Home Blog Page 25

কন্টেইনার জটের মুখে বেসরকারি আইসিডি

কন্টেইনার জটের মুখে বেসরকারি আইসিডি

সব ধরনের আমদানি পণ্যবাহী কন্টেইনার সরাসরি বেসরকারি আইসিডিতে (ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপো) পাঠানো শুরুর পর চট্টগ্রাম বন্দর ইয়ার্ডে কমতে শুরু করেছে। তবে পর্যাপ্ত ডেলিভারি না হওয়ায় এখন বেসরকারি ডিপোগুলোতে বাড়ছে কন্টেইনারের সংখ্যা। এ অবস্থায় সেখানে কন্টেইনার জট সৃষ্টির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপোস অ্যাসোসিয়েশনের (বিকডা) চেয়ারম্যান নুরুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সবগুলো বেসরকারি ডিপোর মোট ধারণক্ষমতা প্রায় ৭৮ হাজার টিইইউস হলেও ইতিমধ্যে সেখানে কন্টেইনারের পরিমাণ ৫৫ হাজার টিইইউস ছাড়িয়ে গেছে। ২৬ জুলাই বন্দর থেকে সব ধরনের আমদানি পণ্যবাহী কন্টেইনার ডিপোতে পাঠানো শুরু হলেও সে তুলনায় ডেলিভারি হচ্ছে না। তা ছাড়া রপ্তানি পণ্যবাহী ও খালি কন্টেইনারও রয়েছে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। এ অবস্থায় দ্রুত আমদানি পণ্যবাহী কন্টেইনার ডেলিভারি ও রপ্তানি পণ্যবাহী কন্টেইনার শিপমেন্ট না হলে ডিপোগুলোতেও কন্টেইনারের বড় জট সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী  বলেন, বেসরকারি আইসিডিগুলো থেকে পণ্য ডেলিভারি পেতে বন্দরের তুলনায় অনেক বেশি সময় লাগছে। খরচও বেড়েছে তিন গুণ। করোনা পরিস্থিতিতে বন্দর জটমুক্ত রাখতে গার্মেন্টস মালিকরা তা সাময়িকভাবে মেনে নিয়েছেন। শিল্প কারখানা বন্ধ থাকার পরও যতটা সম্ভব পণ্য ডেলিভারি নিচ্ছেন তারা। তিনি বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত অফডক থেকে সব আমদানি পণ্য খালাসের কথা বলা হলেও আমাদের অনুরোধ থাকবে সরকারি কঠোর বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার পরপরই যাতে সরাসরি বন্দর থেকে পণ্য ডেলিভারি নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। অন্যথায় দেশের প্রধান রপ্তানি খাতের ব্যবসায়ীরা বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানায়, ঈদুল আজহার ছুটির পরদিন থেকেই করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনের কারণে বন্দর থেকে পণ্য ডেলিভারি কমে যায় উল্লেখযোগ্য হারে। ফলে কন্টেইনার জট দেখা দেয়। এ পরিস্থিতিতে বড় জট এড়াতে সব ধরনের আমদানি পণ্য বেসরকারি ডিপো থেকে খালাসের অনুমতি চেয়ে এনবিআরকে চিঠি দেয় নৌ মন্ত্রণালয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ জুলাই সব ধরনের আমদানি পণ্য বেসরকারি ডিপো থেকে খালাসের অনুমতি দিয়ে অফিস আদেশ জারি করে এনবিআর।

রপ্তানি পণ্যবাহী ও খালি কন্টেইনারে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উঠছে বেসরকারি কন্টেইনার ডিপোগুলোও। সংকট উত্তরণে বন্দর ও স্টেক হোল্ডারদের জরুরি বৈঠক থেকে চট্টগ্রাম-কলম্বো রুটে চলাচলের জন্য নতুন ফিডার ভ্যাসেল অনুমোদনসহ ৭টি সিদ্ধান্ত হয়। এসব সিদ্ধান্ত কার্যকরের পর অফডকগুলো থেকে কয়েক হাজার রপ্তানি পণ্যবাহী কন্টেইনার জাহাজীকরণ হয়। তারপরও বর্তমানে অফডকগুলোতে ১২ হাজার টিইইউস রপ্তানি পণ্যবাহী কন্টেইনার শিপমেন্টের অপেক্ষায় রয়েছে। তার ওপর নতুন করে সব ধরনের আমদানি পণ্যবাহী কন্টেইনার অফডকে আসতে থাকায় সেখানে চাপ বেড়েছে।

বেসরকারি আইসিডিগুলোর গত বুধবারের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চট্টগ্রামের ১৭টি ডিপোতে মোট ৭৮ হাজার ৭০০ টিইইউস কন্টেইনারের ধারণক্ষমতার বিপরীতে মোট কন্টেইনার রয়েছে ৫৫ হাজার ৯৮৮ টিইইউস। এর মধ্যে আমদানি পণ্যবাহী কন্টেইনার ১৩ হাজার ১১৬ টিইইউস, রপ্তানি পণ্যবাহী কন্টেইনার ১২ হাজার ৬৯৯ টিইইউস ও খালি কন্টেইনার ৩০ হাজার ১৭৩ টিইইউস। স্বাভাবিক অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনায় ধারণক্ষমতার ৩০ শতাংশ খালি রাখতে হয়। কিন্তু বর্তমানে অধিকাংশ অফডকে সেই পরিমাণ জায়গা খালি নেই। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক  জানান, ২৬ জুলাই থেকে সব ধরনের আমদানি পণ্যবাহী কন্টেইনার অফডকে পাঠানো শুরুর পর বন্দরে কন্টেইনারের পরিমাণ কমে আসছে। বন্দর থেকে ডেলিভারিও বেড়েছে। বন্দরের ৪৯ হাজার ১৮ টিইইউস ধারণক্ষমতার বিপরীতে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট কন্টেইনার ছিল ৪২ হাজার ৫৮৫ টিইইউস। তিনি জানান, গত তিন দিনে বন্দর থেকে মোট ১৪ হাজার ৯৫ টিইইউস কন্টেইনার ডেলিভারি হয়েছে।

সূত্র: দেশ রূপান্তর

এ বছর জনপ্রতি ৭০ টাকা ফিতরা নির্ধারণ

এ বছর জনপ্রতি ৭০ টাকা ফিতরা নির্ধারণ
নিউজ মেট্রো ডেস্ক :
চলতি বছর ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৭০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরও সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকাই ছিল তবে সর্বোচ্চ ছিল ২ হাজার ২০০ টাকা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির এক ভার্চুয়াল সভায় এই হার নির্ধারণ করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান। এতে ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, ইসলামী শরিয়াহ মতে মুসলমানরা সামর্থ্য অনুযায়ী গম, আটা, খেজুর, কিসমিস, পনির ও যবের যেকোনো একটি পণ্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা এর বাজারমূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করতে পারবেন।
আটার ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’)। খেজুর, কিসমিস, পনির ও যবের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম (এক সা’) মাধ্যমে সাদকাতুল ফিতর (ফিতরা) আদায় করতে হয়।
এসব পণ্যের বাজারমূল্য হিসাব করে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ফিতরা নির্ধারণ করা হয়।

বাঁশখালীতে গুলিবিদ্ধ আরো ২ শ্রমিকের মৃত্যু

বাঁশখালীতে গুলিবিদ্ধ আরো ২ শ্রমিকের মৃত্যু
ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাঁশখালীর গন্ডামারায় নির্মাণাধীন বিদ্যুৎ প্রকল্প এস এস পাওয়ারের শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ আরো দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এরা হলেন- শিমুল আহমেদ (২৩) ও রাজেউল ইসলাম (২৫)। তাঁরা দু’জনই ওই প্রকল্পে কর্মরত ছিলেন। এ নিয়ে ওই ঘটনায় ৭জন শ্রমিক মারা গেলেন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানায়, এস এস পাওয়ারে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ শ্রমিক শিমুল আহমেদকে গত শনিবার থেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে মারা যান তিনি। তাঁর বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে।
এদিকে নগরীর  পার্ক ভিউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন রাজেউল ইসলাম (২৫) নামে আরেক আহত শ্রমিক। তাঁর বাড়ি দিনাজপুরের ফুলবাড়ি এলাকায়।
প্রসঙ্গত, বাঁশখালীর গন্ডামারা এলাকায় এস আলম গ্রুপ ও চীনের একটি প্রতিষ্ঠানের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন বিদ্যুৎ প্রকল্পের শ্রমিকরা বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে বিক্ষোভকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে। ওই দিনই গুলিতে ৫ শ্রমিক মারা যান। এরা হলেন- আহমদ রেজা (১৮), রনি হোসেন (২২), শুভ (২৪), মো. রাহাত (২৪) ও রায়হান (২৫)।

একদিনে বিশ্বের সর্বোচ্চ করোনা সংক্রমণ ভারতে

একদিনে বিশ্বের সর্বোচ্চ করোনা সংক্রমণ ভারতে
লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে দেশের দৈনিক করোনাভাইরাস সংক্রমণ পৌঁছে গেল ২ লক্ষ ৯৫ হাজারে। এক দিনে আক্রান্তের নিরিখে এই সংখ্যা শুধুমাত্র ভারতে নয় বিশ্বেও সর্বোচ্চ। এ বছর ৮ জানুয়ারি আমেরিকাতে এক দিনে আক্রান্ত হয়েছিলেন ২ লক্ষ ৮৯ হাজার ১৯৫ জন। কোনও একটি দেশে একদিনে আক্রান্তের নিরিখে এই সংখ্যা এত দিন সর্বোচ্চ ছিল। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে বুধবার নতুন রের্কড গড়ল ভারত।
দৈনিক মৃত্যুর নিরিখেও দেশে বুধবার তৈরি হল নতুন রের্কড। দেশে এই প্রথম একদিনে মৃত্যু ২ হাজার ছাড়িয়ে গেল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ২৩ জনের। করোনাভাইরাসের ছোবলে দেশে এখনও অবধি প্রাণ হারিয়েছেন ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৫৫৩ জন।
সূত্র : আনন্দবাজার

রণক্ষেত্রে প্রাণ হারালেন চাদের প্রেসিডেন্ট ইদ্রিস ডেবি

রণক্ষেত্রে প্রাণ হারালেন চাদের প্রেসিডেন্ট ইদ্রিস ডেবি
নিউজ মেট্রো ডেস্ক :
যুদ্ধক্ষেত্র পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় মারা গেলেন তিন দশক ধরে ক্ষমতায় থাকা মধ্য আফ্রিকার রাষ্ট্র চাদের প্রেসিডেন্ট ইদ্রিস ডেবি।মঙ্গলবার চাদের সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র প্রেসিডেন্টের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন৷রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য  ডেবির ৩৭ বছর বয়সি ছেলে মাহামাত ইদ্রিস ডেবি ইটনোর নেতৃত্বে গঠন করা হয়েছে অন্তর্বর্তী কাউন্সিল৷
ডয়চে ভেলে জানায়, ডেবির দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে- পার্শ্ববর্তী লিবিয়া থেকে আক্রমণ করা ‘সন্ত্রাসীরা’ একটি সীমান্ত চৌকিতে হামলা চালায়৷ মরুভূমির মধ্য দিয়ে তারা রাজধানী এনজামেনার দিকে বেশ কয়েকশ কিলোমিটার এগিয়েও যায়৷ সেনাবাহিনীর দাবি এই যুদ্ধে বিদ্রোহীরা পিছু হঠতে বাধ্য হয়েছে এবং তিন শতাধিক বিদ্রোহী মারা গেছে৷
সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আজেম বার্মেন্দাও আগোনা টিভিতে প্রেসিডেন্টের মৃত্যু সংবাদ ঘোষণা করেন৷ স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে দেশটিতে কারফিউ ঘোষণার কথাও জানান মুখপাত্র৷
১৯৯০ সাল থেকে আফ্রিকার দেশ চাডের প্রেসিডেন্ট ইদ্রিস ডেবি৷ আফ্রিকার সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যেও একজন তিনি৷ গত ১১ এপ্রিলের নির্বাচনে ৭৯ শতাংশ ভোট পান ডেবি৷ সাহেল অঞ্চলে বিভিন্ন জঙ্গী গোষ্ঠির তৎপরতার বিরুদ্ধে ফরাসি নেতৃত্বাধীন অভিযানের অন্যতম শক্তি ছিলেন তিনি৷ গত আগস্টে দেশটির পশ্চিমে জিহাদিদের বিরুদ্ধে সফল অভিযান পরিচালনার পর চাদের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি ডেবিকে দেশটির প্রথম ফিল্ড মার্শাল ঘোষণা করে৷

চট্টগ্রামে করোনায় মৃত্যু চারশ ছুঁয়েছে

চট্টগ্রামে করোনায় মৃত্যু চারশ ছুঁয়েছে
নিউজ মেট্রো প্রতিনিধি :
চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা চারশ ছুঁয়েছে। এই পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৪২ হাজার।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আজ বুধবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মহানগরী ও জেলা মিলিয়ে মারা গেছে চারজন কোভিড-১৯ রোগী। সে হিসেবে গত এক বছরে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল চারশতে।

চট্টগ্রামে গত বছরের ৩ এপ্রিল প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। তার ছয় দিন পর ৯ এপ্রিল ঘটে প্রথম মৃত্যু। গত ২৪ ঘন্টায় মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে দুইজন মহানগরী এবং বাকি দুইজন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হিসেব মতে চট্টগ্রাম জেলায় করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ৭১৫ জনে।

চট্টগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. আসিফ খান জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে এ ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৪১৪ জন। এর মধ্যে মহানগরীতে ৩৭৩ জন এবং বিভিন্ন  উপজেলায় ৪১ জন।

তিনি আরো জানান চট্টগ্রাম জেলায় মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২ হাজার ৭৫৬টি। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ০২ শতাংশ।

বিএসএএ’র নতুন চেয়ারম্যান সৈয়দ আরিফ ইকবাল-রেয়াজ ভাইস চেয়ারম্যান

বিএসএএ’র নতুন চেয়ারম্যান সৈয়দ আরিফ ইকবাল-রেয়াজ ভাইস চেয়ারম্যান

নিউজ মেট্রো রিপোর্ট :
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশনের (বিএসএসএ) নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ। একই সঙ্গে সৈয়দ ইকবাল আলী শিমুল সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও মো. রেয়াজ উদ্দিন খান ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এসেোসিয়েশনের নব নির্বাচিত পরিচালকদের সভায় সোমবার এ প্রেসিডিয়াম গঠন করা হয়। গত রোববার অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ২৪ পরিচালক পদের মধ্যে ২২টিতে জয়ী হন সৈয়দ মো. আরিফের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত পরিষদের প্রার্থীরা।

বিএসএএ সূত্র জানায়, সোমবার দুপুরে এসোসিয়েশন কার্যালয়ে নির্বাচিত পরিচালকদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এএমএমএস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফকে ২০২১-২০২৩ মেয়াদের জন্য চেয়ারম্যান, এমজিএইচ গ্রæপের লাইনার ডিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ইকবাল আলী শিমুলকে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এবং কসকল শিপিং লাইন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. রেয়াজ উদ্দিন খানকে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়।
এর আগে রোববার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত নগরীর হোটেল আগ্রাবাদের ইছামতি হলে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। করোনার প্রতিকুল পরিস্থিতির মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসোসিয়েশনের বিপুল সংখ্যক সদস্য ভোট প্রদান করেন। নির্বাচনে সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফের নেতৃত্বাধীন ‘সম্মিলিত পরিষদ’ ও মোহাম্মদ শাহেদ সরওয়ারের নেতৃত্বাধীন ‘শাহেদ সরওয়ার প্যানেল’ সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সম্মিলিত পরিষদের নব নির্বাচিত পরিচালক শফিকুল আলম জুয়েল জানান, রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভোট গণনা শেষ হয়। নির্বাচনে অর্ডিনারী ক্যাটাগরির ১৬ পরিচালক পদের মধ্যে ১৪টিতে সম্মিলিত পরিষদ এবং ২টিতে শাহেদ সরওয়ার প্যানেলের প্রার্থী জয়ী হন। আর এসোসিয়েট ক্যাটাগারির ৮টি পদের সব ক’টিই জিতে নেয় সম্মিলিত পরিষদ।
নির্বাচনে বিজয়ী যারা : সম্মিলিত পরিষদ- সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ, সৈয়দ ইকবাল আলী শিমুল, ওসমান গনি চৌধুরী, মো. আজফার আলী, ক্যাপ্টেন সৈয়দ সোহেল হাসনাত, মো. সাজ্জাদুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মুনতাসির রুবাইয়াত, আবু খালেদ মোহাম্মদ শাকিল আহসান, মোহাম্মদ আসিফ ইফতেখার হোসেন, মোহাম্মদ জিয়াউল কাদের, এস এম মাহবুবুর রহমান, এসএম এনামুল হক, তানজিল আহমেদ রুহুল্লাহ, মোহাম্মদ শফিকুল আলম জুয়েল, মো. রেয়াজ উদ্দিন খান, শামসুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (মিনার), খায়রুল আলম (সুজন), প্রবীর সিনহা, ওয়াহিদ আলম, নাজমুল হক ও নজরুল ইসলাম।
শাহেদ সরওয়ার প্যানেল : মোহাম্মদ শাহেদ সরওয়ার ও মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জহির।

বিএসএএ নির্বাচনে সম্মিলিত পরিষদের দাপুটে জয়

বিএসএএ নির্বাচনে সম্মিলিত পরিষদের দাপুটে জয়
নিউজ মেট্রো রিপোর্ট :
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশনের (বিএসএসএ) নির্বাচনে দাপুটে জয় পেয়েছে সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত পরিষদ। রোববার অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ২৪ পরিচালক পদের মধ্যে ২২টিই দখলে নিয়েছে তারা। প্রতিদ্ব›দ্বী শাহেদ সরওয়ার প্যানেল জিতেছে মাত্র দু’টি পদে।
সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত নগরীর হোটেল আগ্রাবাদের ইছামতি হলে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। করোনার প্রতিকুল পরিস্থিতির মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসোসিয়েশনের বিপুল সংখ্যক সদস্য ভোট প্রদান করেন। নির্বাচনে সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফের নেতৃত্বাধীন ‘সম্মিলিত পরিষদ’ ও মোহাম্মদ শাহেদ সরওয়ারের নেতৃত্বাধীন ‘শাহেদ সরওয়ার প্যানেল’ সরাসরি প্রতিদ্ব›িদ্বতা করে।
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সম্মিলিত পরিষদের প্রার্থী শফিকুল আলম জুয়েল জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভোট গণনা শেষ হয়েছে। নির্বাচনে অর্ডিনারী ক্যাটাগরির ১৬ পরিচালক পদের মধ্যে ১৪টিতে সম্মিলিত পরিষদ এবং ২টিতে শাহেদ সরওয়ার প্যানেলের প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। আর এসোসিয়েট ক্যাটাগারির ৮টি পদের সব ক’টিই জিতেছে সম্মিলিত পরিষদ।
নির্বাচনে বিজয়ী যারা : সম্মিলিত পরিষদ- সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ, সৈয়দ ইকবাল আলী শিমুল, ওসমান গনি চৌধুরী, মো. আজফার আলী, ক্যাপ্টেন সৈয়দ সোহেল হাসনাত, মো. সাজ্জাদুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মুনতাসির রুবাইয়াত, আবু খালেদ মোহাম্মদ শাকিল আহসান, মোহাম্মদ আসিফ ইফতেখার হোসেন, মোহাম্মদ জিয়াউল কাদের, এস এম মাহবুবুর রহমান, এসএম এনামুল হক, তানজিল আহমেদ রুহুল্লাহ, মোহাম্মদ শফিকুল আলম জুয়েল, মো. রেয়াজ উদ্দিন খান, শামসুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (মিনার), খায়রুল আলম (সুজন), প্রবীর সিনহা, ওয়াহিদ আলম, নাজমুল হক ও নজরুল ইসলাম।
শাহেদ সরওয়ার প্যানেল : মোহাম্মদ শাহেদ সরওয়ার ও মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জহির।
সম্মিলিত পরিষদ থেকে বিজয়ী পরিচালক খায়রুল আলম সুজন এ প্রতিবেদককে বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা ১১দফা ইশতেহার নিয়ে ভোটারদের কাছে গিয়েছি। এসোসিয়েশনের সদস্যরা আমাদের ওপর আস্থা রেখেছেন। এখন আমাদের দায়িত্ব হবে সদস্যদের স্বার্থ রক্ষায় আমাদের কাজের মাধ্যমে সেই আস্থার প্রতিদান দেয়া।

লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি-১১ নির্দেশনা

লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি-১১ নির্দেশনা
নিউজ মেট্রো ডেস্ক :
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে আগামীকাল ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।
আজ রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
‘করোনাভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধে শর্ত সাপেক্ষে সার্বিক কার্যাবলি/চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ’ শিরোনামের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বিদ্যমান পরিস্থিতি পর্যালোচনায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে গত ২৯ মার্চ ১৮ দফা নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় আগামীকাল ৫ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ১১ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত মেয়াদে প্রতিপালনের জন্য প্রজ্ঞাপনে ১১টি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে দেওয়া নির্দেশনায় বলা হয়েছে,
১. সব প্রকার গণপরিবহন সড়ক, রেল ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন উৎপাদন ব্যবস্থার জরুরি সেবা দানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না। এছাড়া বিদেশগামী ও বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।
২. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- ত্রাণ বিতরণ স্বাস্থ্যসেবা বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর সমূহের স্থলবন্দর, নৌবন্দর ও সমুদ্র বন্দর কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবার জরুরি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এবং তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে।
৩. সব সরকারি-আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত অফিস-আদালত এবং বেসরকারি অফিস কেবল জরুরি কাজ সম্পাদনের জন্য সীমিত পরিসরে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়ে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় অফিসে আনা নেওয়া করতে পারবে। শিল্প-কারখানা ও নির্মাণকার্য চালু থাকবে। শিল্প-কারখানার শ্রমিকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেওয়া করতে হবে। বিজিএমইএ ও বিকেএমইএকে শিল্প-কারখানা এলাকায় নিকটবর্তী সুবিধাজনক স্থানে তাদের শ্রমিকদের জন্য ফিল্ড হাসপাতাল/চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
৪. সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ঔষধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয়, চিকিৎসাসেবা মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না।
৫. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় কেবল খাদ্য বিক্রয় ও সরবরাহ করা যাবে। কোনো অবস্থাতেই হোটেল-রেস্তোরাঁয় বসে খাবার খাওয়া যাবে না।
৬. শপিং মলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে। তবে দোকানগুলো পাইকারি ও খুচরা পণ্য অনলাইনের মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই সর্বাবস্থায় কর্মচারীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং অন্য কোনো শহরে যেতে পারবে না।
৭. কাঁচা বাজার ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ/স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
৮. ব্যাংকিং ব্যবস্থা সীমিত পরিসরে চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।
৯. সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ঢাকায় সুবিধাজনক স্থানে ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
১০. সারাদেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লেখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে।
১১. এ আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোমবার থেকে দেশজুড়ে লকডাউন

সোমবার থেকে দেশজুড়ে লকডাউন

নিজস্ব প্রতিবেদক :

রোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেতে থাকায় আগামী সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে সারাদেশ এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবনে আজ শনিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান। তিনি বলেন, সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করছে সরকার।
এদিকে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, দ্রুত বেড়ে যাওয়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে সোমবার থেকে সপ্তাহের জন্য লকডাউন দিতে যাচ্ছে সরকার। লকডাউনের মধ্যে জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব ধরনের সরকারি বেসরকারি-প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকবে শিল্পকারখানা।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের চলাফেরা যাতে কমাতে পারি সেজন্য আমরা আপাতত এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন দিচ্ছি। আমাদের জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান, ডিসি অফিস, ইউএনও অফিস, ফায়ার সার্ভিসের অফিস, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অফিস, সংবাদপত্র অফিস- এই ধরনের অফিস খোলা থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘লকডাউনের মধ্যে শিল্পকারখানা খোলা থাকবে, সেখানে একাধিক শিফট করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতে শ্রমিকরা কাজ করেন- সেটা নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে তো আবার গত বছরের মতো শ্রমিকদের বাড়ি যাওয়ার ঢল শুরু হয়ে যাবে।’
‘এছাড়া সরকারি ও বেসরকারি অফিস-আদালত বন্ধ থাকবে। সব ধরনের মার্কেট বন্ধ থাকবে।