Home Blog Page 28

শবে বরাতের ছুটি ২৯ মার্চের পরিবর্তে ৩০ মার্চ

শবে বরাতের ছুটি ২৯ মার্চের পরিবর্তে ৩০ মার্চ

নিউজ মেট্রো ডেস্ক :

সরকার পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে ছুটির নির্ধারিত তারিখ ২৯ মার্চ, ২০২১ এর পরিবর্তে ৩০ মার্চ, ২০২১ তারিখ পুনঃনির্ধারণ করেছে। জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছুটি পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।

যে সকল অফিসের সময়সূচি ও ছুটি তাদের নিজস্ব আইন-কানুন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে অথবা যে সকল অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের চাকরি সরকার কর্তৃক অত্যাবশ্যক চাকরি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান নিজস্ব আইন-কানুন অনুয়ী জনস্বার্থ বিবেচনা করে এ ছুটি পুনঃনির্ধারণ করবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আজ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

বিএসএএ নির্বাচনে সম্মিলিত পরিষদের ১১ দফা ইশতেহার ঘোষণা

বিএসএএ নির্বাচনে সম্মিলিত পরিষদের ১১ দফা ইশতেহার ঘোষণা
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশন নির্বাচনে সম্মিলিতি পরিষদে প্যানেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশন (বিএসএএ) নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে ‘সম্মিলিত পরিষদ’। সোমবার রাতে চট্টগ্রামের হোটেল আগ্রাবাদে প্যানেল পরিচিতি সভায় এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। এসময় পরিষদের আহŸায়ক মোহাম্মদ ওসমান গনি চৌধুরী বলেছেন, এসোসিয়েশনের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সম্মিলিত পরিষদ ঐক্যমতের ভিত্তিতে সবাইকে সাথে নিয়ে কাজ করতে চায়। ব্যক্তিগত স্বার্থে এসোসিয়েশনকে ব্যবহার করবে না পরিষদ।
আগামী ৪এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশনের নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত পরিষদ ও শাহেদ সরওয়ারের নেতৃত্বাধীন ‘শাহেদ সরওয়ার প্যানেল’ সরাসরি প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছে।
গম্মিলিত পরিষদ ঘোষিত ১১দফা ইশতেহারের মধ্যে রয়েছে- ঐক্যমতের ভিত্তিতে সবাইকে নিয়ে কাজ করা, সাব-কমিটিগুলোকে কার্যকর করার জন্য কন্টেইনার, বাল্ক, ট্যাংকার ইত্যাদির জন্য অভিজ্ঞদের নিয়ে কমিটি গঠন, প্রতি তিন মাস অন্তর সব সদস্যকে নিয়ে সভা করে সমস্যার সমাধানে কার্যকরী ভূমিকা রাখা, সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ইত্যাদি।
ঐক্যমতের ভিত্তিতে সবাইকে নিয়ে কাজ করা, সাবকমিটিগুলোকে কার্যকর করার জন্য কন্টেইনার, বাল্ক, ট্যাংকার ইত্যাদির জন্য অভিজ্ঞদের নিয়ে কমিটি গঠন, প্রতি তিন মাস অন্তর সব সদস্যদের নিয়ে সভা করে সমস্যার সমাধানে কার্যকরী ভূমিকা রাখা, সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ইত্যাদি। সম্মিলিত পরিষদের প্যানেল লিডার সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ এ ইশতেহার ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিষদের আহŸায়ক মোহাম্মদ ওসমান গনি চৌধুরী, প্রবীণ শিপিং ব্যক্তিত্ব আতাউল করিম চৌধুরী, কাজি এম ডি চৌধুরী, মোহাম্মদী শিপিংয়ের পরিচালক নাইম, লিটমন্ড শিপিংয়ের পরিচালক মো. বেলায়েত হোসেন, রেডিয়েন্ট শিপিং এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর শফিকুল আলম জুয়েল প্রমুখ।
সম্মিলিত পরিষদের প্যানেল লিডার সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর উৎসব মূখর পরিবেশে এই সংগঠনটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন না হওয়ায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সভায় এসোসিয়েশনের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে। সাধারণ সদস্যদের স্বার্থ রক্ষায় এবারের নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সম্মিলিত পরিষদ সবসময় সাধারণ সদস্যদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে এসেছে। আগামী দিনেও সদস্যদের পাশে সবসময় থাকার অঙ্গীকার করছি।
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদী শিপিংয়ের পরিচালক কাজি এম ডি আবু নাইম বলেন, অতীতে আমরা দেখেছি বন্দর ও কাস্টমসসহ বিভিন্ন সংস্থায় অনেকে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধিতে ব্যস্ত ছিলো। এর বড় প্রমাণ হলো গভীর সাগরে পাইলটিং দায়িত্ব পাচ প্রতিষ্ঠান বাগিয়ে নেওয়া, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিজেদের জাহাজ ভিড়ানোর জন্য তদবির ইত্যাদি। এরা কারা-তা সাধারণ সদস্যরা সবাই জানেন। সাধারণ সদস্যদের স্বার্থবিরোধী কর্মকান্ডে যারা যুক্ত তাদেরকে হঠাতে হলে সম্মিলিত পরিষদের বিকল্প নেই।
সম্মিলিত পরিষদের প্রার্থীরা হলেন- এসোসিয়েট ক্যাটাগরিতে- মোহাম্মদ শফিকুল আলম জুয়েল, মো. রেয়াজ উদ্দিন খান, শামসুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (মিনার), খায়রুল আলম (সুজন), প্রবীর সিনহা, ওয়াহিদ আল নাজমুল হক এবং নজরুল ইসলাম। অর্ডিনারি ক্যাটাগরিতে- সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ, সৈয়দ ইকবাল আলী শিমুল, ওসমান গনি চৌধুরী, মো. আজফার আলী, ক্যাপ্টেন সৈয়দ সোহেল হাসনাত, মো. সাজ্জাদুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মুনতাসির রুবাইয়াত, আবু খালেদ মোহাম্মদ শাকিল আহসান, মোহাম্মদ আসিফ ইফতেখার হোসেন, মোহাম্মদ জিয়াউল কাদের, এস এম মাহবুবুর রহমান, এসএম এনামুল হক, এটিএম শহিদুল্লাহ, তানজিল আহমেদ রুহুল্লাহ এবং শহিদুল মোস্তাফা চৌধুরী।

২৫ মার্চ রাতে সারাদেশে ১ মিনিট ব্ল্যাকআউট

২৫ মার্চ রাতে সারাদেশে ১ মিনিট ব্ল্যাকআউট

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসে রাত ৯টা থেকে ৯টা ১ মিনিট পর্যন্ত  সারাদেশে  প্রতীকী  ‘ব্ল্যাক আউট’ পালন করা হবে। তবে কেপিআই এবং জরুরি স্থাপনাসমূহ এ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।

২৫ মার্চ রাতে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবন ও স্থাপনাসমূহে কোনো আলোকসজ্জা করা যাবেনা। তবে ২৬ মার্চ সন্ধ্যা থেকে আলোকসজ্জা করা যাবে।

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসের জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তথা সর্বসাধারণকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

-তথ্য বিবরণী

জে এম সেনের বাড়ি হবে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা জাদুঘর’

জে এম সেনের বাড়ি হবে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা জাদুঘর’
সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময় করছেন চট্টগ্রাম নতুন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক :
চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক স্থাপনা জেএমসেন এর বাড়িটি ‘মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা জাদুঘর’ হিসাবে গড়ে তোলা হবে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এ উদ্যোগ নিয়েছে। ইতিমধ্যে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ কওে ভবনটি জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে চট্টগ্রামের নব নিযুক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান একথা বলেন।
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের আদলে চট্টগ্রামেও একটি স্মৃতিসৌধ তৈরি হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এর জন্য স্থান নির্ধারণের কাজ শেষ পর্যায়ে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের একটি প্রতিনিধিদল মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করেছে। আশা করছি, খুব শীঘ্রই এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। আগামীতে কর্ণফুলী নদীসহ সরকারি জায়গায় যেসকল অবৈধ স্থাপনা রয়েছে সেগুলো উদ্ধারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোর প্রচেষ্টা চালানো হবে বলেও জানান তিনি।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এ মত বিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। প্রেস ক্লাব সভাপতি আলহাজ¦ আলী আব্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি সালাহউদ্দিন মো. রেজা ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম সভা সঞ্চালনা করেন।
এ সময় প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি স ম ইব্রাহীম, সিইউজের সহ সভাপতি অনিন্দ্য টিটো, প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন হায়দার, গ্রন্থাগার সম্পাদক মিন্টু চৌধুরী, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলীউর রহমান, কার্যকরী সদস্য শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, মনজুর কাদের মনজু সহ চট্টগ্রামের সিনিয়র সাংবাদিকবৃন্দ, বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং অনলাইন মিডিয়ার বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে বলেন, ৩ জানুয়ারি চট্টগ্রামে যোগদানের পর বড় চ্যালেঞ্জ ছিল চসিক নির্বাচন। জেলা প্রশাসন কার্যালয়েও অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল। মানবিক দুর্নীতিমুক্ত জেলা প্রশাসন করতে ৩ জনকে বরখাস্ত এবং ৭ জন সহকর্মীকে স্ট্যান্ড রিলিজ করেছি। জেলা প্রশাসনের ভ‚মি অধিগ্রহণ শাখা থেকে ইতোমধ্যে দুইজন দালালকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে আশা করছি। একইসঙ্গে আগামী একশ বছর পর কেমন বাংলাদেশ হবে তার ডেল্টা প্ল্যানও করে দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখছেন তা বাস্তবায়নে আমি সাধ্যমতো কাজ করে যাবো।

মশা মারতে ঢাকার জলাশয়ে ছাড়া হচ্ছে ব্যাঙ

মশা মারতে ঢাকার জলাশয়ে ছাড়া হচ্ছে ব্যাঙ
নিউজ মেট্রো প্রতিনিধি :
মশা মারতে এবার ঢাকার জলাশয়ে ব্যাঙ ছাড়তে শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে দশটি জলাশয়ে হাজার দশেক ব্যাঙাচি অর্থাৎ ব্যাঙের পোনা ছাড়া হয়েছে।

ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম আমিন উল্লাহ নূরী জানান, ব্যাঙের পোনাগুলোকে জলাশয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে,  আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই পোনা পূর্ণাঙ্গ ব্যাঙে রূপান্তরিত হবে তখন তারা মশার লার্ভা খেয়ে ফেলতে শুরু করবে বলে আমরা আশা করছি।

তিনি বলেন, আমাদের পরিকল্পনা হচ্ছে এই ব্যাঙাচি পূর্ণাঙ্গ ব্যাঙ হবে এবং তারা বংশবিস্তার করবে, এবং মশার লার্ভা খেয়ে ক্রমে তারা মশার বিস্তার ঠেকাতে সক্ষম হবে।

মশার জ্বালায় অতিষ্ঠ নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে এর আগেও নানা কর্মসূচী নিতে দেখা গেছে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষকে। জলাশয়ে গাপ্পি মাছ, হাঁস, তেলাপিয়া মাছ ইত্যাদি ছেড়ে মশা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করতে দেখা গেছে। কিন্তু তাতে কোন কাজ হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে মশার উৎপাত মারাত্মক হারে বেড়ে গেছে। বাজারের মশার কয়েল দিয়েও এসব মশা তাড়ানো যাচ্ছেনা।

সূত্র : বিবিসি

করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ ৮ এপ্রিল থেকে

করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ ৮ এপ্রিল থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

আগামী আগামী ৮ এপ্রিল থেকে দেশে করোনা ভাইরাসের টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা আজ রোববার দুপুরে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএসএমডি) নতুন ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক অনলাইনে যুক্ত হয়ে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে করোনা বেড়ে যাওয়ার একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। কারণ মানুষজন বেড়াতে যাচ্ছেন। কক্সবাজার, বান্দরবান যাচ্ছেন। বিয়ে, পিকনিক ও ওয়াজ মাহফিল হচ্ছে। গত ১৫ দিনে কক্সবাজার প্রায় ২৫ লাখ মানুষ ভ্রমণের জন্য গেছেন। এদের কেউই স্বাস্থ্যবিধি মানেনি, মাস্ক ব্যবহার পড়েনি। এসব কারণে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বলেন, জনগণ সরকারকে সহযোগিতা না করলে দেশ থেকে করোনামুক্ত হবে না। তাই দেশের জনগণকে দেশ থেকে করোনামুক্ত করতে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএসএমডি) পরিচালক আবু হেনা মোরশেদ জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য সচিব মো. আবদুল মান্নান, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলী নুর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছতে পারবেনা : প্রধানমন্ত্রী

ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছতে পারবেনা : প্রধানমন্ত্রী
বঙ্গবন্ধুর ১০১তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ’৭৫ এর পরে ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নামটি পর্যন্ত মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই নাম আর আজকে কেউ মুছতে পারবে না। যেখানে মিথ্যা ঘোষক বানানোর চেষ্টা হয়েছিল আজ আন্তর্জাতিকভাবেও আপনারা দেখেন সেই ঘোষকের আর কোন ঠিকানা থাকবে না । কারণ, আজকে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ নিজেরাই প্রচার করছেন এবং অনেক জায়গায় রেজ্যুলুশন ও হচ্ছে যে, ২৬ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। আজ বিকেলে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির ভাষণে তিনি একথা বলেন।
গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দলীয় কার্যালয় ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি এখন প্রমাণিত হয়েছে যে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রদর্শিত উন্নয়নের পথেই দেশ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা মাত্র সাড়ে ৩ বছর সময় পেলেও তিনি এই সময়ের মধ্যে যে কাজগুলো করে গেছেন শুধু সেগুলোকে অনুসরণ করলেই আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।’
তিনি বলেন, আজকে তা প্রমাণিত সত্য, কারণ, আমরা যা-ই করছি, যে পথ জাতির পিতা দেখিয়ে গেছেন, সেই পথ ধরেই আমরা এগোচ্ছি। তিনি যা যা করতে চেয়েছিলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি সেই কাজগুলোকেই সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে। আর তার সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশের জনগণ।
প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেন, যদি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জন্ম না হোত তাহলে আমরা বাঙালিরা জাতি হিসেবে কখনও বিশ্বে মর্যাদা পেতাম না। সম্মান পেতাম না, একটা রাষ্ট্রও পেতাম না। তিনি যে সংগ্রাম চালিয়েছেন তাতে অত্যন্ত কৌশলের সঙ্গে একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে ধীরে ধীরে এদেশে মানুষকে ঐকবদ্ধ করে তাঁদের স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেন।
দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সভার প্রারম্ভিক বক্তৃতা প্রদান করেন।
আরো বক্তৃতা করেন- দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এবং কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মির্জা আজম এমপি ও আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক ওয়াসিকা আয়েশা খান এমপি, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা, মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান এবং মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আমরা জাতির পিতার শততম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করছি এবং এ সময় এটুকুই বলবো জাতির পিতা এই দেশটিকে স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন এবং তাঁর লক্ষ্য ছিল এদেশের দারিদ্রপীড়িত মানুষের ভাগ্য তিনি পরিবর্তন করবেন। কেননা এ মাটির সন্তান এর আগে কখনই এদেশের শাসন ক্ষমতায় আসতে পারেনি।

-বাসস

জাতীয় পতাকা উত্তোলনে বিধি মেনে চলার আহ্বান

0
জাতীয় পতাকা উত্তোলনে বিধি মেনে চলার আহ্বান

আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন এবং কনস্যুলার অফিসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।

বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪(১) অনুযায়ী ‘প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা সবুজ ক্ষেত্রের ওপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত’। পতাকা বিধিতে বলা হয়েছে, পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং সবুজের ভিতরে একটি লাল বৃত্ত থাকবে। জাতীয় পতাকার মাপ হবে ১০ ফুট x ৬ফুট দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তাকার ক্ষেত্রের গাঢ় সবুজ রঙের মাঝে লাল বৃত্ত। বৃত্তটি দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট হবে। ভবনের আয়তন অনুযায়ী পতাকা ব্যবহারের তিন ধরনের মাপ হচ্ছে ১০ ফুট x ৬ফুট , ৫ ফুট x ৩ফুট এবং ২.৫ ফুট x ১.৫ফুট ।

মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এ পতাকার সঠিক মর্যাদা রক্ষায় বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২ (সংশোধিত ২০১০)’ এ বর্ণিত পদ্ধতি যথাযথভাবে অনুসরণ করে সঠিক মাপের মানসম্মত পতাকা উত্তোলনের জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সর্বসাধারণকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে অনুরোধ করা হয়েছে।

-তথ্য বিবরণী

ক্যাসিনো খালেদের বিরূদ্ধে দুই মামলায় চার্জ গঠন

ক্যাসিনো খালেদের বিরূদ্ধে দুই মামলায় চার্জ গঠন
ক্যাসিনো খালেদ : ফাইল ছবি

বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের পৃথক দুই মামলায় খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ওরফে ক্যাসিনো খালেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে এ দুই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। রোববার ঢাকার অতিরিক্ত তৃতীয় মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ১ জুন দিন ধার্য করেন আদালত।
বাসস জানায়, ২০২০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর গুলশান থানায় খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাটি করে সিআইডি। মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার গুলশানের বাসায় অভিযান চালায়। ওই বাসা থেকে ছয়টি দেশের মুদ্রা জব্দ করা হয়। এর মধ্যে সিঙ্গাপুরের ১০ হাজার ৫০ ডলার, থাইল্যান্ডের ১০ হাজার ৪৯০ বাথ, ভারতীয় সাড়ে তিন হাজার রুপি, সৌদি আরবের দুই হাজার ৩২১ রিয়াল, মালয়েশিয়ান ৬৫৬ রিঙ্গিত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৭৫ দিরহাম ছিল।
অপর দিকে চলতি বছরের শুরুতে মতিঝিল থানায় মাদক আইন ও গুলশান থানার বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় চার্জশিট দেয় পুলিশ।
উল্লেখ্য, রাজধানীর ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাবে ‘ক্যাসিনো’ চালানোর অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার দিকে গুলশানের নিজ বাসা থেকে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সদস্যরা। এ সময় তার বাসা থেকে একটি অবৈধ পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলি, ২০১৭ সালের পর নবায়ন না করা একটি শটগান ও ৫৮৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
পরদিন দুপুরে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়। একই দিন র‌্যাব-৩ এর ওয়ারেন্ট অফিসার গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে গুলশান থানায় অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করেন।
অন্যদিকে মতিঝিল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন র‌্যাবের ওয়ারেন্ট অফিসার চাইলা প্রু মার্মা।

 

বিএসএএ নির্বাচনকে ঘিরে জমজমাট শিপিং সেক্টর

বিএসএএ নির্বাচনকে ঘিরে জমজমাট শিপিং সেক্টর

নিউজ মেট্রো রিপোর্ট :
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশনের (বিএসএএ) নির্বাচনকে ঘিরে এখন জমজমাট চট্টগ্রামের শিপিং অফিসগুলো। ভোট চাইতে প্রতিদিন দলবল নিয়ে অফিসে অফিসে ঘুরছেন প্রার্থীরা। ভোটারদের কাছে তুলে ধরছেন নিজেদের লক্ষ্য ও পরিকল্পনার কথা। নানা কৌশলে চেষ্ঠা করছেন নিজেদের পক্ষে ভোটের পাল্লা ভারি করতে।
আগামী ৪ এপ্রিল এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে। এসোসিয়েট ও অর্ডিনারি দুই ক্যাটাগরি থেকে মোট ২৪জন পরিচালক নির্বাচিত হবেন। এবারের নির্বাচনে সরাসরি প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছে সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফের নেতৃত্বাধীন ‘সম্মিলিত পরিষদ’ ও শাহেদ সরওয়ারের নেতৃত্বাধীন ‘শাহেদ সরওয়ার প্যানেল’।
বিএসএসএ’র একাধিক প্রার্থী ও ভোটারদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, সদস্যদের স্বার্থ রক্ষায় পুরো শিপিং সেক্টরকে ঐক্যবদ্ধ রাখা, বিএসএসএ’র গৌরব ফিরিয়ে আনা ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মকান্ড পরিচালনায় ভূমিকা রাখার বিষয়কে নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রার্থীরা।
ইতিমধ্যে প্যানেল ঘোষণা করে প্রচারণার মাঠে নেমে গেছেন দুই প্যানেলের প্রার্থীরাই। সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত পরিষদের প্রার্থীরা হলেন- এসোসিয়েট ক্যাটাগরিতে- মোহাম্মদ শফিকুল আলম জুয়েল, মো. রেয়াজ উদ্দিন খান, শামসুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (মিনার), খায়রুল আলম (সুজন), প্রবীর সিনহা, ওয়াহিদ আল নাজমুল হক এবং নজরুল ইসলাম। অর্ডিনারি ক্যাটাগরিতে- সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ, সৈয়দ ইকবাল আলী শিমুল, ওসমান গনি চৌধুরী, মো. আজফার আলী, ক্যাপ্টেন সৈয়দ সোহেল হাসনাত, মো. সাজ্জাদুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মুনতাসির রুবাইয়াত, আবু খালেদ মোহাম্মদ শাকিল আহসান, মোহাম্মদ আসিফ ইফতেখার হোসেন, মোহাম্মদ জিয়াউল কাদেও, এস এম মাহবুবুর রহমান, এসএম এনামুল হক, এটিএম শহিদুল্লাহ, তানজিল আহমেদ রুহুল্লাহ এবং শহিদুল মোস্তাফা চৌধুরী।

অন্যদিকে ‘শাহেদ সরওয়ার প্যানেল’র প্রার্থীরা হলেন, অর্ডিনারি ক্যাটাগরিতে মোহাম্মদ শাহেদ সরওয়ার, আজিম রহিম চৌধুরী জিয়া, আনিস উদ দৌলা, এ এস এম সালাহউদ্দিন, কামরুজ্জামান লিটন, মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জহির, মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, এনামুল হক, দেবপ্রসাদ ভট্টাচার্য, মো. আজমির হোসেন চৌধুরী, এ কে এম আতিকুর রহমান, এম আলী আশরাফ আহমদ খান, কপিল উদ্দিন আহমেদ, সরতাজ মো. ইমরান, মো. দিদারুর আলম চৌধুরী এবং মোহাম্মদ শাহীন।
এসোসিয়েট ক্যাটাগরিতে ক্যাপ্টেন সালাহ উদ্দিন চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান, মো. জহিরউদ্দিন জুয়েল, ক্যাপ্টেন মুনতাসের মোহাম্মদ ইকবাল, মোহাম্মদ মোরশেদ হারুন,কাজি মনসুর উদ্দিন, ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আবুল খায়ের এবং মোহাম্মদ সাইফুল কাদের।

উভয় প্যানেলই ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের এ নাম ঘোষণা করেছে। সম্মিলিত পরিষদের প্রার্থী খায়রুল আলম সুজন নিউজ মেট্রোকে বলেন, শিপিং এজেন্ট এসোসিয়েশনের ঐতিহ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং শিপিং এজেন্টদের স্বার্থ ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে সম্মিলিত পরিষদ আগামী নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছে। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে গমনাগনকারী জাহাজকে ঘিরেই দেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরছে। তাই বন্দরে জাহাজের গমনাগমন ব্যবস্থা যাতে মসৃণ থাকে- সে বিষয়ে আমরা বিশেষ দৃষ্টি দিতে চাই।
শাহেদ সরওয়ার প্যানেল’র নেতৃত্বদানকারী মোহাম্মদ শাহেদ সরওয়ার এ প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে র্সবস্তরের শিপিং এজেন্টদের স্বার্থ রক্ষা। অর্থাৎ যেসব পয়েন্টে শিপিং এজেন্টরা কাজ করেন সকলের স্বার্থকে সমান দৃষ্টিতে দেখা। তিনি বলেন, গত ৫-৭ বছরে সংগঠন অনেক পিছিয়ে গেছে। সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে সংগঠনের হারানো গৌরব আমরা ফিরিয়ে আনতে চাই।