Home Uncategorized বিস্ফোরণের দায় ডিপো কর্তৃপক্ষের

বিস্ফোরণের দায় ডিপো কর্তৃপক্ষের

0
বিস্ফোরণের দায় ডিপো কর্তৃপক্ষের

শামসুল ইসলাম :

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোর বিস্ফোরণের ঘটনায় ডিপো কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার গঠিত তদন্ত কমিটি। একই সঙ্গে ডিপোগুলোর কার্যক্রম তদারকিতে নিয়োজিত ২৫ সংস্থার সমন্বয়হীনতার বিষয় উঠে এসেছে তদন্ত প্রতিবেদনে। ডিপোগুলোতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ২০ দফা সুপারিশ তুলে ধরেছে কমিটি।

 বুধবার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটি বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিনের কাছে ১৯ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার প্রতিবেদন বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিএম ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনা সম্পর্কে সরকারের সর্বোচ্চ মহল অবগত। আমরা এই তদন্ত প্রতিবেদক সরকারের উচ্চপর্যায়ে জমা দেব।’

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনাকালে কমিটির সদস্যরা দুর্ঘটনাস্থল বিএম কন্টেইনার ডিপো ও ডিপোতে থাকা হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান আল রাজী কেমিক্যালস ইন্ডাস্ট্রি সরেজমিন পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা বিএম কন্টেইনার ডিপো ও আল রাজী  কেমিক্যালসের দুই মালিক মোস্তাফিজুর রহমান ও মুজিবুর রহমানসহ মোট ২৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তবে বিএম কন্টেইনার ডিপোর দুই গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা নির্বাহী পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জিয়াউল হায়দার ও জিএম মার্কেটিং নাজমুল আকতার খানের কাছে তদন্ত কমিটি নোটিস পাঠালেও তারা দুজন কমিটির কাছে সশরীরে হাজির হয়ে লিখিতভাবে কোনো বক্তব্য দেননি। তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জিয়াউল হায়দার বিএম কন্টেইনার ডিপোতে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গত ৩১ মে সর্বশেষ তিনি ডিপোতে যান। আর নাজমুল আকতার খান দুর্ঘটনার পর পুলিশের দায়ের করা মামলার আসামি।

বেসরকারি কন্টেইনার ডিপোগুলোর কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে থাকা কাস্টমস, চট্টগ্রাম বন্দর, পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স, নৌপরিবহন অধিদপ্তর, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সংস্থার তদারকি কার্যক্রম এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে ডিপো কর্তৃপক্ষের কমপ্লায়েন্স কার্যক্রমের প্রতিবেদনও পর্যালোচনা করে তদন্ত কমিটি।

ঘটনার পর বিভিন্ন মহল থেকে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মুজিবুর রহমানের মালিকানার বিষয়টি গৌণ করে দেখানোর চেষ্টা করা হলেও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে মুজিবুর রহমান ও তার ভাই মোস্তাফিজুর রহমানকে বিএম ডিপোর ৫১ শতাংশের ও আল রাজী কেমিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজের শতভাগ মালিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

১১৮টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা দিয়ে মনিটরিং করা হতো পুরো কন্টেইনার ডিপো। সাতটি ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ডিং (ডিভিআর) মেশিনে এসব তথ্য সংরক্ষণ করা হলেও মেশিনগুলো পুড়ে যাওয়ায় সিসিটিভির কোনো ফুটেজ পাওয়া যায়নি। তদন্তকালে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজের কোনো ব্যাকআপও পাওয়া যায়নি। যে কারণে অগ্নিকা-ের সূত্রপাতসহ তদন্ত-সংশ্লিষ্ট অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি। একটি বিদেশি অংশীদারিত্বের প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষতার এই যুগে প্রযুক্তিগতভাবে সংরক্ষিত তথ্যের কোনো ব্যাকআপ না থাকা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে। ভিডিও ফুটেজ না পেলেও ডিপোতে থাকা রাসায়নিক থেকেই আগুনের সূত্রপাত বলে মন্তব্য করেছে তদন্ত কমিটি।

প্রতিবেদন সম্পর্কে জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ‘মূলত তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই আমরা তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। এগুলো হলো বিস্ফোরণ ও অগ্নিকা-ের কারণ, দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ এবং এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়ন।’ তিনি বলেন ‘আমরা সরেজমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী, ডিপোর মালিকপক্ষ, দায়িত্বশীল কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নিয়েছি। হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও সেখানকার দায়িত্বশীলদের বক্তব্য গ্রহণ করেছি। তদারকি সংস্থাগুলোর তদারকি কার্যক্রম ও ডিপোর কমপ্লায়েন্স কার্যক্রমও পর্যালোচনা করেছি। সার্বিক বিষয় বিবেচনায় এনে আমরা তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করেছি। এতে আমরা ভবিষ্যতে ডিপোগুলোর সুষ্ঠু কার্যক্রম পরিচালনা, নিরাপত্তা নিশ্চিত ও অনাকাক্সিক্ষত দুর্ঘটনা এড়াতে ২০ দফা সুপারিশ তুলে ধরেছি। তবে এটাই যে চূড়ান্ত তা নয়, এ ঘটনায় আরও বৃহত্তর তদন্তও হতে পারে।’

গত ৪ জুন রাতে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে অবস্থিত বিএম কন্টেইনার ডিপোতে প্রথমে আগুন ও পরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আগুন নেভাতে যাওয়া ৯ জন ফায়ার ফাইটারসহ ৫০ জন মারা যান। আহত হন দুই শতাধিক।

ঘটনা তদন্তে ৫ জুন ৯ সদস্যের কমিটি গঠন করেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি জাকির হোসেন খান, কাস্টমস হাউজের অতিরিক্ত কমিশনার ডা. আবু নুর রাশেদ আহমেদ, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মুফিদুল আলম, সেনাবাহিনীর মেজর আবু হেনা মো. কাউসার জাহান, চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (পরিবহন) এনামুল করিম, ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান, বিস্ফোরক অধিদপ্তরের পরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেন ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুমনী আকতার।

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোর বিস্ফোরণের ঘটনায় ডিপো কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার গঠিত তদন্ত কমিটি। একই সঙ্গে ডিপোগুলোর কার্যক্রম তদারকিতে নিয়োজিত ২৫ সংস্থার সমন্বয়হীনতার বিষয় উঠে এসেছে তদন্ত প্রতিবেদনে। ডিপোগুলোতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ২০ দফা সুপারিশ তুলে ধরেছে কমিটি।

গতকাল বুধবার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটি বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিনের কাছে ১৯ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার প্রতিবেদন বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিএম ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনা সম্পর্কে সরকারের সর্বোচ্চ মহল অবগত। আমরা এই তদন্ত প্রতিবেদক সরকারের উচ্চপর্যায়ে জমা দেব।’

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনাকালে কমিটির সদস্যরা দুর্ঘটনাস্থল বিএম কন্টেইনার ডিপো ও ডিপোতে থাকা হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান আল রাজী কেমিক্যালস ইন্ডাস্ট্রি সরেজমিন পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা বিএম কন্টেইনার ডিপো ও আল রাজী  কেমিক্যালসের দুই মালিক মোস্তাফিজুর রহমান ও মুজিবুর রহমানসহ মোট ২৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তবে বিএম কন্টেইনার ডিপোর দুই গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা নির্বাহী পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জিয়াউল হায়দার ও জিএম মার্কেটিং নাজমুল আকতার খানের কাছে তদন্ত কমিটি নোটিস পাঠালেও তারা দুজন কমিটির কাছে সশরীরে হাজির হয়ে লিখিতভাবে কোনো বক্তব্য দেননি। তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জিয়াউল হায়দার বিএম কন্টেইনার ডিপোতে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গত ৩১ মে সর্বশেষ তিনি ডিপোতে যান। আর নাজমুল আকতার খান দুর্ঘটনার পর পুলিশের দায়ের করা মামলার আসামি।

বেসরকারি কন্টেইনার ডিপোগুলোর কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে থাকা কাস্টমস, চট্টগ্রাম বন্দর, পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স, নৌপরিবহন অধিদপ্তর, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সংস্থার তদারকি কার্যক্রম এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে ডিপো কর্তৃপক্ষের কমপ্লায়েন্স কার্যক্রমের প্রতিবেদনও পর্যালোচনা করে তদন্ত কমিটি।

ঘটনার পর বিভিন্ন মহল থেকে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মুজিবুর রহমানের মালিকানার বিষয়টি গৌণ করে দেখানোর চেষ্টা করা হলেও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে মুজিবুর রহমান ও তার ভাই মোস্তাফিজুর রহমানকে বিএম ডিপোর ৫১ শতাংশের ও আল রাজী কেমিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজের শতভাগ মালিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

১১৮টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা দিয়ে মনিটরিং করা হতো পুরো কন্টেইনার ডিপো। সাতটি ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ডিং (ডিভিআর) মেশিনে এসব তথ্য সংরক্ষণ করা হলেও মেশিনগুলো পুড়ে যাওয়ায় সিসিটিভির কোনো ফুটেজ পাওয়া যায়নি। তদন্তকালে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজের কোনো ব্যাকআপও পাওয়া যায়নি। যে কারণে অগ্নিকা-ের সূত্রপাতসহ তদন্ত-সংশ্লিষ্ট অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি। একটি বিদেশি অংশীদারিত্বের প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষতার এই যুগে প্রযুক্তিগতভাবে সংরক্ষিত তথ্যের কোনো ব্যাকআপ না থাকা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে। ভিডিও ফুটেজ না পেলেও ডিপোতে থাকা রাসায়নিক থেকেই আগুনের সূত্রপাত বলে মন্তব্য করেছে তদন্ত কমিটি।

প্রতিবেদন সম্পর্কে জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ‘মূলত তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই আমরা তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। এগুলো হলো বিস্ফোরণ ও অগ্নিকা-ের কারণ, দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ এবং এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়ন।’ তিনি বলেন ‘আমরা সরেজমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী, ডিপোর মালিকপক্ষ, দায়িত্বশীল কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নিয়েছি। হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও সেখানকার দায়িত্বশীলদের বক্তব্য গ্রহণ করেছি। তদারকি সংস্থাগুলোর তদারকি কার্যক্রম ও ডিপোর কমপ্লায়েন্স কার্যক্রমও পর্যালোচনা করেছি। সার্বিক বিষয় বিবেচনায় এনে আমরা তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করেছি। এতে আমরা ভবিষ্যতে ডিপোগুলোর সুষ্ঠু কার্যক্রম পরিচালনা, নিরাপত্তা নিশ্চিত ও অনাকাক্সিক্ষত দুর্ঘটনা এড়াতে ২০ দফা সুপারিশ তুলে ধরেছি। তবে এটাই যে চূড়ান্ত তা নয়, এ ঘটনায় আরও বৃহত্তর তদন্তও হতে পারে।’

গত ৪ জুন রাতে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে অবস্থিত বিএম কন্টেইনার ডিপোতে প্রথমে আগুন ও পরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আগুন নেভাতে যাওয়া ৯ জন ফায়ার ফাইটারসহ ৫০ জন মারা যান। আহত হন দুই শতাধিক।

ঘটনা তদন্তে ৫ জুন ৯ সদস্যের কমিটি গঠন করেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি জাকির হোসেন খান, কাস্টমস হাউজের অতিরিক্ত কমিশনার ডা. আবু নুর রাশেদ আহমেদ, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মুফিদুল আলম, সেনাবাহিনীর মেজর আবু হেনা মো. কাউসার জাহান, চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (পরিবহন) এনামুল করিম, ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান, বিস্ফোরক অধিদপ্তরের পরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেন ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুমনী আকতার।

-দেশ রূপান্তর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here