শ্রীলঙ্কা সরকার জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি দেখিয়ে জনসমক্ষে বোরকা ও নিকাবসহ সবধরনের মুখ ঢাকা পোশাক পরা নিষিদ্ধ করার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে।
দেশটির জন নিরাপত্তা মন্ত্রী সারাত উইরাসেকারা বিবিসিকে বলেছেন, বোরকা নিষিদ্ধ করার এক নির্দেশে তিনি সই করেছেন। সেটি কার্যকর করতে পার্লামেন্টের অনুমোদন লাগবে।
মন্ত্রী বলেন, খুব দ্রুত এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে বলে তিনি আশা করছেন।
প্রায় দু বছর আগে খ্রিস্টানদের ইস্টার সানডে পরবের দিন শ্রীলঙ্কায় হোটেল ও কয়েকটি গির্জার ওপর সমন্বিত কয়েকটি হামলার পর দেশটির সরকার এই উদ্যোগ নিচ্ছে।
ওই হামলায় আত্মঘাতী বোমাহামলাকারীরা ক্যাথলিকদের গির্জা ও পর্যটকদের হোটেল টার্গেট করে হামলা চালায়। ২০১৯ সালে এপ্রিল মাসের ওই হামলায় প্রাণ হারায় আড়াইশ’র বেশি মানুষ। ইসলামিক স্টেট জঙ্গী গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করে।
কর্তৃপক্ষ জঙ্গীদের ধরতে অভিযান চালায় এবং সেসময় সংখ্যালঘু বৌদ্ধদের এই দেশটিতে জরুরিকালীন পদক্ষেপ হিসাবে সবধরনের মুখ ঢাকা পোশাক পরার ওপর স্বল্প মেয়াদী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর করোনা টিকা নেয়ার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিও এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যেখানে ভিডিও এডিট করে মন্ত্রী টিকা নেননি বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সচিবালয় ক্লিনিক ভবনে করোনা টিকা গ্রহণ করেন। সাংবাদিকরা সে সময় ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করেন । তবে টিকা দেয়ার কক্ষে স্থান সংকুলান না হওয়ায় উপস্থিত সাংবাদিকরা কেউ কেউ ছবি ও ভিডিও ফুটেজ নিতে পারেননি। পরে ক্যামেরাম্যানরা অনুরোধ করলে, মন্ত্রী টিকা নেয়ার পর তাদের ছবি ও ভিডিও নেয়ার সুযোগ দেন। মন্ত্রীদের টিকা নেয়ার ভিডিও লিঙ্ক https://www.youtube.com/watch?v=pDeQH-qMQZY
উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিও এডিট করে মন্ত্রী টিকা নেননি বলে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে তা স্বাধীনতাবিরোধী কুচক্রী মহলের মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী তথা সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের অংশ বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন। ভিডিও সম্পাদনা করে এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচার যারা চালাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে মন্ত্রী জানিয়েছেন।
মোংলা বন্দরের জেটিতে স্বাভাবিক জোয়ারের সহায়তায় ৯ দশমিক ৫ থেকে ১০ মিটার ড্রাফটের জাহাজ হ্যান্ডেল করার লক্ষ্যে আজ মোংলা বন্দর চ্যানেলের ইনার বারে ড্রেজিং কাজ শুরু হয়েছে। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী আজ শনিবার মোংলা বন্দরের জয়মনিরগোল পয়েন্টে ড্রেজিং কাজের উদ্বোধন করেন।
ইনার বারে ড্রেজিং প্রকল্পের জন্য ব্যয় হবে ৭৯৪ কোটি টাকা। ২০২২ সালের জুনের মধ্যে ড্রেজিংয়ের কাজ শেষ হবে। ইনার বারে ২১৬ দশমিক শূন্য ৯ লাখ ঘন মিটার ড্রেজিং করা হবে। চীনের প্রতিষ্ঠান জিয়ানসু হাইহং কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড এবং চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কন্সট্রাকশন কর্পোরেশন যৌথভাবে ড্রেজিং কাজটি করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার ক্ষমতায় আসার পর বন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতিসহ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ড্রেজিং করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে বন্দরের বিভিন্ন প্রকার হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ, অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং ড্রেজিং করার জন্য নানাবিধ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ব্যয় করে মোংলা বন্দরের আউটার বারে ড্রেজিং করা হয়েছে। আউটার বারে ড্রেজিংয়ের ফলে বন্দরের এ্যাংকোরেজ এলাকা পর্যন্ত ১০ মিটার ড্রাফটের জাহাজ অনায়াসে আসতে পারবে। ইতোমধ্যে ৯ দশমিক ৫ মিটার ড্রাফটের জাহাজ আসা শুরু করেছে। এতে বন্দরে আগত জাহাজের সংখ্যা বৃদ্ধি বন্দরের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বলেন, ইনার বারে ড্রেজিং সমাপ্ত হওয়ার পর বন্দরে আগত জাহাজের টার্ন এ্যারাউন্ড টাইম কমে যাবে, পণ্য পরিবহন খরচ সাশ্রয় হবে। মোংলা বন্দরে জাহাজের সংখ্যা অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে, যা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়নসহ দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। মোংলা বন্দর ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা রাখবে। যা বর্তমান সরকারের ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ গড়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা এবং প্রকল্প পরিচালক শেখ শওকত আলী উপস্থিত ছিলেন ।
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যারা ইতিহাস বিকৃতি ঘটায়, তারা ইতিহাসের পাতায় এক ধরণের দুস্কৃতিকারী। স্বাধীনতার এই সুবর্ণ জয়ন্তিতে আমি আশা করবো এতদিন ধরে বিএনপিসহ যেসমস্ত দল এই ভুলগুলো করেছেন, তারা সেই ভুল থেকে বের হয়ে আসবে, তাহলেই দেশের মানুষ তাদেরকে সাধুবাদ দিবে। তিনি বলেন, আমরা আশা করেছিলাম তারা স্বাধীরতার সুবর্ণ জয়ন্তি ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর বছরে সত্যটাকে মেনে নিবেন, ইতিহাসকে মেনে নিবেন। কিন্তু তারা জন্মলগ্ন থেকে যে ইতিহাস বিকৃতি ঘটিয়ে আসছেন কয়েক দশক ধরে, ৭ই মার্চ পালন করতে গিয়েও সেটি থেকে বেরিয়ে আসতে পারে নাই।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু এমনভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, জনগণ বুঝতে পেরেছিল কি করতে হবে। তখন সবাই মাঠে নেমে পড়েছিল, “বাঁশের লাঠি তৈরি কর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর” স্লোগানে। কিন্তু পাকিস্তানিরা সেটা বুঝতে পারে নাই, বুঝলেও অভিযুক্ত করতে পারে নাই। এখন দেখলাম ৭ই মার্চ পালন করতে গিয়ে বিএনপি যে বক্তব্য দিল, পাকিস্তানিরা যেমনি বুঝতে পারে নাই, তেমনি বিএনপিও বুঝতে পারে নাই। পাকিস্তানিদের বুঝের সাথে বিএনপির বুঝের খুব মিল রয়েছে।
আজ শনিবার চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সী-বীচে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) আয়োজিত সিটি আউটার রিং রোডে সাইকেল লেইন এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দোভাষ, বোর্ড সদস্য মো. জসিম উদ্দিন, কে.বি.এম শাহজাহান, জসিম উদ্দিন শাহ, এম আর আজিম, রোমানা নাছরিন, প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজ থেকে কয়েক বছর আগে মানুষ ধারণা করেনি পতেঙ্গা সৈকতে এমন একটি সী-বীচ হবে। এটি যখন প্রথম উম্মুক্ত করেছিল সেটি সবাইকে অবাক করেছিল। একেবারে দুবাই সী-বিচের আদলে এত সুন্দর করে এটাকে সাজানো হয়েছে। তিনি বলেন, পতেঙ্গা সী-বীচ আগেও ছিল, পৃথিবীর পরিবর্তনের সাথে সাথে সেটির আধুনিকায়ন প্রয়োজন হচ্ছে, যেটি বহুবছর হয়নি, বঙ্গবন্ধু কন্যার হাত ধরে সিডিএ’র মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রেক্ষিতে সী-বীচের সৌন্দর্যমন্ডিত হয়েছে।
পতেঙ্গায় সাইকেল ট্র্যাকের উদ্বোধন শেষে সাইক্লিস্টদের সাথে তথ্যমন্ত্রী
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সী-বিচের অন্যতম আকর্ষণ ও উপাদান হচ্ছে বালুচর। এখানে আগে যে পরিমাণ বালুচর ছিল সেটা হারিয়ে গেছে। বিচ বলতে বালুচরকেই বুঝায়, দুবাই সী বীচে প্রথমে বালি ছিলনা, পরে বাইরের খেকে বালি এনে সেখানে বালুচর বানানো হয়েছে। প্রয়োজনে বাইরের থেকে বালি এনে এখানেও বালুচর করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রথম থেকেই সিডিএ’র কাছে নিবেদন ছিল এখানে একটা সাইকেল লেইন রাখার। আমি বিদেশে পড়ালেখা কালে সাইকেল চালিয়ে ভার্সিটিতে আসা-যাওয়া করতাম। আমাদের শহরগুলোতেও যদি এধরণের সাইকেল লেইন করতে পারলে ভালো হতো। চট্টগ্রাম শহরের দুয়েকটি রাস্তায়ও সাইকেল লেইন করার জন্য সিডিএকে অনুরোধ জানান তথ্যমন্ত্রী।
করোনাভাইরাসের নতুন ঢেউয়ের আশংকায় আগামী সোমবার থেকে বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে ইতালীর অধিকাংশ স্কুল ও দোকান-পাট। দেশের নাগরিকদের ইতিমধ্যে এ ব্যপারে সতর্ক করে দিয়েছেন সেখানকার প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাগি।
বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত ইস্টারের সময় পুরোপুরি লকডাউন থাকবে।
দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ৩১ লাখ ৭৫ হাজার আটশ সাতজন এবং এক লাখ এক হাজার পাঁচশ ৬৪ জনের মৃত্যু ঘটেছে।
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে (২০২১-২০২২) আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের (সাদা প্যানেলের) প্রার্থী সাবেক আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু সভাপতি ও বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের (নীল প্যানেলের) ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবীদের এই সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির ১৪টি পদের মধ্যে সভাপতি এবং একটি সহ-সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষসহ আটটি পদে বিজয়ী হয়েছেন সরকারদলীয় আওয়ামী লীগ সমর্থিত বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের (সাদা প্যানেলের) প্রার্থীরা।
অন্যদিকে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে সম্পাদক ও একটি সহ-সভাপতিসহ ছয়টি পদে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের (নীল প্যানেলের) প্রার্থীরা।
সাদা প্যানেলের প্রার্থী আব্দুল মতিন খসরু এবারের নির্বাচনে ২ হাজার ৯৬৮ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নীল প্যানেল থেকে সভাপতি প্রার্থী মো. ফজলুর রহমান পেয়েছেন ২ হাজার ১৩২ ভোট।
এছাড়া সভাপতি পদের অপর প্রার্থীদের মধ্যে ওয়ালিউর রহমান ১৮৯ ভোট, ইউনুস আলী আকন্দ ৮৮ ভোট এবং কে এম জাবির ৩৬ ভোট পেয়েছেন।
সম্পাদক পদে বিজয়ী নীল প্যানেলের ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৫ ভোট। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক নির্বাচিত হলেন তিনি।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল আলীম মিয়া জুয়েল পেয়েছেন ২ হাজার ২০৪ ভোট। একই পদে অ্যাডভোকেট মির্জা আল মাহমুদ পেয়েছেন ৯৭ ভোট এবং মো. গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ৩৮ ভোট।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২১-২২ মেয়াদের নির্বাচনে ১০ ও ১১ মার্চ দুই দিনব্যাপি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভোট গণনা শুরু হয় । শুক্রবার মধ্য রাতে ফলাফল ঘোষণা করেন সুপ্রিম কোর্ট বারের নির্বাচনী কমিটির আহ্বায়ক সাবেক বিচারপতি এ এফ এম আবদুর রহমান।
নির্বাচনে সহ-সভাপতির দুটি পদের একটিতে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত মো. জালাল উদ্দিন ২ হাজার ৭৪৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। অপরটিতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মুহাম্মদ শফিক উল্ল্যা ২ হাজার ৬১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত ড. মো. ইকবাল করিম ২ হাজার ৮৭৪ ভোট পেয়ে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল্লাহ আল মাহবুব পেয়েছেন ২ হাজার ১৫১ ভোট।
আর সহ-সম্পাদকের দুটি পদের মধ্যে একটিতে বিএনপি সমর্থিত মাহমুদ হাসান ২ হাজার ৭২৪ ভোট পেয়ে। আরেকটিতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাফায়েত সুলতানা রুমি ২ হাজার ২১৩ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।
এছাড়া সাতটি সদস্য পদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মাহফুজুর রহমান রোমান; তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৮২৯ ভোট। দ্বিতীয় হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এ বি এম শিবলী সাদেকীন; তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৮০৭ ভোট। তৃতীয় হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত পারভিন কাওসার মুন্নি; তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৫৩৮ ভোট। চতুর্থ হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মিন্টু কুমার মণ্ডল; তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৫০৭ ভোট।
এছাড়া পঞ্চম হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ; তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৫০৫ ভোট। ষষ্ঠ হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত রেদওয়ান আহমেদ রানজিব; তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৪৩৯ ভোট। সপ্তম হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মুনতাসির আহমেদ; তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৪৩৭ ভোট।
এবারের নির্বাচনে মোট সাত হাজার ৭২২ জন ভোটারের মধ্যে দুইদিনে পাঁচ হাজার ৪৮৬ জন আইনজীবী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। নির্বাচনে ১৪ পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
বেগম খালেদা জিয়া ও তাঁর দলের এত বিদেশপ্রীতি কেন প্রশ্ন রেখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতার যে কথাগুলো বলা হচ্ছে, এগুলো বহু বছরের পুরনো অসুবিধা। তাঁর যে আর্থাইটিজের সমস্যা সেটি বিশ বছরের পুরনো সমস্যা। সেই সমস্যা নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেত্রী এবং বিএনপির মতো একটি বড় দলের চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব পালন করেছেন। একই সমস্যাকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারবার দেখানো সমীচিন নয়।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, তিনি আদালত কর্তৃক খালাস পাননি, আদালত থেকে জামিনও পাননি। খালেদা জিয়ার পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত দয়া পরবশ হয়ে প্রশাসনিক ক্ষমতাবলে তাকে মুক্তি দিয়েছেন ছয়মাসের জন্য। যেটি একদফা বাড়ানো হয়েছে, আরো একদফা বাড়ানোর জন্য তারা আবেদন করেছেন, এটি প্রক্রিয়াধীন আছে। তাঁকে বিদেশেই নিয়ে যেতে হবে এই প্রশ্ন কেন ? চিকিৎসা তো বাংলাদেশেও আছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের নতুন তালিকাভুক্ত শিল্পীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তথ্যমন্ত্রী। এরপর বেগম খালেদা জিয়াকে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে, তাঁর চিকিৎসা হচ্ছে না, দেশের বাইরেও নিতে দেয়া হচ্ছে না বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে রাশেদ হাসান ও আঁখি মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার নিতাই কুমার ভট্টাচার্য। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মিজান উল আলম, একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্য ব্যক্তিত্ব আহমেদ ইকবাল হায়দার প্রমুখ।
বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য হাঁটু বা কোমরের ব্যথা নিয়ে রাজনীতি না করতে বিএনপিকে অনুরোধ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আদালত থেকে জামিন বা খালাস না পাওয়া সত্ত্বেও বেগম খালেদা জিয়াকে যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর প্রশাসনিক ক্ষমতা বলে মুক্তি দিয়ে ঘরে থাকার জন্য ব্যবস্থা করে দিয়েছেন সে জন্য বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের উচিত ছিল প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দেয়া। সেটি না দিয়ে বরং তিনি বলছেন, তাকে বিদেশ নিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশে তো অনেকেরই চিকিৎসা হয়, আমাদের অনেক এমপি এই করোনাকালে মৃত্যুবরণ করেছেন, কাউকে কিন্তু বিদেশ নিয়ে যাওয়া হয়নি। অনেকেই এদেশে চিকিৎসা করে ভালো হয়েছেন।
বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের নতুন তালিকাভুক্ত শিল্পীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যতবেশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড হবে, যতবেশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথে আমাদের তরুণ ও যুবকরা সম্পৃক্ত হবে ততবেশি তাদের মননশীলতার বিকাশ হবে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের অবস্থান চট্টগ্রামে হলেও এটি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক কোন কেন্দ্র নয়, এটি একটি জাতীয় কেন্দ্র। যারা কেন্দ্র পরিচালনার সাথে জড়িত এবং যারা শিল্পী-কলাকুশলী আছেন তাদেরও এটি মাথায় রাখতে হবে। আগে চট্টগ্রাম কেন্দ্রে গান গাইলে শুধু চট্টগ্রামেই দেখা যেতো, এখন চট্টগ্রাম কেন্দ্রে কেউ পারফর্ম করলে সেটি সমগ্র দেশে দেখা যায়। তাই সমগ্র দেশের চিন্তাটা মাথায় রেখে পারফর্ম করতে হবে। একই সাথে অনুষ্ঠান পরিকল্পনা থেকে সবকিছু সমগ্র বাংলাদেশের নিরিখে করতে হবে। শুধুমাত্র এই অঞ্চলের আঞ্চলিক বিষয়গুলোকে পরিবেশন না করে সমগ্র বাংলাদেশের বিষয়টা মাথায় রেখে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরগুলোতেও বাংলাদেশ টেলিভিশনের আরো ছয়টি কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে সেই প্রকল্প প্রি-একনেকে পাশ হয়েছে, শিগগির কার্যক্রম শুরু হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ১০দিন ব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচী নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এর মধ্যে ক্ষুদে মুজিবদের ৭মার্চের ভাষণ, এলইডি স্ক্রিনে স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুর উপর স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও তথ্য চিত্র প্রদর্শন, শিশু সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচী রয়েছে। বৃহস্পতিবার কর্পোরেশনের এক সভায় এসব কর্মসূচী চুড়ান্ত করা হয়েছে।
চসিক সূত্র জানায়, জাতীয় কর্মসূচীর আলোকে যথাযোগ্য মর্যাদায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যেগে বঙ্গবন্ধুর জন্ম শত বার্ষিকী ২০২১ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের বিষয়ে ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত দশ দিনের কর্মসূচী চুড়ান্ত করা হয়েছে। গৃহীত কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে ১৭ মার্চ মঙ্গলবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে চসিকের প্রধান ভবন সহ আঞ্চলিক কার্যালয়, ওয়ার্ড অফিস ও কর্পোরেশন আওতাভূক্ত প্রতিষ্ঠান সমূহে জাতীয় পতাকা ও কর্পোরেশনের পতাকা উত্তোলন। সকাল সাড়ে ৮ টায় বাটালিহিলস্থ নগর ভবন কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পূষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, সকাল ৯ টায় ওয়ার্ডস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র সমূহে দিনব্যাপি বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প, সকাল ১০ টায় এম এ আজিজ স্টেডিয়ামস্থ জিমনেশিয়াম চত্বরে স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ পূর্বক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মুজিবকোট পরিহিত ক্ষুধে মুজিবদের ৭ই মার্চের ভাষণ, শিশু সমাবেশ ও কেক কাটা এবং টাইগারপাস এলাকায় ১০১টি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী। ১৭ মার্চ বাদ জোহর কর্পোরেশন ভুক্ত মসজিদ মাদ্রাসায় মিলাদ ও বিশেষ মুনাজাত এবং সুবিধাজনক সময়ে মন্দির, প্যাগোডা, গীর্জায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠান।
এছাড়া ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ১০ দিন ব্যাপি কর্মসূচী পালন করা হবে। এসময় টাইগারপাসস্থ প্রধান নগর ভবন, আন্দরকিল্লায় পুরাতন নগর ভবনের আঞ্চলিক অফিস, নিউ মার্কেট মোড়, কাজির দেউড়ি চেরাগী পাহাড় মোড়, আন্দরকিল্লা চত্বর সমূহ ও এক্সেস রোড বড় পোলে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য এবং টাইগারপাস-লালখান বাজার থেকে কাজির দেউড়ি , বহদ্দার হাট মোড় মসজিদ সম্মুখস্থ আইল্যান্ডে আলোকসজ্জা এবং ফোয়ারা সমূহ সচল রাখা। গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সম্প্রচার দেশাত্ত¡বোধক গান, উদ্দীপনামুলক সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, নগরীর ওয়ার্ড সমূহে বিশেষ পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম চলমান রাখা, জাতির পিতার বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সম্বলিত ড্রপওয়াল প্রদর্শন, গুরুত্বপূর্ণ ১০ টি স্থানে বঙ্গবন্ধুর ছবি দৃশ্যমান করা, ৫ টি স্থানে এলইডি স্ক্রিনে স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুর উপরে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচিত্র ও তথ্য চিত্র প্রদর্শন। ১৭ মার্চ দুপুর ১ টায় বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এতিম ও দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ। কর্পোরেশন ভূক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমুহে অনুষ্ঠান পালন। ৪১টি ওয়ার্ডে জাতীয় পতাকা উত্তোলন। পুষ্পস্তবক অর্পন সম্ভাব্য অন্যান্য কর্মসূচী পালন ও আলোকায়ন। এছাড়া ১৭ মার্চ জিমনেশিয়াম চত্বরে বিভিন্ন স্কুলের অসচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্র্থীদের মধ্যে শিক্ষা সহায়ক প্রণোদনা প্রদান করা হবে। মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, ভারপ্রাপ্ত সচিব ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী লে কর্নেল সোহেল আহমেদ, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়–য়া,মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট জাহানার ফেরদৌস, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী,আইন কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন, শিক্ষা কর্মকর্তা সালমা ফেরদৌস,রাজস্ব কর্মকর্তা শাহিদা ফাতেমা চৌধুরী, নির্বাহী প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশ, উপ-সচিব আশেক রসুল চৌধুরী টিপু, নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ আবু ছিদ্দীকি, বিপ্লব দাশ, মীর্জা ফজলুল কাদের, শেখ আশিকুল ইসলাম, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলী, প্রকৌশলী আব্দুলাহ আল ওমর, প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোর্শেদুল আলম চৌধুরী, এস্টেট অফিসার মো. কামরুল ইসলাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের ক্রিকেট তারকা মাশরাফি বিন মর্তুজার নাম স্থান পেয়েছে সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (ডাব্লিউইএফ) এর বিশ্বের তরুণ নেতাদের তালিকায়। তালিকায় এশিয়ার ১০জন সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ১১২জন তরুণ নেতাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। বুধবার এ বছরের তালিকা প্রকাশ করে সংস্থাটি।
ডব্লিউইএফ প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বাণিজ্য, স্বাস্থ্যসেবা, শাসনব্যবস্থাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা তরুণ নেতাদের নিয়ে ‘ইয়াং গ্লোবাল লিডারস’ তালিকা তৈরি করে। ৪০ বছরের কম বয়সীরাই এই তালিকার জন্য বিবেচিত হন।
মাশরাফি ‘নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন’ নামে একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন। ওই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম লিখেছে, ক্রিকেটের বাইরে মাশরাফি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নড়াইলের মানুষের দারিদ্র্য দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের জন্য তিনি ‘নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন।
রাবিশ্বে ঘোষিত ১১২ জন তরুণ নেতার মধ্যে একজন হলেন মাশরাফি। আর দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল থেকে বাছাইকৃত ১০ জন তরুণ নেতার মধ্যে একজন তিনি। বাংলাদেশ থেকে এই খেতাব পেয়েছেন শুধুমাত্র মাশরাফি।
আফ্রিকা থেকে ৯, আসিয়ান অঞ্চল থেকে ৯, অস্ট্রেলেশিয়া ও ওশেনিয়া থেকে ২, ক্যারিবীয় থেকে ১, ইউরেশিয়া থেকে ২, ইউরোপ থেকে ২৩, গ্রেটার চায়না থেকে ৯, জাপান থেকে ১, কোরিয়া ও উত্তর এশিয়া থেকে ৩, লাতিন আমেরিকা থেকে ৯, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা থেকে ১৩, নর্থ আমেরিকা থেকে ২০ ও দক্ষিণ এশিয়া থেকে নির্বাচিত করা হয়েছে ১০ জনকে।
দক্ষিণ এশিয়া থেকে রয়েছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা (বাংলাদেশ), অদিতি অবস্তি (ভারত), শ্রীকান্ত বল্লা (ভারত), মালেকা বোখারি (পাকিস্তান), নির্ভানা চৌধুরী (নেপাল), গজল কালরা (ভারত), শ্রিবর খেরুকা (ভারত), আমেয়া প্রভু (ভারত), হৃদয় রবীন্দ্রনাথ (ভারত) এবং হিতেশ বাধওয়া (ভারত)।
২০১৬ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহেমদ পলকের নাম ওই তালিকায় স্থান পেয়েছিল।
চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘিসহ তার বাবা ও মামার বিরুদ্ধে কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছেন ‘তুমি আছো তুমি নেই’ ছবির পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। আজ বুধবার দুপুরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে এ মামলা দায়ের করেন তিনি।
এদিকে ছবির প্রযোজক সিমি ইসলামও এক কোটি টাকার পৃথক মানহানি মামলা করেছেন দীঘির বিরূদ্ধে।
‘তুমি আছো তুমি নেই’ নামে সিনেমায় জুটি বেঁধে অভিনয় করেন আসিফ ইমরোজ ও প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। সিনেমাটি আগামী ১২ মার্চ সারা দেশে মুক্তি পাবে। মুক্তিকে সামনে রেখে প্রকাশিত পোস্টার, ট্রেইলার নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন নির্মাতা ও দীঘি। দর্শকদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নায়িকা দীঘিও নিজেও ছবির সমালোচনা করেন। এনিয়ে পরিচালকের সাথে তাঁর দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়।
পরিচালক ও প্রযোজকদের জন্য দীঘি হুমকিস্বরূপ উল্লেখ করে এই পরিচালক ঝন্টু বলেন, ‘সিনেমার নায়িকাই যখন বলেছে সিনেমা চলবে না, তাহলে মানুষ কেন হলে যাবে? এত বড় সাহস! মুক্তির আগে চলবে না বললে তো সে (দীঘি) পরিচালক এবং প্রযোজকদের জন্য হুমকি। এটা কালচার হয়ে যাবে। অন্য নায়ক-নায়িকারাও বলবে।’