July 14, 2026
_116916167_gettyimages-1230690667

নিউজ মেট্রো ডেস্ক :

চীনে নিষিদ্ধ হলো বিবিসি। বৃহস্পতিবার চীনের প্রশাসন জানিয়ে দিয়েছে, তারা বিবিসির লাইসেন্স আর নবায়ন করবে না। ফলে চীনে বিবিসি আর দেখা যাবে না। চীনের অভিযোগ, বিবিসি সত্য সংবাদ পরিবেশন করে না এবং তাদের সংবাদ দেশের জাতীয় স্বার্থের বিরোধী। এক সপ্তাহ আগেই যুক্তরাজ্যের মিডিয়া রেগুলেটর অফকম দেশে চীনের জাতীয় টেলিভিশন চায়নাজ গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্কের (সিজিটিএন) প্রচার বন্ধ করেছিল। তারই জেরে চীন বিবিসি বন্ধ করল কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রতি বছরই লাইসেন্সের মেয়াদবৃদ্ধির জন্য চীনের প্রশাসনের কাছে আবেদন জানায় বিবিসি। এক বছরের জন্য তাদের মেয়াদও বৃদ্ধি হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার চীনের প্রশাসন জানিয়ে দেয়, এবছর তারা বিবিসির মেয়াদবৃদ্ধি করবে না। অর্থাৎ, চীনে আর বিবিসি দেখা যাবে না। দেশে ওই চ্যানেলটিকে নিষিদ্ধ করা হল। চীনের বক্তব্য, বিবিসি সত্য খবর পরিবেশন করে না। চীনের সার্বভৌমত্বে আঘাত লাগে, এধরনের খবর সেখানে পরিবেশিত হয়। শুধু তাই নয়, বিবিসিরি খবর দেশের জাতীয় স্বার্থের বিরোধী বলেও অভিযোগ করেছেন চীন।

বিবিসি অবশ্য এর উত্তর দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, গোটা বিশ্বে সৎ এবং সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের জন্য খ্যাত বিবিসি। চীনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

চীনে অবশ্য আগেও সর্বত্র বিবিসি দেখা যেত না। কেবল-টিভির বিভিন্ন চ্যানেল প্যাকেজে বিবিসি নেই। তবে বিভিন্ন হোটেলে বিবিসির সম্প্রচার দেখা যেত। নিষিদ্ধ হওয়ায় এবার আর তাও দেখা যাবে না।

এদিকে এক সপ্তাহ আগেই যুক্তরাজ্যের সংবাদ রেগুলেটর সংস্থা অফকম যুক্তরাজ্যে চীনের জাতীয় টেলিভিশনের প্রচার বন্ধ করেছিল। চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্কের সম্প্রচার বন্ধ করা হয়েছিল কিছু আইনি জটিলতার কারণে। যে ভাবে ওই চ্যানেলটি যুক্তরাজ্যে লাইসেন্স নিচ্ছিল, তা বেআইনি বলে দাবি করে অফকম। পরে অবশ্য চীন জানায়, তারা আইনি পথে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করবে। কিন্তু অফকম তাতেও রাজি হয়নি। তাদের বক্তব্য, চ্যানেলটি নিয়ন্ত্রণ করে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি। ফলে নতুন করে তাদের আবেদন গ্রহণ করা হবে না। এর এক সপ্তাহের মধ্যেই বিবিসিকে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা করে চীন।

সূত্র : রয়টার্স, এএফপি, বিবিসি, ডয়চেভেলে

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *