নূতন চন্দ্র সিংহ-বিনোদ বিহারীর নামে বৃত্তি ইডিইউতে
মুক্তিযুদ্ধে শহিদ নূতন চন্দ্র সিংহ ও বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বিপ্লবী বিনোদ বিহারী চৌধুরীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে নতুন দুটো বৃত্তি চালু করেছে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি (ইডিইউ)। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো শুরু হওয়া ডেটা এনালিটিক্স এন্ড ডিজাইন থিংকিং ফর বিজনেস এবং আধুনিকতম কারিকুলামে সাজানো এমএ ইন ইংলিশে ভর্তি হলেই শিক্ষার্থীরা এ দুই বৃত্তির অধীনে টিউশন ফি’তে ৭০ শতাংশ ছাড়। বাংলাদেশের অন্যতম দুই কৃতি ব্যক্তিত্বকে সম্মান জানিয়ে গৃহিত এ উদ্যোগের জন্য ইডিইউকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশের বিশিষ্টজনরা।
বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এড. রাণা দাশগুপ্ত তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, নিখাদ দেশপ্রেম ও মানবপ্রেমের সংকটের এ ক্রান্তিকালে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ ঐতিহাসিক চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহের মহানায়ক মাস্টারদা সূর্য সেনের সহযোদ্ধা বিনোদ বিহারী চৌধুরী এবং নিঃস্বার্থ দেশপ্রেমিক সমাজসেবী শহিদ নূতন চন্দ্র সিংহের অমর স্মৃতিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে চিরজাগরুক রাখার জন্য যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তা শুধু প্রশংসনীয় নয়, অনন্যও বটে। কর্তৃপক্ষের এ উদ্যোগের সার্বিক সফলতা আন্তরিকতার সাথে কামনা করছি।
ইডিইউর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে আসছে ইডিইউ। সম্প্রতি দেশের কৃতি ব্যক্তিত্বদের শ্রদ্ধা জানিয়ে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার যে উদ্যোগ তারা নিয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আমাদের পূর্বসুরীদের অবদান সম্পর্কে জানতে পারবে এবং ভালো কাজের অনুপ্রেরণা পাবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান বলেন, বাংলার সুদীর্ঘ ইতিহাসের নানা সময়ে সমাজ ও দেশের প্রয়োজনে এগিয়ে এসেছেন, নেতৃত্বের ভার তুলে নিয়েছেন বিভিন্ন গুণী ব্যক্তিত্বরা। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তাদের অনেকেরই কৃতিত্বের কথা যথার্থভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। দেশ-জাতির প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে ইডিইউ এমন কৃতি ব্যক্তিত্বদের নামে বিশেষ বৃত্তি এনেছে। নূতন চন্দ্র সিংহ ও বিনোদ বিহারীর সঙ্গে ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা ছিলো আমার বাবা, ইডিইউর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানের। তারই অনুপ্রেরণায় এ দুই কৃতি ব্যক্তিত্বের নামে বৃত্তির প্রস্তাব রাখি আমি। কেননা আমি মনে করি, প্রকৃত গুণীকে তার প্রাপ্য সম্মান না জানালে পরবর্তী প্রজন্মে এমন ব্যক্তিত্ব গড়ে ওঠার ধারাবাহিতা ও অনুপ্রেরণা তৈরি হয় না।
ডেটা অ্যানালিটিক্স এন্ড ডিজাইন থিংকিং ফর বিজনেস শীর্ষক বাংলাদেশের একমাত্র মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তি হলেই শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে ‘নূতন চন্দ্র সিংহ স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ এর অধীনে টিউশন ফি’তে ৭০ শতাংশ ছাড়। মুক্তিযুদ্ধে শহিদ নূতন চন্দ্র সিংহ চট্টগ্রামের রাউজানে সাধারণের সাহায্যার্থে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন দাতব্য চিকিৎসালয়, স্কুল-কলেজ, যার সুবিধা এখনো পাচ্ছে জনসাধারণ। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে রেখেছিলেন অতুলনীয় ও সাহসী ভূমিকা। তার এ অবদান বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এবং শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে এ বৃত্তির উদ্যোগ নিয়েছে ইডিইউ কর্তৃপক্ষ।
বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা মাস্টারদা সূর্য সেনের বিপ্লবী বাহিনীর সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন বিনোদ বিহারী চৌধুরী। চট্টগ্রামের জালালাবাদ যুদ্ধে বৃটিশ সৈনিকদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিলেন বিনোদ বিহারী। এছাড়াও আজীবন, এমনকি বৃদ্ধ বয়সেও নানান রাজনৈতিক সংকটে, আন্দোলনে অংশ নিয়ে তরুণদের অনুপ্রাণিত করেছেন তিনি। তার সম্মানার্থে চালু হওয়া ‘বিপ্লবী বিনোদ বিহারী চৌধুরী স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ এর অধীনে এমএ ইন ইংলিশে ভর্তি হওয়া নতুন শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে টিউশন ফি’তে ৭০ শতাংশ ছাড়।
এ মহতি উদ্যোাগের জন্য সাঈদ আল নোমান ও ইডিইউ পরিবারের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়েছেন শহিদ নূতন চন্দ্র সিংহের দৌহিত্র রাজীব সিংহ। তিনি বলেন, ‘পারিবারিকভাবে আমরা নূতন চন্দ্র সিংহের স্মৃতি রক্ষার্থে নানা উদ্যোগ নিলেও, কোন প্রতিষ্ঠান এবারই প্রথম এমন উদ্যোগ। জাতির কৃতি ব্যক্তিদের আদর্শকে পরবর্তী প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার এ অনন্য প্রচেষ্টার সার্থকতা কামনা করি। সাঈদ আল নোমানের সুনেতৃত্বে পরিচালিত ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি অন্যদের জন্য এক অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ সিকান্দার খান বলেন, মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের সমন্বয়ে গঠিত ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিচালনা করছেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়। তারা দেশপ্রেম ও স্বদেশের মঙ্গল কামনায় নানা রকম সুযোগ-সুবিধায় সমৃদ্ধ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়কে। ইডিইউ কর্তৃপক্ষের বাংলার ইতিহাসের কৃতি ব্যক্তিত্বদের সম্মানিত করার উদ্যোগ এবারই প্রথম নয়। এর আগে বাংলাদেশে প্রথমবারের শুরু হওয়া মাস্টার অব পাবলিক পলিসি অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ দিয়েছে ইডিইউ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
সরকার বিদ্যুৎ খাতে ২৮হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
নিউজ মেট্রো ডেক্স :
সরকার বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতে মোট ২৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো চালু রাখার জন্য গ্যাসের চাহিদা মেটাতে এলএনজি আমদানিতে আমাদেরকে ২৫ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। তিনি বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সীমিত পরিসরে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে লোড-শেডিং দিতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতাও প্রত্যাশা করেন তিনি ।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘চুয়েট শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর’ নামে দেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসভিত্তিক আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর উদ্বোধনকালে প্রধান আজ বুধবার এ কথা বলেন। গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসময় প্রধানমন্ত্রী চুয়েট শেখ জামাল ডরমিটরি এবং রোজী জামাল ডরমিটরি’র ও উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী বিদ্যুৎ সংরক্ষণের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি এলাকাভিত্তিক নির্দিষ্ট সময় ভিত্তিক লোড-শেডিংয়ের জন্য একটি রুটিন তৈরি করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘কোন এলাকায় কত সময় লোড-শেডিং দেওয়া হবে তার একটি রুটিন তৈরি করুন। কারণ, জনগণ যেন সেজন্য প্রস্তুত হতে পারে এবং তাদের দুর্ভোগ কমানো যায়।’
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী তেল, এলএনজি, ডিজেলসহ সব কিছুর দাম বেড়েছে এবং আমেরিকা ও ইউরোপের রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণে পরিস্থিতির যে অবনতি ঘটছে তা উপলব্ধি করে দেশবাসী সরকারকে এ লক্ষে সহায়তা করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ভর্তুকি ছাড়াও তাঁর সরকার দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখার জন্য প্রণোদণা প্যাকেজ দিয়েছে, ভর্তুকি মূল্যে প্রয়োজনীয় জিনিস পেতে এক কোটি রেশন কার্ড দিয়েছে এবং বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দিচ্ছে, যা অনেক ধনী দেশ ও করেনি। সরকার প্রধান সারাদেশে ২৭১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার ঘোষণা দেন। যার মধ্যে ২০৫১টি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের অধীনে এবং ৬৬৫টি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এমপিও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং রাশিয়ার ওপর আমেরিকা ও ইউরোপের নিষেধাজ্ঞার ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাঁচামালের অস্বাভাবিক মুল্যবৃদ্ধি ঘটেছে এবং সরকারকে কী পরিমাণ ভর্তুকি বাড়াতে হয়েছে তারও একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, যে ফার্নেস অয়েলের মূল্য ছিল মাত্র ৭০৮ টাকা। সেটা ইউক্রেন যুদ্ধের পর হয়ে গেছে ১ হাজার ৮০ টাকা, অর্থাৎ ৫২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এলএনজি যেটা মাত্র ১০ মার্কিন ডলারে ক্রয় করা হতো, যুদ্ধের ফলে সেটা এখন ৩৮ মার্কিন ডলার, অর্থাৎ ২৮০ শতাংশ দাম বেড়ে গেছে। আমাদের কয়লাও ১৮৭ মার্কিন ডলার ছিল, এখন ২৭৮ মার্কিন ডলার। বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৬১ শতাংশ। ডিজেলের লিটার ৮০ মার্কিন ডলার ছিল তা এখন ১৩০ এ চলে আসছে। শোনা যাচ্ছে ৩০০ ডলার পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে। ভোজ্য তেলেরও দাম বাড়ছে। প্রত্যেকটা জিনিষ যে গুলো কিনে আনতে হয় তাঁর দাম অত্যাধিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি কিউবিক মিটার এলএনজি ক্রয়ে সরকারের ব্যয় ৫৯ দশমিক ৬০ টাকা। কিন্তু আমরা সেটা গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করছিলাম মাত্র ৯ দশমিক ৬৯ টাকায়। যেটা সম্প্রতি ১১ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। তারপরও বিশাল অংকের ভুতর্কি রয়ে গেছে সেখানে। নবায়নযোগ্য জ¦ালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে প্রতি ইউনিটে উৎপাদন ব্যয় ১২ দশমিক ৮৪ টাকা কিলোওয়াট ঘন্টা, কিন্তু একক প্রতি পাইকারি মূল্যে আমরা দিচ্ছি ৫ দশমিক ০৮ টাকায়, ফার্নেস ওয়েলের প্রতি একক ইউনিটের উৎপাদন ব্যয় হচ্ছে ১৭ দশমিক ৪১ টাকা, সেটাও আমরা ৫ দশমিক ০৮ টাকায় দিচ্ছি। ডিজেলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় ৩৬ দশমিক ৮৫ টাকা সেখানেও আমরা ৫ দশমিক ০৮ টাকা দরে বিদ্যুৎ বিক্রি করছি। কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় ১২ দশমিক ৩৭ টাকা,কিন্তু বিক্রি হচ্ছে ৫ দশমিক ০৮ টাকায়। অর্থাৎ সারা বিশ্ব এখন একটা ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে।
সরকার পরিবর্তন হলেই উন্নয়ন কাজের ধারাবাহিকতা নষ্ট হওয়ার যে রীতি দেশে প্রচলিত রয়েছে তা যেন আর না হয় সেটাও দেখার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯২ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকার বিনা অর্থ ব্যয়ে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সাবমেরিন ক্যাবল ‘সি-মি-উই’ এ সংযুক্ত হওয়ার প্রস্তাব রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য ফাঁসের অজুহাতে ফিরিয়ে দিয়ে দেশের বিরাট ক্ষতি করে।
তিনি বলেন, ১৯৯৮ সালে তিনি তাঁর বোন শেখ রেহানা এবং পৃত্র ও তাঁর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদকে সঙ্গে নিয়ে মালয়েশিয়া সফরকালে মালয়েশিয়ার ‘সাইবারজায়া টেকনোলজি পার্ক’ পরিদর্শনের পর জয় একই আদলে বাংলাদেশেও হাই-টেক পার্ক নির্মাণের প্রস্তাব দেন। এরই ধারাবাহিকতায় তাঁর তদানিন্তন সরকার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নেরও উদ্যোগ নেয়। কিন্তু, দুঃখজনক হল ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে বিএনপি-জামাত জোট হাই-টেক পার্ক স্থাপন প্রকল্প বন্ধ করে দেয়। ফলে, বিশ্বের অন্যান্য দেশ যেমন- ভারত, মালয়েশিয়া হাই-টেক পার্ক/ সফটওয়ার টেকনোলজি পার্ক স্থাপনের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশের উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করতে সক্ষম হলেও পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
সেই সময়কার আরেকটি ঘটনার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার ছোট বোন রেহানার মেয়ে টিউলিপের নামের সাথে কম্পিউটার কোম্পানীর নামের মিল থাকায় এটা তাঁর (বর্তমানে লেবার পার্টির নির্বাচিত এমপি এবং শ্যাডো মিনিস্টার টিউলিপের ব্যক্তি মালিকানাধীন কোম্পানী) কোম্পানী বিবেচনায় দেশের ১০ হাজার স্কুলে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য প্রায় অর্ধেক দামে নেদারল্যান্ড থেকে কম্পিউটার আমদানির যে চুক্তি করেছিলাম তাও বিএনপি সরকার বাতিল করে দেয়। এজন্য রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ৩২ কোটি টাকা জরিমানাও গুণতে হয় সরকারকে।
তাঁর সরকার যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলছে তার ফলাফলটা এ দেশের নতুন প্রজন্ম পাবে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আজকের উদ্যোক্ত তৈরীতে শেখ কামাল বিজনেস ইউকিউবেটর স্থাপনকেও তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বর্তমানে সারা দেশে ৯২টি হাই-টেক পার্ক/সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক/আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে ৯টি পার্ক স্থাপনের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য ৬৪ জেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা মোবাইল এবং ল্যাপটপ উৎপাদনে সহায়ক ১৫৬ টিরও বেশি যন্ত্রাংশের উপর ১ শতাংশ হারে আমদানি শুল্ক হ্রাস করে দিচ্ছি। ফলে, বিশ্বের খ্যাতনামা ব্রান্ডের ১৫টি কোম্পানির মোবাইল ফোন সেট আমাদের দেশেই তৈরি হচ্ছে এবং ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও রপ্তানী হচ্ছে।
তিনি বলেন, আগামীতে গার্মেন্টস পণ্যের সাথে আমাদের ডিজিটাল ডিভাইসও সমানতালে বাংলাদেশে উৎপাদন এবং রপ্তানী হবে। আর রপ্তানী খাতে আগামীতে এটাই হবে একটি উল্লেখযোগ্য পণ্য যেটা রপ্তানী করে আমরা অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবো। আর সে লক্ষ্য নিয়েই তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং সমগ্র বাংলাদেশেরই সেভাবে প্রতিষ্ঠানও গড়ে তুলছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম কোনভাবেই যেন আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে পিছিয়ে না থাকে সেভাবেই আমরা তাদের প্রযুক্তি শিক্ষার ব্যবস্থাট করছি।
তিনি বলেন, যে সমস্ত অবকাঠামো আমরা তৈরী করছি তা হবে আগামী প্রজন্মের মেধা, বুদ্ধি, জ্ঞানের বিকাশ কেন্দ্র এবং তাদের জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও দেশপ্রেমের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠবে জাতির স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ। জাতির পিতা সেই উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখে যেতে না পারলেও তাঁর সেই স্বপ্ন পূরণই আমাদের দায়িত্ব।
-বাসস
চট্টগ্রাম বোর্ডে ১৬ কলেজে শতভাগ পাস, ২টিতে শূণ্য
নিজস্ব প্রতিবেদক :
এবারের উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে ১৬টি কলেজের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। আর শতভাগ ফেল করেছে ২টি কলেজের পরীক্ষার্থী।
রোববার প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এবার এইচএসসিতে চট্টগ্রাম বোর্ডে ৮৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। তন্মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩হাজার ৭২০ জন। এবারের পরীক্ষায় চট্টগ্রাম বোর্ডের অধিনে মোট ২৬৭টি কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এর মধ্যে ১৬টি কলেজে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। কলেজগুলো হলো- চট্টগ্রাম কলেজ, ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ, হালিশহর ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এন্ড কলেজ, ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল এন্ড কলেজ, চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল, সেন্ট প্লাসিড’স স্কুল এন্ড কলেজ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ, বান্দরবানের লামার কোয়ান্টাম কসমো হাই স্কুল, সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, সেন্ট স্কলাসস্টিকা গার্লস হাই স্কুল এন্ড কলেজ, আনোয়ারার কাফকো স্কুল এন্ড কলেজ সাউথপয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ, কক্সবাজারের বিআইএম ল্যাবরেটরি (ইংলিশ মিডিয়াম) স্কুল এন্ড কলেজ, চট্টগ্রামের মেরন সান কলেজ, বোয়ালখালীর পশ্চিম কদুরখীল স্কুল এন্ড কলেজ ও চট্টগ্রাম ল্যাবরেটরি কলেজ।
অন্যদিকে পাসের হার শূন্য এমন কলেজের সংখ্যা দুটি। তারমধ্যে চট্টগ্রাম আইডিয়াল কলেজের ১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হয় এবং মহালছড়ির বৌদ্ধ শিশুঘর হাই স্কুল এন্ড কলেজের ৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়।
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৯৫.২৬
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ফল আজ প্রকাশ করা হয়েছে। মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ সকল বোর্ডের পরীক্ষার গড় পাসের হার ৯৫ দশমিক ২৬ শতাংশ।
এ বছরে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে ২০২১ সালের এই পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হয়।
২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ৯ টি সাধারণ বোর্ডে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ। কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৯২ দশমিক ৮৫ শতাংশ। মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রোববার দুপুরে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২০২১ সালের উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা করেন। পরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তন থেকে এই ফলাফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি।
এ বছরে এইচএসসি পরীক্ষায় মোট শিক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ ৩ হাজার ২৪৪ জন। এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৩ লাখ ৭১ হাজার ৬৮১ জন। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী ১৩ লাখ ৬ হাজার ৭১৮ জন। এরমধ্যে ১ লাখ ৮৯ হাজার ১৬৯ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে, উর্ত্তীণের মোট সংখ্যার ১৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ।
২০২০ সালে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৭ জন। এরমধ্যে অংশগ্রহণ করেছিল ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৭ জন। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৭ জন। পাসের হার ছিল শতভাগ।
এবার ৯ হাজার ১১ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে শতভাগ উত্তীর্ণ প্রতিষ্ঠান ১ হাজার ৯৩৪ টি। কেন্দ্র সংখ্যা ২ হাজার ৬২১ টি। উত্তীর্ণ হয়নি এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৫ টি।
আগের বছরের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ২৭ হাজার ৩৬২ জন। ২০১৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছিল ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে মোট ৪৭ হাজার ২৮৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ -৫ পেয়েছিল।
ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে উচ্চমাধ্যমিক,আলিম,উচ্চমাধ্যমিক ভোকেশনাল,উচ্চমাধ্যমিক ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষা শুরু হয় এবং মুল্যায়ন শেষে জুলাই মাসে ফল প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
তিনি বলেন,এ বছর কোভিড-১৯ জনিত অতিমারীর কারণে সময়মত পরীক্ষা গ্রহণ সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় গ্রুপভিত্তিক তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে ছয় পত্রে পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস,সংক্ষিপ্ত সময় এবং নম্বর বন্টনে পরিবর্তন এনে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
-বাসস
ময়মনসিংহে র্যাবের সঙ্গে গুলিবিনিময় শেষে ৪ জঙ্গী আটক
নিউজ মেট্রো প্রতিনিধি :
ব্রহ্মপুত্র নদী তীরে ময়মনসিংহের খাগডহর এলাকায় র্যাবের সঙ্গে গুলি বিনিময়ের পর আটক হয়েছে চার জঙ্গী। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি রিভলবারসহ বেশ কিছু দেশী অস্ত্র। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
র্যাব-১৪-এর অধিনায়ক মো. রোকনুজ্জামান জানান, জঙ্গিদের তৎপরতা ও অবস্থানের গোপন সংবাদ পেয়ে র্যাব-১৪ এর একটি দল খাগডহর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেরে জঙ্গিরা গুলি ছুড়লে র্যাব সদস্যরাওও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়ে। এক পর্যায়ে জঙ্গীরা পিছু হটতে থাকেল র্যাব সদস্যরা চারজনকে আটক করে। তাদের কাছ থেকে গুলিভর্তি একটি বিদেশি রিভলভার, তিনটি চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আটককৃতদের নাম-পরিচয় পরে জানানো হবে বলে জানান তিনি।
১৬১ ইউপি ও ৯ পৌরসভায় ভোট ২০ সেপ্টেম্বর
নিজস্ব প্রতিবেদক :
কভিড-১৯ পরিস্থিতিতে স্থগিত থাকা দেশের ১৬১ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও ৯ পৌরসভায় আগামী ২০ সেপ্টেম্বর ভোট অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত কমিশনের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়া জাতীয় সংসদের কুমিল্লা-৭ শূণ্য আসনে আগামী ৭ অক্টোবর ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছে কমিশন।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন।
সচিব জানান, ‘প্রথম ধাপে ১৬৭টি ইউপির ভোট স্থগিত করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১৬১ ইউপিতে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। পাঁচটি ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থীরা মারা গেছেন। এছাড়া কক্সবাজারের একটি ইউপিতে আপাতত ভোট বন্ধ রাখার জন্য আমাদের কাছে অনুরোধ এসেছে। এ জন্য আপাতত ১৬১টি ইউপিতে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ তিনি জানান, স্থগিত থাকা ৯টি পৌরসভায়ও একই দিন ভোটগ্রহণ করা হবে।
২০ সেপ্টেম্বর যেসব ইউনিয়ন পরিষদের ভোট অনুষ্টিত হবে সেগুলো হলো—খুলনার কয়রার আমাদি, বাগালী, মহেশ্বরীপুর, মহারাজপুর, কয়রা, উত্তর বেকাশী ও দক্ষিণ বেদকাশী। দাকোপের পানখালী, দাকোপ, লাউডোব, কৈলাশগঞ্জ, সুতারখালী, কামারখোলা, তিলডাঙ্গা, বাজুয়া ও বানিশান্তা। বটিয়াঘাটার গংগারামপুর, বালিয়াডাঙ্গা ও আমিরপুর। দীঘলিয়ার গাজীরহাট, বারাকপুর, দীঘলিয়া, সেনহাটা, আড়ংঘাটা, যোগীপুল। পাইকগাছার সোলাদানা, রাড়ুলী, গড়ইখালী, চাঁদখালী, দেলুটি, লতা ও কপিলমুনি। বাগেরহাট জেলার ফকিরহাটের বেতাগা, লখপুর, পিলজংগ, ফকিরহাট, বাহির দিয়ামানসা, নলধা মৌভোগ ও শুভদিয়া। মোল্লাহাটের উদয়পুর, চুনখোলা, কোদালিয়া, আটজুড়ি, গাওলা ও কুলিয়া। চিতলমারীর বড়বাড়িয়া, হিজলা, শিবপুর, চিতলমারী, চরবানিয়ারী, কলাতলা ও সন্তোষপুর। কচুয়ার গজালিয়া, ধোপাখালী, মঘিয়া, গোপালপুর, রাঢ়ীপাড়া ও বাধাল। রামপালের গৌরম্ভা, বাইনতলা, হুড়কা, মল্লিকের বেড়, বাঁশতলী, উজলপুর, রামপাল, পেড়িখালী ও ভোজপাতিয়া। মোংলার চাঁদপাই, বুড়িরডাঙ্গা, চিলা, মিঠাখালী, সোনাইলতলা ও সুন্দরবন। মোরেলগঞ্জের পঞ্চকরণ, দৈবজ্ঞহাটী, চিংড়াখালী, হোগলাপাশা, বনগ্রাম, বলইবুনিয়া, হোগলাবুনিয়া, বহরবুনিয়া, নিশানবাড়িয়া, মোরেলগঞ্জ, তেলিগাতী, পুঁটিখালী, রামচন্দ্রপুর, জিউধরা, বারইখালী। শরণখোলার ধানসাগর, খোন্তাকাটা, রায়েন্দা, সাউথখালী। বাগেরহাট সদরের বারুইপাড়া, বেমরতা, বিষ্ণুপুর, ডেমা, কাড়াপাড়া, খানপুর ও রাখালগাছি। সাতক্ষীরার কলারোয়ার কয়লা, হেলাতলা, যুগীখালী, জয়নগর, জালালাবাদ, লাঙ্গলঝাড়া, কেঁড়গাছি, সোনাবাড়িয়া, চন্দনপুর ও দেয়াড়া। তালার ধানদিয়া, তেঁতুলিয়া, তালা, ইসলামকাটি, মাগুরা, খেসরা, জালালপুর, খলিলনগর, নগরঘাটা, সরুলিয়া ও খলিষখালী। নোয়াখালী সুবর্ণচরের চরবাটা, চরক্লার্ক, চরওয়াপদা, চর আমানউল্যাহ, পূর্ব চরবাটা ও মোহাম্মদপুর। হাতিয়ার মুছাপুর, চরহাজারী। হাতিয়ার চর ঈশ্বর, চরকিং, তমরদ্দি, সোনাদিয়া, বুড়িরচর, জাহাজমারা ও নিঝুমদ্বীপ। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের বাউরিয়া, গাছুয়া, সন্তোষপুর, আমানউল্লা, হরিশপুর, রহমতপুর, আজিমপুর, মুছাপুর, মাইটভাঙ্গা, সারিকাইত, মগধরা ও হারামিয়া। কক্সবাজারের মহেশখালীর হোয়ানক, মাতারবাড়ী ও কুতুবজোম। কুতুবদিয়ার আলী আকবর ডেইল, বড়ঘোপ, দক্ষিণধুরং, কৈয়ারবিল, লেমশীখালী ও উত্তরধুরুং। পেকুয়ার টেটং। টেকনাফের হ্নীলা, সাবরাং, টেকনাফ ও হোয়াইক্যং।
যে ৯টি পৌরসভায় ভোট হবে: এদিকে ২০ সেপ্টেম্বর যে ৯টি পৌরসভা নির্বাচন হবে সেগুলো হলো—কুমিল্লার নাঙ্গলকোট, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, কক্সবাজারের চকরিয়া ও মহেশখালী, ফেনীর সোনাগাজী, নোয়াখালীর কবিরহাট, পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে যশোরের নওয়াপাড়া এবং চট্টগ্রামের বোয়ালখালী।
প্রখ্যাত সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ আর নেই
নিউজ মেট্রো ডেস্ক :
করোনাকে জয় করলেও করোনা পরবর্তী জটিলতার কাছে হার মানলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গূহ। রবিবার রাত ১১টা ২৫ মিনিট নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বুদ্ধদেব গুহ ৷ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।
দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেনপশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ এই সাহিত্যিক ৷ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি ৷
কলকাতার নিউজ ১৮ বাংলার খবরে বলা হয়, এ বছরই এপ্রিলে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন বুদ্ধদেব গুহ ৷ একমাসের বেশি সময় হাসপাতালে ভর্তি থেকে করোনাকে জয় করলেও এবার আর পারলেন না। হাসপাতাল সূত্রে খবর, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বুদ্ধদেব গুহর।
এর আগে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পরও মূলত শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার জন্যই ফের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় বুদ্ধদেব গুহকে। বুদ্ধদেববাবুর মূত্রনালীতে সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছিল। চার সদস্যের চিকিৎসকের প্রতিনিধিদল হাসপাতালে তাঁর দেখাশোনা করছিলেন। তবে এবার আর শেষরক্ষা হল না ৷ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই প্রয়াত এই স্বনামধন্য সাহিত্যিক ৷
এপ্রিলে করোনায় আক্রান্ত হন বুদ্ধদেব গুহ। এক মাসের বেশি সময় তাঁকে লড়াই করতে হয়েছিল হাসপাতালের বেডে। আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁর মেয়ে এবং ড্রাইভারও। সুস্থ হওয়ার পর বালিগঞ্জের ফ্ল্যাটে ফিরে তিনি নিজে যদিও জানিয়েছিলেন, এখনই আমি ফুরব না।
দুই বাংলা জুড়ে বুদ্ধদেব গুহর অগণিত ভক্ত রয়েছেন ৷ তাঁদের প্রিয় সাহিত্যিকের প্রয়াণে বাংলার সাহিত্য জগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া ৷
১৯৩৬ সালে ২৯ জুন কলকাতায় জন্ম নিয়েছিলেন বুদ্ধদেব গুহ ৷ পেশাগত জীবনে চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট হলেও তাঁর ছোটগল্প ও উপন্যাসে পাঠক পান এক স্বপ্নালু বিমূর্ততা ও রোম্যান্টিক আবেদন ৷
ধেয়ে আসছে হারিকেন ‘ইদা’
নিউজ মেট্রো ডেস্ক :
আমেরিকার গালফ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে হারিকেন ‘ইদা’।
ষোলো বছর আগে এই অঞ্চলেই আছড়ে পড়েছিল ‘কাটরিনা’। আজ রবিবার নাগাদ আমেরিকার নিউ অরলিয়েন্সে ঝড়টি আছড়ে পড়বে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
১৬ বছর আগের ‘কাটরিনা’য় (Hurricane Katrina) ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছিল। এ বারও আসন্ন প্রবল এই ঘূর্ণিঝড়ে বিপুল ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (President Joe Biden) জানিয়েছেন, হারিকেন ইদা ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়ের আকার নিতে পারে।
জানা গিয়েছে। এটি একটি ক্যাটাগরি-২ হারিকেন, যার গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১০০ মাইল বা ১৬০ কিলোমিটার। ১৮৫০ সালের পর সম্ভবত এমন ভয়ঙ্কর ঝড় আগে আসেনি। যে কোনও সময়ে বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন হতে পারে বলেই প্রশাসনের তরফে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে।
আবহাওয়া দফতরের তরফে এলাকাবাসীকে সতর্ক করা হয়েছে। বলা হয়েছে, যাতে তাঁরা নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যান। বহু মানুষ নিউ অরলিয়েন্স (New Orleans) ছেড়ে চলেও যাচ্ছেন। আমেরিকার ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টারের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ‘উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় ইদা ভয়ঙ্কর হারিকেনের আকার নিতে পারে।’ রবিবার বিকেল নাগাদ ১৪০ মাইল প্রতি ঘণ্টা বেগে উপকূলে এই ঝড় আছড়ে পড়তে পারে বলে জানা গিয়েছে।
সূত্র : জি ২৪ঘন্টা
সম্পূর্ণ অসত্যের ওপর বিএনপির রাজনীতি দাঁড়িয়ে আছে -তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিএনপিকে অসত্য এবং মিথ্যাচারের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং অসত্যের ওপর বিএনপির রাজনীতিটা দাঁড়িয়ে আছে। মিথ্যা আর অসত্যের ওপর রাজনীতি করে বেশিদিন ঠিকে থাকা যায়না, এটিই হচ্ছে ইতিহাসের শিক্ষা। তাহলে হয়তো বিএনপির আজকের যে অবস্থা সেটা থেকে মুক্তি পেতে পারে।
তিনি বলেন, গতকাল প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা একটি সত্য কথা বলেছেন, চন্দ্রিমা উদ্যানে আসলে জিয়াউর রহমানের কোন লাশ নাই। সেটি যখন প্রধানমন্ত্রী বললেন, বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একটা বক্তব্য দিয়েছেন, অবশ্য সেটা নাদিলে তার মহাসচিব পদ থাকে কিনা সেটাও একটা ব্যাপার আছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমিতো চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার মানুষ, রাঙ্গুনিয়ার পোমরা ইউনিয়নে নাকি জিয়াউর রহমানকে প্রথম কবর দেয়া হয়েছিল। সেখানেও জিয়াউর রহমানকে কবর দিতে কেউ দেখেনি, একটা বাক্স দেখেছিল। সেদিনকার প্রত্যক্ষদর্শী বর্তমানে সেই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কুতুব উদ্দিন, তিনিও আমাকে জানিয়েছেন আমরা জিয়াকে দেখি নাই। সেসময়ের আরো অনেকেই জীবিত আছে, তথাকথিত প্রথম কবরেও আসলে জিয়াউর রহমানের লাশটা কেউ দেখে নাই। এমনকি খালেদা জিয়া, তারেক জিয়া, বিচারপতি সাত্তারও দেখে নাই। জি¦ন কিংবা ভুতে দেখেছে কিনা আমি জানিনা।
শুক্রবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে ১৫ ও ২১ আগস্টে নিহতদের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম উত্তরজেলা ছাত্রলীগ এ আলোচনা সভার আয়োজন করেন।
উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন চৌধুরী তপুর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মুহাম্মদ রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম, সাধারন সম্পাদক শেখ মো. আতাউর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা স্বজন কুমার তালুকদার, দেবাশীষ পালিত, জসিম উদ্দিন শাহ, শাহজাহান সিকদার, নজরুল ইসলাম তালুকদার, ইদ্রিছ আজগর, গিয়াস উদ্দিন, ইফতেখার হোসেন বাবুল, আকতার হোসেন খাঁন, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির নেতারা ক্রমাগতভাবে বঙ্গবন্ধুর ভুমিকাকে অস্বিকার করে আসছে। তারা একজন খলনায়ককে নায়ক বানানোর অপচেষ্ঠা চালান। ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে জিয়াউর রহমানের তথাকথিত কবরে যান তারা, কোন সময় কারো বিয়ে ও কর্ণছেদন অনুষ্ঠান উপলক্ষেও তারা জিয়াউর রহমানের কবরে যান সেটাই এখন চিন্তার বিষয়। সেখানে গিয়ে আবার তারা মারামারি করেন।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে খাটো করার অনেক অপচেষ্ঠা হয়েছে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে ইতিহাসের পাতা থেকে নির্বাসিত করার অপচেষ্ঠা হয়েছে। রেডিও টেলিভিশন রাষ্ট্রিয় প্রচার যন্ত্র থেকে বঙ্গবন্ধুকে নির্বাসিত করা হয়েছে। স্বাধীনতার খলনায়ক পাকিস্তানিদের দোসর জিয়াউর রহমানকে নায়ক বানানোর চেষ্ঠা করা হয়েছে। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকাওেন্ডর সাথে ওঁৎপ্রোতভাবে যুক্ত ছিল।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধু বহু আগেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরিকল্পনা করেছিলেন। ১৯৪৮ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তানের প্রথম স্বাধীনতা দিবসের পূর্বে বঙ্গবন্ধু বিবৃতি দিয়েছিলেন, যেটি তখনকার ইত্তেহাদ পত্রিকায় ছাপানো হয়েছিল, লিপলেট আকারেও প্রকাশ করা হয়েছে। সেই বিবৃতিতে তিনি বলেছিলেন, গত এক বছরে প্রমাণ হয়েছে পাকিস্তান কেন্দ্রিয় সরকার জনগণের সত্যিকার মুক্তির জন্য কিছুই করতে পারেনি। তাই ১৪ আগস্ট আনন্দ উল্লাসের দিন নয়, বরং নিগ্রহের হাত থেকে মুক্তি পাবার শপথ নেওয়ার দিন হিসেবে পালন করার আহবান জানিয়েছিলেন বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৫১ সালে কমরেড মণিসিংকে চিঠি লিখেছিলেন আমি পূর্ব বাংলার স্বাধীনতার পরিকল্পনা করছি, আপনারা আমার সাথে থাকবেন কিনা। এনিয়ে তিনি কারাগারে বৈঠকও করেছেন। এটি কমরেড মণিসিংয়ের বক্তব্য। যেটি তৎসময়ে দৈনিক ইত্তেফাকসহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ছাপানো হয়েছে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখতে পায় অনেক বাঙালি নেতা বাঙালির স্বাধীনতার জন্য চেষ্ঠা করেছেন। ১৮৩০ সালে তিতুমীর বাঁশের কেল্লা তৈরী করে বৃটিশের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে বাঙালির জন্য স্বাধীনতার প্রচেষ্ঠা চালিয়েছিলেন। এর এক’শ বছর পর ১৯৩০ সালে মাষ্টারদা সূর্যসেন চট্টগ্রামে বৃটিশের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে অস্ত্রাগার লুণ্ঠন করে চট্টগ্রামকে ১১দিন স্বাধীন রেখেছিলেন। ১৯৪৪ সালে নেতাজি সুবাস বসু মায়ানমারে ইন্ডিয়ান লিবারেশন আর্মির সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেছিলেন তোরা রক্ত দে, আমি স্বাধীনতা দিব। বাঙালি রক্তও দেয়নি স্বাধীনতাও আসেনি। বঙ্গবন্ধু ঘুমন্ত বাঙালি জাতিকে ধীরে ধীরে স্বাধীনতার মুলমন্ত্রে উজ্জিবীত করেছিলেন। ত্রিশ লক্ষ মানুষ রক্ত দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে এনেছে বঙ্গবন্ধুর আহবানে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চ এমনভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন পাকিস্তানিরা তাকে বিদ্রোহী বলে আখ্যায়িত ও অভিযোগ গঠন করতে পারেনি। তখন পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ঢাকা থেকে রাওয়ালপিন্ডি হেডকোয়ার্টারে রিপোর্ট দিয়েছিল চতুর শেখ মুজিব কার্যত পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা ঘোষণা করে দিয়েছে। কিন্তু আমাদের দেখে দেখে তাকিয়ে থাকা ছাড়া কোন কিছুই করার ছিলনা।
ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের রাজনীতির পাশাপাশি লেখাপড়াটা সঠিকভাবে চালিয়ে যাবার আহবান জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা লেখাপড়াকে গুরুত্ব দেন। রাজনীতি হচ্ছে একটি ব্রত, দেশ এবং সমাজ পরিবর্তনের জন্য, সেটি মাথায় রাখতে হবে। যেকোন ত্যাগ স্বীকারে সবসময় প্রস্তুত থাকবে। রাজনীতি করতে গিয়ে যাতে পড়াশোনার ক্ষতি নাহয়। #