারে দিতে হবে ফি
নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিদেশি শিল্পী দিয়ে দেশি বিজ্ঞাপন নির্মাণে নির্মাতাকে প্রতি বিদেশি শিল্পীর জন্য দুই লাখ টাকা ফি এবং এধরনের বিজ্ঞাপন প্রচারের সময় টিভি চ্যানেলকে বিজ্ঞাপন প্রতি এককালীন বিশ হাজার টাকা সরকারি ফি প্রদানের বিধানটি কার্যকর করা হচ্ছে।
আজ সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রী ড. হাছান মাহ্মুদের সভাপতিত্বে বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাতা প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকে এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপের কথা জানানো হয়। তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মুরাদ হাসান এবং তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মোঃ মকবুল হোসেন এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় তথ্যমন্ত্রী জানান, গত ৩১ শে মে দেশি পণ্যের বিজ্ঞাপনে বিদেশি শিল্পীর অংশগ্রহণ সংক্রান্ত সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে আবেদনের মাধ্যমে সরকারের অনুমতি নিয়ে দেশি পণ্যের বিজ্ঞাপনে বিদেশি শিল্পী অংশগ্রহণ করতে পারবে। এক্ষেত্রে নির্মাতাকে প্রতি বিদেশি শিল্পীর জন্য দুই লাখ টাকা এবং সে ধরনের বিজ্ঞাপন প্রচারের সময় টিভি চ্যানেলকে বিজ্ঞাপন প্রতি এককালীন বিশ হাজার টাকা ফি হিসেবে সরকারি কোষাগারে দেবার বিধান রয়েছে। সকল অংশীজনের সহযোগিতায় এ বিধান দেশ এবং দেশের শিল্পী ও বিজ্ঞাপন শিল্পের জন্য কল্যাণ ও উন্নয়ন বয়ে আনবে।
এশিয়াটিকের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান নূর এমপি, ডিজিটাল এক্সপ্রেশানসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আহসানুল আপন, ইউনিট্রেন্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনির আহমেদ খান, মাত্রার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সানাউল আরেফিন, এনিথিংক ভিজ্যুয়ালের পরিচালক ওয়াহিদ তারেক, ট্রিপল নাইন গ্লোবালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নোমান রবিন, র্যাপচার এন্টারটেইমেন্টের কো-ফাউন্ডার মোঃ রেদওয়ান রহমান রিয়াদ প্রমুখ সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান এবং তাদের পূর্ণ সহযোগিতার কথা ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক সোহরাব হোসেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মিজান-উল-আলম এবং খাদিজা বেগম, বিএফডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালাক স ম গোলাম কিবরিয়া, মন্ত্রণালয়ের আইন কর্মকর্তা মোঃ সাইদুর রহমান গাজী প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
নিউজিল্যান্ড : সংক্রমিত একজন দেশজুড়ে লকডাউন
সংক্রমিত মাত্র এক জন! তাতেই লকডাউন ঘোষণা ‘আতঙ্কিত’ প্রধানমন্ত্রীর।
সংক্রমিত ব্যক্তি ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত বলে ধারণা করা হলেও, এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।
দেশকে সহস্র সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতে এটাই বোধহয় করণীয়। দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত মাত্র একজন, তারপরেও সকলের সুরক্ষার্থে লকডাউনের ঘোষণা করেছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন।
মঙ্গলবার সেই সংক্রমিত ব্যক্তির হদিশ মেলার পরেই এরূপ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। বৃহত্তম শহর অকল্যান্ডের সেই বাসিন্দাকে সাত দিনের জন্য নিভৃতবাসে থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়াও, সমগ্র নিউজিল্যান্ড বুধবার থেকে তিন দিনের জন্য লকডাউনেের আওতায় থাকবে। অকল্যান্ড এবং করোম্যান্ডেল উপকূলীয় শহর যেখানে সংক্রমিত ব্যক্তিটিও কিছু সময়ের জন্য ছিলেন সেখানে থাকবে সাত দিনের জন্য লকডাউন।
লকডাউনের কঠোর বিধি আরোপ করে, স্কুল কলেজ অফিস কার্যালয় এবং সমস্ত ব্যবসা বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবায় থাকছে না কোনও বিধিনিষেধ। দেশের অবস্থা নির্দেশ করে তিনি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব যাতে এই পরিস্থিতি থেকে সুস্থভাবে বেড়িয়ে আসা যায় তার জন্যই এই সিদ্ধান্ত। যাতে ভাইরাসের সংক্রমণ সমুলে বিনাশ করা যায় সেই কারণে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলেন, দিনদিন সংক্রমণ বাড়ার থেকে শুরুতেই এর গতিরোধ করা প্রয়োজন।
সংক্রমিত ব্যক্তি ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত বলে ধারণা করা হলেও, এখনও নিশ্চিত করা হয়নি! ভাইরাসের সর্বশেষ কেসটি ফেব্রুয়ারি মাসে রিপোর্ট করার পর এই কয়েক মাস কোনও রকম সংক্রমণ হয়নি বলেই জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিশ্বজুড়ে, করোনা সংক্রমণের প্রথম থেকেই নিউজিল্যান্ডের কঠোর এবং কৌশল নীতি অনেকাংশেই দেশের মানুষকে ভাইরাসের প্রভাব থেকে বাঁচিয়ে রেখেছিল। সরকারের নির্দেশ এবং নাগরিকদের সহায়তা সেখানে বাড়তে দেয়নি সংক্রমণ। যদিও আন্তর্জাতিক স্তরে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা ছিল এবং কিছু আজও বহাল রয়েছে। করোনায় দেশের সম্পূর্ণ জনসংখ্যার ২৫০০ জনের সংক্রমণ এবং সর্ব মোট ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলেই জানা গেছে।
সূত্র-ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা
সরাসরি বন্দর থেকে পণ্য খালাস চান গার্মেন্টস মালিকরা
কভিড ও লকডাউন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দরে জট এড়াতে আমদানি পণ্য বেসরকারি আইসিডি থেকে ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে তিন সপ্তাহ ধরে। কিন্তু অতিরিক্ত অর্থ ও সময় ব্যয়ের কারণে সরাসরি বন্দর থেকেই পণ্য খালাস চান পোশাক ব্যবসায়ীরা। এদিকে অনুমোদিত ৩৭ পণ্যের অতিরিক্ত আমদানি পণ্য আইসিডিতে না পাঠিয়ে আগের মতো চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি খালাসের নির্দেশনা দিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন চিটাগাং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম। আমদানি পণ্য ডেলিভারি হ্রাস পাওয়ায় বন্দরে কন্টেইনার জট দেখা দেয়।
এ অবস্থায় চট্টগ্রাম বন্দরের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে জট এড়াতে সব ধরনের আমদানি পণ্য সরাসরি বেসরকারি আইসিডি থেকে খালাস নেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে গত ২৫ মার্চ জরুরি অফিস আদেশ জারি করে এনবিআর। এরপর থেকে নির্দিষ্ট ৩৮ আইটেমসহ সব আমদানি পণ্যবাহী কন্টেইনার সরাসরি বেসরকারি ডিপো থেকে ডেলিভারি হয়ে আসছে।
বন্দর সূত্র জানায়, এনবিআরের সময়োপযোগী সিদ্ধান্তে চট্টগ্রাম বন্দর বড় ধরনের জট থেকে রক্ষা পায়। এরপর থেকে সব ধরনের আমদানি পণ্যবাহী কন্টেইনার ডিপোতে চলে যাওয়ার কারণে বন্দরে কন্টেইনারের সংখ্যা কমে আসে। ৪৯ হাজার ১৮ টিইইউস ধারণ ক্ষমতার বিপরীতে বর্তমানে বন্দরে কন্টেইনারের পরিমাণ নেমে এসেছে ৩৬ হাজার টিইইউসে।
পোশাক রপ্তানি খাতের ব্যবসায়ীরা জানান, বেসরকারি ডিপো থেকে পণ্য খালাসে সময় ও অর্থ দুটোই বেশি গুনতে হচ্ছে। বন্দর থেকে দুই দিনে পণ্য ডেলিভারি নেওয়া যায়। সেখানে ডিপো থেকে পণ্য ডেলিভারি নিতে ৬-৮ দিন সময় লাগে। আমদানি পণ্য ডেলিভারি পেতে দেরি হওয়ায় অনেক সময় পোশাক কারখানাগুলোকে কাঁচামাল সংকটে পড়তে হয়।
বিজিএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, বিশেষ পরিস্থিতিতে সব পণ্য অফডক থেকে খালাসের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। আমরাও তা মেনে নিয়েছি। সেই সংকট এখন কেটে গেছে। বন্দর থেকে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কন্টেইনার ডেলিভারি হচ্ছে। অন্যদিকে বেসরকারি ডিপো থেকে পণ্য খালাস করতে গিয়ে রপ্তানি পোশাক খাতের ব্যবসায়ীর ‘কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস’ বেড়ে যাচ্ছে। করোনার এই বৈশি^ক প্রতিকূল বাণিজ্যিক পরিস্থিতিতে তা ব্যবসায়ীদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে সরাসরি বন্দর থেকে পণ্য খালাসের সুযোগ চেয়ে এনবিআরকে চিঠি দিয়েছি।
এদিকে অনুমোদিত পণ্যের অতিরিক্ত পণ্য বেসরকারি আইসিডির পরিবর্তে বন্দর থেকে খালাসে রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন চিটাগাং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম। গতকাল সোমবার এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের কাছে চিঠিতে এ আহ্বান জানান তিনি।
চিঠিতে চেম্বার প্রেসিডেন্ট বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনায় গত ২৫ জুলাই থেকে বেসরকারি আইসিডি থেকে ৩৭টি অনুমোদিত পণ্যের অতিরিক্ত সব ধরনের পণ্য খালাসের অনুমতি দেওয়া হয়। ফলে বর্তমানে প্রতিটি আইসিডিতে ধারণক্ষমতার কাছাকাছি কন্টেইনার রয়েছে। কিন্তু, এসব আইসিডিতে পর্যাপ্ত স্থান, ইকুইপমেন্ট ও শ্রমিক স্বল্পতার কারণে মালামাল খালাসে দীর্ঘসূত্রতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাত্র দুই দিনে পণ্য খালাস করা গেলেও আইসিডিতে ক্ষেত্র বিশেষে ৭-৮ দিন পর্যন্ত সময় লেগে যায়। তাছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের তুলনায় বেসরকারি আইসিডির চার্জগুলোও তুলনামূলক বেশি। ফলে আইসিডি থেকে মালামাল খালাসের ক্ষেত্রে আমদানিকারকদের ব্যয় অনেকগুণ বেড়ে যায়। কাজেই বাড়তি ব্যয় ও পণ্য খালাসে বিলম্বের কারণে সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রচুর আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়, যা বর্তমান মহামারী পরিস্থিতিতে কাম্য হতে পারে না। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি খালাসের নির্দেশনা নিতে এনবিআর চেয়ারম্যানকে বিশেষ অনুরোধ জানান চেম্বার সভাপতি।
সূত্র : দেশ রূপান্তর
আফগানদের বাংলাদেশে আশ্রয় দিতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান
নিউজ মেট্রো প্রতিনিধি :
কয়েক হাজার আফগান নাগরিককে বাংলাদেশে আশ্রয় দিতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ। সোমবার ( ১৬ আগস্ট) রাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রথমে ওয়াশিংটনে আমাদের রাষ্ট্রদূতের কাছে এবং পরে ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত কিছু আফগান নাগরিককে সাময়িকভাবে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার অনুরোধ জানায়। যুক্তরাষ্ট্র এ সময় জানায় তারা বাংলাদেশসহ কিছু বন্ধু দেশকে এ অনুরোধ জানিয়েছে। এরপর আমরা জানতে চেয়েছিলাম কোন কোন দেশকে তারা এ অনুরোধ জানিয়েছে। কত আফগান নাগরিককে কত দিনের জন্য রাখতে হবে। এ বিষয়ে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি।
তালেবানদের উত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে আফগানিস্তানে মার্কিন সমর্থকদের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের উদ্ধার করে বিভিন্ন দেশে সাময়িক আশ্রয়ের ব্যবস্থা করছে। এরই অংশ হিসাবে কিছু লোককে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এসব শুনে বলে দিয়েছি রোহিঙ্গাদের নিয়ে আমরা হিমশিম খাচ্ছি। আমাদের দেশ বড় না। আমাদের লোকসংখ্যা বেশি। নতুন করে কাউকে আশ্রয় দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। আমরা অপারগতা জানিয়ে দিয়েছি।’
আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আফগানিস্তানে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলাদেশ তার প্রতি সমর্থন দেবে।