বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশন নির্বাচনে সম্মিলিতি পরিষদে প্যানেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশন (বিএসএএ) নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে ‘সম্মিলিত পরিষদ’। সোমবার রাতে চট্টগ্রামের হোটেল আগ্রাবাদে প্যানেল পরিচিতি সভায় এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। এসময় পরিষদের আহŸায়ক মোহাম্মদ ওসমান গনি চৌধুরী বলেছেন, এসোসিয়েশনের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সম্মিলিত পরিষদ ঐক্যমতের ভিত্তিতে সবাইকে সাথে নিয়ে কাজ করতে চায়। ব্যক্তিগত স্বার্থে এসোসিয়েশনকে ব্যবহার করবে না পরিষদ।
আগামী ৪এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশনের নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত পরিষদ ও শাহেদ সরওয়ারের নেতৃত্বাধীন ‘শাহেদ সরওয়ার প্যানেল’ সরাসরি প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছে।
গম্মিলিত পরিষদ ঘোষিত ১১দফা ইশতেহারের মধ্যে রয়েছে- ঐক্যমতের ভিত্তিতে সবাইকে নিয়ে কাজ করা, সাব-কমিটিগুলোকে কার্যকর করার জন্য কন্টেইনার, বাল্ক, ট্যাংকার ইত্যাদির জন্য অভিজ্ঞদের নিয়ে কমিটি গঠন, প্রতি তিন মাস অন্তর সব সদস্যকে নিয়ে সভা করে সমস্যার সমাধানে কার্যকরী ভূমিকা রাখা, সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ইত্যাদি।
ঐক্যমতের ভিত্তিতে সবাইকে নিয়ে কাজ করা, সাবকমিটিগুলোকে কার্যকর করার জন্য কন্টেইনার, বাল্ক, ট্যাংকার ইত্যাদির জন্য অভিজ্ঞদের নিয়ে কমিটি গঠন, প্রতি তিন মাস অন্তর সব সদস্যদের নিয়ে সভা করে সমস্যার সমাধানে কার্যকরী ভূমিকা রাখা, সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ইত্যাদি। সম্মিলিত পরিষদের প্যানেল লিডার সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ এ ইশতেহার ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিষদের আহŸায়ক মোহাম্মদ ওসমান গনি চৌধুরী, প্রবীণ শিপিং ব্যক্তিত্ব আতাউল করিম চৌধুরী, কাজি এম ডি চৌধুরী, মোহাম্মদী শিপিংয়ের পরিচালক নাইম, লিটমন্ড শিপিংয়ের পরিচালক মো. বেলায়েত হোসেন, রেডিয়েন্ট শিপিং এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর শফিকুল আলম জুয়েল প্রমুখ।
সম্মিলিত পরিষদের প্যানেল লিডার সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর উৎসব মূখর পরিবেশে এই সংগঠনটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন না হওয়ায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সভায় এসোসিয়েশনের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে। সাধারণ সদস্যদের স্বার্থ রক্ষায় এবারের নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সম্মিলিত পরিষদ সবসময় সাধারণ সদস্যদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে এসেছে। আগামী দিনেও সদস্যদের পাশে সবসময় থাকার অঙ্গীকার করছি।
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদী শিপিংয়ের পরিচালক কাজি এম ডি আবু নাইম বলেন, অতীতে আমরা দেখেছি বন্দর ও কাস্টমসসহ বিভিন্ন সংস্থায় অনেকে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধিতে ব্যস্ত ছিলো। এর বড় প্রমাণ হলো গভীর সাগরে পাইলটিং দায়িত্ব পাচ প্রতিষ্ঠান বাগিয়ে নেওয়া, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিজেদের জাহাজ ভিড়ানোর জন্য তদবির ইত্যাদি। এরা কারা-তা সাধারণ সদস্যরা সবাই জানেন। সাধারণ সদস্যদের স্বার্থবিরোধী কর্মকান্ডে যারা যুক্ত তাদেরকে হঠাতে হলে সম্মিলিত পরিষদের বিকল্প নেই।
সম্মিলিত পরিষদের প্রার্থীরা হলেন- এসোসিয়েট ক্যাটাগরিতে- মোহাম্মদ শফিকুল আলম জুয়েল, মো. রেয়াজ উদ্দিন খান, শামসুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (মিনার), খায়রুল আলম (সুজন), প্রবীর সিনহা, ওয়াহিদ আল নাজমুল হক এবং নজরুল ইসলাম। অর্ডিনারি ক্যাটাগরিতে- সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ, সৈয়দ ইকবাল আলী শিমুল, ওসমান গনি চৌধুরী, মো. আজফার আলী, ক্যাপ্টেন সৈয়দ সোহেল হাসনাত, মো. সাজ্জাদুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মুনতাসির রুবাইয়াত, আবু খালেদ মোহাম্মদ শাকিল আহসান, মোহাম্মদ আসিফ ইফতেখার হোসেন, মোহাম্মদ জিয়াউল কাদের, এস এম মাহবুবুর রহমান, এসএম এনামুল হক, এটিএম শহিদুল্লাহ, তানজিল আহমেদ রুহুল্লাহ এবং শহিদুল মোস্তাফা চৌধুরী।