Home Blog Page 32

দেশের ৫ অভয়াশ্রমে আজ থেকে দুই মাস ইলিশ শিকার বন্ধ

0
দেশের ৫ অভয়াশ্রমে আজ থেকে দুই মাস ইলিশ শিকার বন্ধ

নিউজ মেট্রো প্রতিনিধি :

দেশের পাঁচটি অভয়াশ্রমে ইলিশ শিকারের ওপর আজ সোমবার থেকে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। ইলিশ সম্পদের উন্নয়নে জাটকা সংরক্ষণের জন্যই সরকারিভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র।

অভয়াশ্রমগুলো হলো- চাঁদপুর জেলার ষাটনল হতে লক্ষ্মীপুর জেলার চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত মেঘনা নদীর নিম্ন অববাহিকার ১০০ কিলোমিটার এলাকা, ভোলা জেলার মদনপুর-চর ইলিশা হতে চর পিয়াল পর্যন্ত মেঘনা নদীর শাহবাজপুর শাখা নদীর ৯০ কিলোমিটার এলাকা, ভোলা জেলার ভেদুরিয়া হতে পটুয়াখালী জেলার চর রুস্তম পর্যস্ত তেঁতুলিয়া নদীর প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকা, শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা এবং চাঁদপুর জেলার মতলব উপজেলার মধ্যে অবস্থিত পদ্মা নদীর ২০ কিলোমিটার এলাকা এবং বরিশাল জেলার হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জ ও বরিশাল সদর উপজেলার কালাবদর, গজারিয়া ও মেঘনা নদীর প্রায় ৮২ কিলোমিটার এলাকা।

প্রতিবছর মার্চ ও এপ্রিল দুই মাস উল্লিখিত অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকে। এ সময় ইলিশের অভয়াশ্রমগুলোতে ইলিশসহ সকল প্রকার মাছ ধরার অপরাধে কমপক্ষে ১ বছর থেকে সর্বোচ্চ ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

 

দেশে করোনায় ৮৪০৮ জনের মৃত্যু

দেশে করোনায় ৮৪০৮ জনের মৃত্যু

নিউজ মেট্রো ডেস্ক :

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫ লাখ ৪৬ হাজার ২১৬ জন। এর মধ্যে রোববার পর্যন্ত ৮ হাজার ৪০৮ জন এ রোগে মৃত্যুবরণ করেছেন। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গছে।

আইইডিসিআর এর তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৩ হাজার ৪১১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৮৫ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ পাওয়া গেছে। আর এই সময় মারা গেছেন ৮জন। করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৯৬ হাজার ৯২৪ জন সুস্থ হয়েছেন।

চট্টগ্রামের প্রতি আমাদের আগ্রহ ও সুনজর রয়েছে : মার্কিন রাষ্ট্রদূত

চট্টগ্রামের প্রতি আমাদের আগ্রহ ও সুনজর রয়েছে : মার্কিন রাষ্ট্রদূত
চসিক মেয়রের সাথে সাক্ষাতকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার

নিজস্ব প্রতিবেদক :

চট্টগ্রাম বন্দরকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক বন্দর আখ্যায়িত করে  বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার বলেছেন, এই বন্দর শুধু জাতীয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির প্রধান অবলম্বন নয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক পোতাশ্রয়। তাই চট্টগ্রামের প্রতি আমাদের আগ্রহ ও সুনজর রয়েছে।

আজ রোববার সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম. রেজাউল করিম চৌধুরীর সাথে তাঁর অফিস কক্ষে সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রদূত একথা বলেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, চট্টগ্রামে বর্তমানে যে ভাবে বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে, তার ইতিবাচক প্রভাব চট্টগ্রামসহ জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও প্রতিফলিত হওয়ার সুষ্পষ্ট সম্ভাবনা বিদ্যমান। এই প্রেক্ষিত বিবেচনায় চট্টগ্রামে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে বিনিয়োগে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী। এজন্য আমাদের দূতাবাসের বাণিজ্যিক কাউন্সিলরকে পর্যবেক্ষণ ও সম্ভাব্যতা যাচাই পূর্বক প্রতিবেদন প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর ভিত্তিতেই এই খাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে কি পরিমান বিনিয়োগ করা যাবে সে ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এর আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও তাঁর প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্বের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রবেশ দ্বার। এখানে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক বন্দর। চট্টগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করে রিজিওনাল কানেক্টিভিটি সম্পৃক্ততার সূত্রে ভারতের পূর্বাঞ্চল, ভূ-সিমান্তবর্তী দেশ নেপাল, ভুটানসহ মিয়ানমার হয়ে চীনের কুনর্মিং সিটি পর্যন্ত অর্থনৈতিক প্রাগ্রসরতা নতুন ভাবে সংযোজিত হলে চট্টগ্রাম বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্যের অগ্রগতি ও উন্নয়নের নাভিমূল হিসেবে প্রাণময় গতিময়তা পাবে। তিনি আরো বলেন, বে-টার্মিনাল, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্প, মহেশখালী গভীর সমুদ্র বন্দর, চট্টগ্রাম বন্দর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে  টানেল নির্মাণ, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণ, চট্টগ্রাম নগরীতে আউটার রিং রোড নির্মাণ, মিরশ^রাই থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নতুন নতুন পর্যটন স্পট, উপ-শহর এবং অর্থনৈতিক জোন স্থাপনের মধ্য দিয়ে বৃহত্তর চট্টগ্রাম শিল্পায়ন ও বহুমাত্রিক উন্নয়নে বিদেশী বিনিয়োগের উর্বর ভূমি হিসেবে পরিগণিত হতে যাচ্ছে।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, ভারপ্রাপ্ত সচিব ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মফিদুল আলম, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌলী রফিকুল ইসলাম মানিক প্রমুখ উপস্থিতি ছিলেন।

মোরগের চাকুর আঘাতে মালিকের মৃত্যু

মোরগের চাকুর আঘাতে মালিকের মৃত্যু
নিউজ মেট্রো ডেস্ক :
লড়াইয়ের জন্য নিজের পালিত মোরগের পায়ে বাঁধা ছুরির আঘাতে মারা গেলেন মালিক। মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের লোখনুর গ্রামে। খবর বিবিসির।
স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা বি জীবন এর বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, প্রতিপক্ষের সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য নিজের মোরগকে প্রস্তুত করছিলেন ওই ব্যক্তি। এ সময় মোরগটি ছাড়া পাওয়ার চেষ্টা করলে এর পায়ে বাধা ৩ ইঞ্চির ধারালো ছুরি ওই ব্যক্তির শরীরে ঢুকে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।
এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা বাকি ১৫ জন আয়োজককে খুঁজছি। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, বে-আইনি বাজি ও মোরগ লড়াই আয়োজনের দায়ে মামলা দায়ের হবে।’ ঘটনার পর মোরগটিকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে একটি পোল্টি্র ফার্মে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বিচারকার্য চলাকালীন মোরগটিকে সাক্ষ্য হিসেবে আদালতে হাজির করা হবে বলে জানান বি জীবন।

স্কুল-কলেজ খুলছে ৩০ মার্চ

স্কুল-কলেজ খুলছে ৩০ মার্চ
নিউজ মেট্রো প্রতিনিধি :
করোনা মহামারির কারণে প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ থাকা স্কুল-কলেজ অবশেষে আগামী ৩০ মার্চ খুলছে।
শনিবার সন্ধ্যায় সাড়ে ৬টায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্কুল-কলেজ খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সন্ধ্যায় মন্ত্রী পরিষদ সম্মেলনকক্ষে বৈঠকে বসে ছয় মন্ত্রণালয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন অংশ নেন।
এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল মান্নান, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. কামাল হোসেন, পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ সংশ্লিষ্টরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে রাতে সংবাদ সম্মেলনে ৩০ মার্চ স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্তের কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

কারাগারে মুশতাক হত্যার ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি

0
কারাগারে মুশতাক হত্যার ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশ জুড়ে আলোচিত কারাগারে লেখক মুশতাক হত্যার ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্র্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে শনিবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব তরুণ কান্তি শিকদারের নেতৃত্বে গঠিত কমিটিতে সদস্য হিসাবে রয়েছেন, গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল কালাম, কারা উপ-মহাপরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর কবির, গাজীপুর জেলা কারাগারের সহকারী সার্জন ডা. কামরুন নাহার। এছাড়া সুরক্ষা সেবা বিভাগের উপ-সচিব আরিফ আহমদ কমিটিতে সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটিকে আগামী চার কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন- গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল কালাম, কারা উপ-মহাপরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর কবির, গাজীপুর জেলা কারাগারের সহকারী সার্জন ডা. কামরুন নাহার। এছাড়া সুরক্ষা সেবা বিভাগের উপ-সচিব আরিফ আহমদ কমিটিতে সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বন্দী ছিলেন লেখক মুশতাক আহমেদ। গত বৃহস্পতিবার তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাঁকে কারা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে রাত ৮ টা ২০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা বারের সভাপতি আবুল বাতেন সম্পাদক হযরত আলী

0
ঢাকা বারের সভাপতি আবুল বাতেন সম্পাদক হযরত আলী

নিউজ মেট্রো প্রতিনিধি :

ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেলের প্রার্থী আবুল বাতেন সভাপতি ও বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেলের হযরত আলী সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার সকালে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

গত বুধ ও বৃহস্পতিবার ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবনে  নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হয়। প্রতিদিন সকাল ৯টায় শুরু হয়ে মাঝে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোট নেওয়া হয়। ঢাকা আইনজীবী সমিতির মোট ১৭ হাজার ৭৫৬ জন ভোটারের মধ্যে ৮ হাজার ৭০৬ জন ভোট দেন।  শুক্রবার দুপুরের পর থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। গণনা শেষে শনিবার সকালে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঢাকা ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি আব্দুল্লাহ আবু।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল সভাপতিসহ ১৫টি পদে এবং বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল সম্পাদকসহ ৮টি পদে বিজয়ী হয়।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেলের বিজয়ীরা হলেন- সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট আবুল বাতেন, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে এ কে এম সালাহউদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে এস এম মনিরুজ্জামান (তারেক), কোষাধ্যক্ষ পদে একেএম আরিফুল ইসলাম কাওছার, গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে শারমিন সুলতানা হ্যাপী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে শায়লা পারভীন পিয়া, দপ্তর সম্পাদক পদে জাকির হোসাইন (লিঙ্কন), ক্রীড়া সম্পাদক পদে মো. রফিকুল ইসলাম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক এ এস ইমরুল কায়েশ, সদস্য পদে – এ বি এম ফয়সাল সারোয়ার, বাহারুল ইসলাম (বাহার), মো. মহিন উদ্দিন (মহিন), জুয়েল চন্দ্র মাদক, সুলতানা রাজিয়া রুমা ও মো. আহসান হাবিব।

অপরদিকে বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল থেকে বিজয়ীরা হলেন- সাধারণ সম্পাদক পদে খোন্দকার মো. হযরত আলী, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে আলহাজ কামাল উদ্দিন, সহ-সভাপতি পদে মো. আনিসুর রহমান (আনিস), সদস্য পদে – বাবুল আক্তার (বাবু), এম আর কে রাসেল, মো. হোসনী মোবারক (রকি), মো. সোহাগ হাসান রনি ও মোসা. তাসলিমা আক্তার।

চট্টগ্রাম নগরীর দক্ষিণাংশের জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছবে ওয়াসার পানি

0
চট্টগ্রাম নগরীর দক্ষিণাংশের জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছবে ওয়াসার পানি
ওয়াসার পতেঙ্গা বুস্টার স্টেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সাড়ে চার কোটি লিটার পানি সরবরাহের সক্ষমতা সম্পন্ন চট্টগ্রাম ওয়াসার ‘পতেঙ্গা বুস্টার পাম্প স্টেশন’ চালু হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম শনিবার এর উদ্বোধন করেন।

ওয়াসা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন,  পতেঙ্গা বুস্টার পাম্প স্টেশনটির মাধ্যমে নগরের দক্ষিণাংশে বসবাসকারী জনগোষ্ঠির কাছে পানি পৌঁছানো সম্ভব হবে। ফলে চট্টগ্রাম বন্দর-ইপিজেড এলাকায় অবস্থিত বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনার বিশাল জনগোষ্ঠির চাহিদা মিটানো সম্ভব হবে।

বুস্টার স্টেশনের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে হোটেল রেডিসন ব্লু-তে শনিবার সকালে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।এসময় বোয়ালখালীর সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন আহমদ,  চন্দনাইশের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম, সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার সংসদ সদস্য ড. আবু রেজা নদভী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, সারা বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে, কিন্তু চট্টগ্রামের উন্নয়ন হবে না তা প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন না। চট্টগ্রামের উন্নয়নে সরকার সবসময় অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। কিন্তু এই অগ্রাধিকারের সুযোগ আপনাদের কাজে লাগাতে হবে। চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গেটওয়ে। নদীর আশপাশে আবর্জনা পড়ে থাকছে, জায়গা ইজারা নিয়ে ইন্ডাস্ট্রি করে দখল করা হচ্ছে, যা কখনোই কাম্য নয়।

তিনি বলেন, সব কাজের জন্য শুধু একজন মেয়র নির্বাচন করে তার ওপর সব বোঝা উঠিয়ে দিলে হবে না। সকলকে সহযোগিতা করতে হবে। আর তা করতে হলে মেয়রকে এগিয়ে আসতে হবে। আবার চট্টগ্রামে যারা বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন তাদেরও সহযোগিতা করতে হবে। নিজেদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো গেলে চট্টগ্রামের উন্নয়নে আমিও সহযোগিতা করতে পারবো।

বদলে গেছে বাংলাদেশ

বদলে গেছে বাংলাদেশ

নিউজ মেট্রো প্রতিনিধি :

বদলে গেছে বাংলাদেশ। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে নাম লিখিয়েছে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর কাতারে। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার সব কৃতিত্ব জনগণকে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমান বাংলাদেশ এক বদলে যাওয়া বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় উত্তরণের সুখবর দিতে আজ শনিবার আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

গণভবন প্রান্ত থেকে প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন। আর সাংবাদিকরা ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রান্তে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভবন প্রান্তে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রান্তে সভা পরিচালনা করছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আজ অবশ্য আমি আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি বাংলাদেশের একটি মহৎ এবং গৌরবোজ্জ্বল অর্জনের সুসংবাদ দেওয়ার জন্য। বাংলাদেশ গতকাল স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে। আমরা উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা অর্জন করেছি।

তিনি বলেন, আমাদের এই উত্তরণ এমন এক সময়ে ঘটল, যখন আমরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছি; আমরা মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের দ্বারপ্রান্তে। বাংলাদেশের জন্য এ উত্তরণ এক ঐতিহাসিক ঘটনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আমাদের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৬৪ ডলার। অর্থাৎ মানদণ্ডের চেয়ে প্রায় ১ দশমিক ৭ গুণ। মানবসম্পদ সূচকে নির্ধারিত মানদণ্ড ৬৬-এর বিপরীতে বাংলাদেশের অর্জন ৭৫.৪। অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকে উত্তরণের জন্য মানদণ্ড নির্ধারিত ছিল ৩২ বা তার কম। কিন্তু ওই সময়ে এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২৭। সিডিপির প্রবিধান অনুযায়ী, উত্তরণের সুপারিশ পাওয়ার পর একটি দেশ তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত প্রস্তুতিকালীন সময় ভোগ করতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা বলেন, একটা প্রদেশের প্রশাসনকে তিনি (বঙ্গবন্ধু) অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে একটা স্বাধীন দেশের উপযোগী করে একেবারে শূন্য হাতে দেশের পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেন। ভারত থেকে ফিরে আসা এক কোটি শরণার্থীসহ দেশের অভ্যন্তরে উদ্বাস্তু হয়ে পড়া প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষকে পুনর্বাসন করেন। শহীদ পরিবার, নির্যাতিত পরিবার, মুক্তিযোদ্ধা, ঘরবাড়ি হারানো সকলকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। বঙ্গবন্ধু সরকারের সময় জিডিপি প্রবৃদ্ধি হার ৭ শতাংশ অতিক্রম করে। বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে প্রবেশ করে।

১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট জাতির পিতাকে হত্যার পর বাংলাদেশের উল্টো পথে যাত্রা এবং আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফেরার পর আবার উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি।

নির্বাসিত জীবন থেকে দেশে ফেরার প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ৬ বছর নির্বাসিত জীবন শেষে ১৯৮১ সালে দেশে আসার পর আমি ব্যাপকভাবে দেশের প্রত্যন্ত এলাকা সফর করি। আমি সে সময়ই প্রতিজ্ঞা করি যদি কোনোদিন আল্লাহ আমাকে সুযোগ দেন দেশ পরিচালনার, তাহলে গ্রামোন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব। গ্রামের মানুষের উন্নয়নে কিছু করব। তখন ৭০-৮০ ভাগ মানুষ গ্রামে বাস করতো। আমার মনে হয়েছিল এদের যদি দারিদ্র্যমুক্ত করতে পারি, তাহলেই বাংলাদেশ দারিদ্র্যমুক্ত হবে। ১৯৯৬ সালে জনগণের রায় নিয়ে আমি প্রথমবার সরকার গঠন করে আমার চিন্তা-চেতনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছি।