Home Blog Page 36

মেয়র রেজাউলের প্রথম ১০০ দিনের অগ্রাধিকার কার্যক্রম শুরু

0
মেয়র রেজাউলের প্রথম ১০০ দিনের অগ্রাধিকার কার্যক্রম শুরু
মশক নিধন ক্র্যাশ প্রোগ্রামের উদ্বোধন করছেন মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীি
নিজস্ব প্রতিবেদক :
মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রথম ১০০ দিনের কার্যক্রম শুরু করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র মোহাম্মদ রেজাউল করিম চৌধুরী। আজ শনিবার সকালে চান্দগাঁও ওয়ার্ডের নতুন থানা চত্বরে এ কার্যক্রম সূচনা করেন তিনি।
এসময় তিনি বলেন, নগরবাসীর প্রত্যক্ষ ভোটে মেয়র পদে ৫ বছরের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হলেও এই সময়ের মধ্যে সকলের শতভাগ আকাঙ্খা ও চাহিদা পূরণ কখনও সম্ভব নয়। এই বাস্তবতার প্রেক্ষিতে অধিকতর জনগুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে ১০০ দিনের মধ্যে সেগুলো ধাপে ধাপে সম্পন্ন করে জনদুর্ভোগ লাঘব ও নাগরিক স্বস্তি প্রদানে আমার সামর্থ্য ও সিটি কর্পোরেশনের সক্ষমতা উজার করে দিতে দৃঢ় প্রত্যয়ী। এই কার্যক্রমে মশকনিধন ও পরিচ্ছন্নতাকে প্রথম অগ্রাধিকার দিয়ে উদ্যোগ গ্রহণের ঘোষণা দিয়ে বলেন, মশার বিস্তার নাগরিক দুর্ভোগ ও অস্বস্তির বড় অসহনীয় উপসর্গ। তাই তা নিরসনে প্রথম ২০ দিনের মধ্যে সময় বেধে দিয়ে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডকে কয়েকটি জোনে ভাগ করে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হবে। তিনি এই অভিযানে স্বপ্রণোদিত হয়ে নগরবাসীদের সম্পৃক্ত হবার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সিটি কর্পোরেশন মশক নিধনের ওষুধ ছিটাবে এবং প্রকাশ্য স্থান ও নালা-নর্দমার স্তুপকৃত আবর্জনা, বর্জ্য পরিস্কার করবে। কিন্তু শুধু এভাবেই মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষা সম্ভব নয়। সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন নাগরিক সচেতনতা। নিজ গরজেই বাসা-বাড়িতে মশক প্রজনন ও উৎপত্তিস্থল বিনাশ এবং বর্জ্য-আবর্জনা সরিয়ে ফেলে নির্দিষ্ট জায়গায় ফেরতে হবে।
মেয়র বলেন, মনে রাখতে হবে সিটি কর্পোরেশন শুধু মেয়রের একার নয়, প্রত্যেক নগরবাসীর। তিনি উল্লেখ করেন, মশক নিধনে সিটি কর্পোরেশনগুলো যে ওষুধ ছিটায়,সেগুলোর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মশার এই ওষুধের মান নির্ণয়ে তা ঢাকায় ল্যাবে পাঠিয়ে যাচাই-বাছাই করা হবে।
নগরবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কোন সমস্যার সমাধান রাতারাতি হবে না। তবে সমস্যা সমাধানে আমি উদ্যোগী এবং সচেষ্ট। যে কোন নাগরিক সমস্যা বা দুর্ভোগ থাকলে তা আমাকে অবগত করা হলে তা নিরসন ও লাঘবে তাৎক্ষণিক কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে।
এসময় স্থানীয় কাউন্সিলর এসারুল হক, মোহাম্মদ শহিদুল আলম, এম আশরাফুল আলম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মফিদুল আলম, চসিক আঞ্চলিক অফিস জোন-৬ এর নির্বাহী কর্মকর্তা আফিয়া আকতার, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, রাজস্ব কর্মকর্তা শাহেদা ফাতেমা, যুগ্ম জেলা জজ জাহানারা ফেরদৌস, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা আকতার নেলী, উপ-সচিব আশেক রসুল চৌধুরী টিপু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রস্তুতি

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রস্তুতি
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কাল। ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান জানাতে প্রস্তুত ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে দেয়ালে শিল্পীর তুলির আঁচড়
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে সামনে রেখে প্রস্তুত হচ্ছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আত্মমর্যাদা নিয়ে চলবো : প্রধানমন্ত্রী

নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আত্মমর্যাদা নিয়ে চলবো : প্রধানমন্ত্রী
ভাষা ও সাহিত্যে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে একুশে পদক গ্রহণ করছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রোজী
নিউজ মেট্রো প্রতিনিধি :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,  আমরা বাঙালি, বাংলা আমাদের দেশ। এই বাংলাদেশ বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলবে, সম্মানের সাথে চলবে, কারো কাছে হাত পেতে নয়, আমরা নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আত্মমর্যাদা নিয়ে চলবো। তিনি বলেন, ১৯৫২ সালের আন্দোলন কেবলমাত্র ভাষাভিত্তিক আন্দোলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, এ আন্দোলন ছিল সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। এই ভাষার পথ ধরেই এসেছে আমাদের স্বাধীনতা। সেধে আমাদের কেউ কিছু দেয়নি, সবকিছু বহুমূল্যেই বাঙালিকে অর্জন করতে হয়েছে।
আজ সকালে একুশে পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক রাজধানীর ওসামানী স্মৃৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২১ জন বিজয়ী বরেণ্য ব্যক্তির হাতে এ পদক তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন।
জাতীয় ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিককে এবার একুশে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। গত ৪ ফেব্রুয়ারি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে তাদের নাম ঘোষণা করা হয়।
এ বছর ভাষা আন্দোলনে তিনজন, মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে তিনজন, শিল্পকলায় সাতজন, ভাষা ও সাহিত্যে তিনজন, সাংবাদিকতা, শিক্ষা, গবেষণা ও অর্থনীতিতে একজন করে মোট ২১ জনকে একুশে পদক প্রদান করা হয়।
ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য এবার মরণোত্তর একুশে পদক পেয়েছেন- মোতাহার হোসেন তালুকদার (মোতাহার মাস্টার), শামছুল হক, অ্যাডভোকেট আফসার উদ্দীন আহমেদ।
শিল্পকলায় পদক পেয়েছেন- কণ্ঠশিল্পী পাপিয়া সারোয়ার, অভিনেতা রাইসুল ইসলাম আসাদ, সালমা বেগম সুজাতা (সুজাতা আজিম), আহমেদ ইকবাল হায়দার (নাটক), সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী (চলচ্চিত্র), ড. ভাস্বর বন্দোপাধ্যয় (আবৃত্তি), ও পাভেল রহমান (আলোকচিত্র)।
মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে গোলাম হাসনায়েন, ফজলুর রহমান খান ফারুক, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দা ইসাবেলা (মরণোত্তর) পদক পেয়েছেন।
সাংবাদিকতায় অজয় দাশগুপ্ত, গবেষণায় অধ্যাপক ড. সমীর কুমার সাহা, শিক্ষায় বেগম মাহফুজা খানম, অর্থনীতিতে ড. মীর্জা আব্দুল জলিল, সমাজসেবায় প্রফেসর কাজী কামরুজ্জামান, ভাষা ও সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য কবি কাজী রোজী, বুলবুল চৌধুরী ও গোলাম মুরশিদ পদক পেয়েছেন।
পুরস্কার হিসেবে স্বর্ণ পদক, সনদপত্র এবং চার লাখ টাকার নগদ অর্থের চেক প্রদান করা হয়। এবারের ২১ জনসহ এযাবত মোট ৫২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৩টি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক প্রদান করা হয়েছে। আর ২০১৮ সাল থেকে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২১-এ উন্নীত করা হয়।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
শেখ হাসিনা একুশে পদক প্রাপ্তদের উদ্দেশে বলেন, ‘আজকে অমর ভাষা দিবসের যে স্বীকৃতি আপনারা পেয়েছেন তা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্যই পেয়েছেন। কাজেই আপনাদের কাছ থেকেই আগামী প্রজন্ম অনেক শিক্ষা নিতে পারবে।
তিনি বলেন, পুরস্কার দেশের শিল্প, সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা, সংস্কৃতি চর্চা ও সমাজসেবাসহ বিভিন্ন কাজে অবদানের জন্যই এই সম্মাননা। সেজন্য আমি মনে করি এটা শুধু আপনাদের সম্মাননা নয়, গোটা জাতির জন্য সম্মাননা। দেশের মানুষের জন্য সম্মাননা।

মন্ত্রি পরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম পদক বিজয়ীদের সাইটেশন পাঠ করেন এবং পুরস্কার বিতরণ পর্বটি সঞ্চালনা করেন। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো.বদরুল আরেফীন স্বাগত বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং সংসদ সদস্য, উচ্চ পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, দেশ বরেণ্য ব্যক্তিত্ব, কবি, সহিত্যিক,লেখকসহ বুদ্ধিজীবী এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কিংবদন্তী অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের চিরবিদায়

কিংবদন্তী অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের চিরবিদায়
নিজস্ব প্রতিবেদক :
লাখো ভক্ত অনুরক্তদের চোখের জলে ভাসিয়ে চিরবিদায় নিলেন কিংবদন্তী অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান।দু’দফা জানাযা শেষে আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
এর আগে সকাল নয়টার দিকে সূত্রাপুরের নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন দেশের এই খ্যাতিমান অভিনেতা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল 80 বছর।
রাষ্ট্রপ্রতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপ্রতি তাঁর শোক বার্তায় বলেন, এটিএম শামসুজ্জামানের মৃত্যু দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। বাংলাদেশে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশে তার অবদান দেশের জনগণ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। রাষ্ট্রপতি হামিদ মরহুম শামসুজ্জামানের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর শোকবার্তায় বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পে অসাধারণ নৈপূণ্য প্রদর্শনের জন্য মরহুম শামছ্জ্জুামান দেশের জনগণের অন্তরে আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।প্রধানমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
বরণ্যে অভিনেতা এটিএম শামছুজ্জামানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। এক শোক বার্তায় তথ্যমন্ত্রী মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করেন ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সর্বজননন্দিত শিল্পী এটিএম শামছুজ্জামান তার অনন্য অভিনয় শিল্পের মাধ্যমে দেশের মানুষের হৃদয়ে আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন এটিএম শামসুজ্জামান । তাঁর পুরো নাম আবু তাহের মোহাম্মদ শামসুজ্জামান। গ্রামের বাড়ি লক্ষীপুর জেলার ভোলাকোটের বড় বাড়ি আর ঢাকায় থাকতেন দেবেন্দ্রনাথ দাস লেনে। পড়াশোনা করেছিলেন ঢাকার পগোজ স্কুল, কলেজিয়েট স্কুল, রাজশাহীর লোকনাথ হাই স্কুলে। পগোজ স্কুলে তার বন্ধু ছিলেন আরেক অভিনেতা প্রবীর মিত্র। ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন ময়মনসিংহ সিটি কলেজিয়েট হাই স্কুল থেকে। তারপর জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হন। তার পিতা নূরুজ্জামান ছিলেন নামকরা উকিল এবং শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের সঙ্গে রাজনীতি করতেন। মাতা নুরুন্নেসা বেগম। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে শামসুজ্জামান ছিলেন সবার বড়।
এটিএম শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্র জীবনের শুরু ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধূরির বিষকন্যা চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে। এছাড়াও খান আতাউর রহমান, কাজী জহির, সুভাষ দত্তদের সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। প্রথম কাহিনী ও চিত্রনাট্য লিখেছেন জলছবি (১৯৭১) চলচ্চিত্রের জন্য। ছবির পরিচালক ছিলেন নারায়ণ ঘোষ মিতা, এ ছবির মাধ্যমেই অভিনেতা ফারুকের চলচ্চিত্রে অভিষেক।
তিনি কৌতুক অভিনেতা হিসেবে যাদুর বাঁশি, রামের সুমতি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ১৯৮৭ সালে তার নিজের লেখা কাহিনিতে আফতাব খান টুলুর দায়ী কে? চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।[৬]
২০০৯ সালে শাবনূর-রিয়াজ জুটির এবাদত ছবি দিয়ে তার চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে অভিষেক ঘটে। তিনি রেদওয়ান রনি পরিচালিত চোরাবালি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব-চরিত্রে অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

কারিনা হাসপাতালে- আসছে নতুন অতিথি

0
কারিনা হাসপাতালে- আসছে নতুন অতিথি

বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর ও সাইফ আলি খানের ঘরে আসছে নতুন অতিথি। ইতিমধ্যে কারিনাকে ভর্তি করা হয়েছে মুম্বাইয়ের বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে। এদিকে সন্তান আসার আগেই কারিনার বাড়িতে রীতিমত উপহারের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।

উপহার পেয়ে ইনস্টাগ্রাম স্টোরির মাধ্যমে এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে ধন্যবাদ জানালেন কারিনা। দেখা গেল, অনেক ধরনের উপহার এবং নানা রঙের ফুল পাঠানো হয়েছে হবু মা-কে। সদ্য বিবাহিত দিয়া মির্জা এবং বৈভব রেখিও উপহারস্বরূপ একটি চারাগাছ পাঠিয়েছেন কারিনাকে। তার ছবি শেয়ার করে জীবনের নতুন অধ্যায়ের জন্য নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কারিনা।

কারিনার বাবা রণধীর কাপূর জানিয়েছিলেন ১৫ ফেব্রুয়ারি জন্ম নিতে পারে করিনার দিত্বীয় সন্তান। তবে দেখা যাচ্ছে, নতুন অতিথির জন্য আরও একটু অপেক্ষা করতে হবে। সে আসার প্রাক্কালে দাদু দিদা অর্থাৎ রণধীর কাপূর এবং ববিতা কাপূরকে প্রার্থনার জন্য দেখা গিয়েছিল মুম্বইয়ের মাউন্ট মেরি চার্চে। শুক্রবার সকালে অ্যানিম্যাল প্রিন্টের কাফতান পরে তৈমুরকে নিয়ে দেখা গেল কারিনাকে। বিকেলেই তাঁকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। আপাতত সুখবরের আশায় দিন গুনছেন সাইফ-কারিনা।

সূত্র : আনন্দবাজার

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক পাচ্ছেন অধ্যাপক রফিক, মথুরা ও ইসমাইলভ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক পাচ্ছেন অধ্যাপক রফিক, মথুরা ও ইসমাইলভ
অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা ও ইসমাইলভ গুলম মিরজায়েভিচ
নিউজ মেট্রো ডেস্ক :
মাতৃভাষা সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন, বিকাশ, চর্চা, প্রচার-প্রসারে অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে  ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক’ পাচ্ছেন তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। এরা হলেন- জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, খাগড়াছড়ির জাবারাং সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা ও উজবেকিস্তানের গবেষক ইসমাইলভ গুলম মিরজায়েভিচ। একই সঙ্গে লাতিন আমেরিকার আদি ভাষাগুলো নিয়ে কাজ করা বলিভিয়ার অনলাইন উদ্যোগ অ্যাক্টিভিজমো লেংকুয়াস পাচ্ছেন এই পদক । রোববার বিকেলে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক প্রদান করবেন।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়েছে।
এদের মধ্যে,  জাতীয় পর্যায়ে মাতৃভাষার সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন ও বিকাশে অবদানের জন্য ২০২১ সালে জাতীয় অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এ পুরস্কার পাচ্ছেন।আর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণে অবদানের জন্য খাগড়াছড়ির জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা পাচ্ছেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক। এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উজবেকিস্তানের গবেষক ইসমাইলভ গুলম মিরজায়েভিচ এবং লাতিন আমেরিকার আদি ভাষাগুলো নিয়ে কাজ করা বলিভিয়ার অনলাইন উদ্যোগ অ্যাক্টিভিজমো লেংকুয়াস এ বছর বাংলাদেশ সরকারের এ সম্মাননা পাচ্ছেন।

নিউজিল্যান্ড সফরে ওয়ানডে দলের নেতৃত্বে তামিম

নিউজিল্যান্ড সফরে ওয়ানডে দলের নেতৃত্বে তামিম
From left, Ariful Haque, lMushfiqur Rahim, Liton Das, Mehidy Hasan Miraz, Mustafizur Rahman, Tamim Iqbal and Mahmudullah of Bangladesh during a match between West Indies and Bangladesh at Warner Park, Basseterre, St. Kitts, on July 31, 2018.
নিউজ মেট্রো ডেস্ক :
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের আসন্ন নিউজিল্যান্ড সফরে ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব দেবেন তামিম ইকবাল। অন্যদিকে টি-টুয়েন্টির নেতৃত্বে থাকবেন মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ। শুক্রবার বিকেলে ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টির জন্য ২০ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।  ঘোষিত দলের খেলোয়াড়রা হলেন- তামিম ইকবাল, লিটন দাস, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, নাঈম ইসলাম, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন ধ্রুব, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, সাইফউদ্দিন, মেহেদি হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, তাসকিন আহমেদ, নাসুম আহমেদ, হাসান মাহমুদ, শরিফুল ইসলাম, আল-আমিন হোসেন, মোহাম্মদ মিঠুন ও শেখ মেহেদী হাসান।
আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশে রওয়ানা দেবেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। সেখানে পাঁচ দিনের অনুশীলন শেষে ২০, ২৩ ও ২৬ মার্চ ওয়ানডে ম্যাচ এবং ২৮, ৩০ মার্চ ও ১ এপ্রিল টি-টুয়েন্টি ম্যাচে অংশ নেবেন তাঁরা।
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের সূচী-
ওয়ানডে  :
১ম ওয়ানডে : ২০ মার্চ, ইউনিভার্সিটি ওভাল, ডুনেডিন
২য় ওয়ানডে : ২৩ মার্চ, হ্যাগলি ওভাল, ক্রাইস্টচার্চে
৩য় ওয়ানডে : ২৬ মার্চ, বেসিন রিজার্ভ,ওয়েলিংটন
টিটোয়েন্টি :
১ম টি-টোয়েন্টি : ২৮ মার্চ, সেডন পার্ক, হ্যামিল্টন
২য় টি-টোয়েন্টি : ৩০ মার্চ, ম্যাকলিন পার্ক, নেপিয়ার
৩য় টি-টোয়েন্টি : ১ এপ্রিল, ইডেন পার্ক, অকল্যান্ড

বেঁধে দেয়া দামে ভোজ্যতেল বিক্রি নিশ্চিতে কঠোর নজরদারির দাবি

বেঁধে দেয়া দামে ভোজ্যতেল বিক্রি নিশ্চিতে কঠোর নজরদারির দাবি
সরকারের বেঁধে দেয়া নির্ধারিত মূল্যে ভোজ্যতেল বিক্রি নিশ্চিতে কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।  নজরদারিতে আন্তরিকতার ঘাটতি হলে এ উদ্যোগের সফলতা নিয়ে সংশয় থেকে যাবে বলেও মন্তব্য করেন ক্যাব নেতৃবৃন্দ।
এক বিবৃতিতে, ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, ক্যাব মহানগরের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, সাধারণ সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু ও ক্যাব চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান বলেন, বেশ কয়েকমাস ধরে অস্থির ভোজ্যতেলের অস্থিরতা ঠেকাতে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছেন অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বিপণন-সংক্রান্ত সরকারি কর্মকতা ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় কমিটি। অত্যাবশ্যকীয় ভোগ্য পণ্যের মূল্য নির্ধারণ সরকারের শীর্ষ মহলের আন্তরিকতার বর্হিপ্রকাশ। কিন্তু নির্ধারিত মূল্য কার্যকরে মাঠ পর্যায়ে যথাযথ নজরদারিতে আন্তরিকতার ঘাটতি হলে এ উদ্যোগের সফলতা নিয়ে সংশয় থেকে যায়। 
বিবৃতিতে বলা হয় সরকার নির্ধারিত প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল মিলগেটে ১০৭ টাকা, পরিবেশক পর্যায়ে ১১০ টাকা এবং খুচরা মূল্য ১১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াাবিন তেল মিলগেটে ১২৩ টাকা, পরিবেশক পর্যায়ে ১২৭ টাকা এবং খুচরা বিক্রয় মূল্য ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাঁচ লিটার বোতলজাত সয়াবিন মিলগেটে ৫৯০ টাকা, পরিবেশক পর্যায়ে ৬১০ টাকা এবং খুচরা বিক্রয় মূল্য ৬৩০ টাকা করা হয়েছে। যা ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা আর্ন্তজাতিক বাজারের দোহাই দিয়ে দেশীয় ট্যারিফ কমিশনের আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে বর্ধিত মূল্যকে প্রকারান্তরে সরকারি স্বীকৃতি প্রদান বলে মতপ্রকাশ করেন। ভোজ্যতেল একটি আমদানিকৃত পণ্য। ট্যারিফ কমিশনের অনুমতি ব্যতিরেকে মূল্য বাড়ানো যায় না। আর যেহেতু মোড়কে বিক্রি হয়। সেকারনে মোড়কের গায়ের চেয়ে বেশী মূল্যে বিক্রিতে নিষেধ। তারপরও ব্যবসায়ীরা বাড়তি মূল্যে বিক্রি করছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয় ইতিপূর্বে সরকার আলুর দাম বেঁধে দিয়েছিলো কিন্তু বেঁধে দেয়া দামে আলু পাওয়া যায় নি। ২/১টি জায়গায় স্থানীয় প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করলে ব্যবসায়ীরা দোকান পাট বন্ধ করে ধর্মঘট করলে আর কোন ব্যবস্থা নিতে পারে নি। উর্ধ্বমূখী চালের বাজারেও দাম বেঁধে দিয়ে, শুল্ক কমিয়ে, বিদেশ থেকে চাল আমদানি করেও কোন ভাবেই অসাধু ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়নি। চিহ্নিত অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহনে সক্ষম হন নি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয় নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন সরকারের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা। জেলা, উপজেলা প্রশাসন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, সিটি করপোরেশন, ভোক্তা প্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত বাজার তদারিক অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি ও অস্থিরতা ঠেকানো সম্ভব। মজুতদারি ঠেকাতে আইনের কঠোর প্রয়োগ, ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। অসাধু ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে নগদ অর্থ দন্ডের পাশাপাশি প্রয়োজনে জেল-জরিমানা নিশ্চিত করতে হবে। আর এ ধরণের সমাজবিরোধী কাজে জড়িতদের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর আশ্রয়-প্রশ্রয় বন্ধ করতে হবে। একই সাথে দ্রুততম সময়ের মধ্যে টিসিবির মাধ্যমে আর্ন্তজাতিক উৎস থেকে নিত্যপণ্যের আপৎকালীন মজুত বাড়াতে হবে। টিসিবির মাধ্যমে ন্যায্য মূল্যে পণ্যবিক্রিকে নাগরিক পরীবিক্ষণের আওতায় আনা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

‘স্মার্টফোন : এ পাওয়ারফুল বায়োমেডিকেল টুল’ শীর্ষক ওয়েবিনার

‘স্মার্টফোন : এ পাওয়ারফুল বায়োমেডিকেল টুল’ শীর্ষক ওয়েবিনার
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে ‘স্মার্টফোন : এ পাওয়ারফুল বায়োমেডিকেল টুল’ শীর্ষকে এক ওয়েবিনার বুধবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগের চেয়ারম্যান টোটন চন্দ্র মল্লিক এতে সভাপতিত্ব করেন। প্রধান আলোচক ছিলেন প্রকৌশল ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. তৌফিক সাঈদ।
বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন মুন্নার সঞ্চালনায় এই ওয়েবিনারে কী-নোট স্পিকার হিসেবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন শিক্ষক ও বর্তমানে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. তানজিলুর রহমান। মূল প্রবন্ধে ড. তানজিলুর রহমান স্মার্টফোনের বিভিন্ন সেন্সর, যেমন ম্যাগনেটোমিটার, অক্সিমিটার কিংবা জায়রোস্কোপ ব্যবহার করে আমাদের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিভিন্ন ডাটা বা তথ্য অর্থাৎ হার্ট রেট, রক্তের অক্সিজেনের পরিমাণ, এমনকি ইসিজি সিগন্যাল পদ্ধতি কিভাবে পাওয়া যায় তা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বিভিন্ন গবেষণা-পত্রের উদাহরণ দিয়ে তুলে ধরেন, কিভাবে স্মার্টফোনের সেন্সরগুলো ব্যবহার করে আমরা আরো অনেক ধরনের বায়োমেডিকেল টুলসে পরিণত করতে পারি আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় মোবাইলকে।
প্রধান আলোচক প্রফেসর ড. তৌফিক সাঈদ বলেন, আমাদের চিন্তার পরিধিকে অনেক বেশি বাড়াতে হবে। আমরা যে-মোবাইল ফোনকে আজ শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ার হাই-হ্যালোর জন্য ব্যবহার করি, সেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করেই পুরো বিশ্বে আজ বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর বিভিন্ন সেক্টরে কাজ হচ্ছে। আমি আশা করি, ভবিষ্যতে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে নতুন নতুন গবেষণার দ্বার উন্মুক্ত হবে।
অনলাইন মাধ্যম জুম ও ফেইসবুকে অনুষ্ঠিত এই ওয়েবিনারে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ১১৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। শেষে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন কী-নোট স্পিকার ড. তানজিলুর রহমান।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বিডিনিউজের ওপর অনৈতিক চাপ প্রয়োগের নিন্দা সিইউজে’র

বিডিনিউজের ওপর অনৈতিক চাপ প্রয়োগের নিন্দা সিইউজে’র

দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন পোর্টাল বিডিনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম এর পুরোনো প্রতিবেদন মুছে ফেলার জন্য বিশেষ মহলের অনৈতিক চাপ প্রয়োগের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে)। এ ঘটনাকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন সিইউজে নেতৃবৃন্দ।
এক বিবৃতিতে সিইউজে সভাপতি মোহাম্মদ আলী ও সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত সংবাদে কোন ধরণের ত্রæটি থাকলে তা সংশোধনেরও প্রক্রিয়া আছে। কিন্তু বিডিনিউজে বিভিন্ন সময় প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদন পোর্টাল থেকে মুছে দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের একের পর এক উকিল নোটিশ প্রেরণ ও মামলা দেয়ার হুমকি সম্পূর্ণ অনাকাঙ্খিত এবং কোনভাবেই মেনে নেয়ার মত নয়।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ গণমাধ্যমের ওপর এ ধরণের অনৈতিক চাপ প্রয়োগ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহŸান জানিয়ে বলেন, অন্যথায় দেশে গণমাধ্যমকর্মীরা নিজেদের অস্তিত্বের স্বার্থে এ ধরণের অপতৎপরতার বিরূদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি