Home Blog Page 21

হাইতিতে ভূমিকম্পে নিহত ১২৯৭

হাইতিতে ভূমিকম্পে নিহত ১২৯৭

নিউজ মেট্রো ডেস্ক :

ক্যারিবিয়া অঞ্চলের দ্বীপরাষ্ট্র হাইতিতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৯৭ জনে। ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত পাঁচ হাজার ৭০০ জন। খবর বিবিসির।

হাইতির স্থানীয় সময় গত শনিবার সকালে (১৪ আগস্ট) এই ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিলো ৭ দশমিক ২।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাইতির পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে অনেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ধর্মীয় উপাসনালয় ও হোটেল রয়েছে।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল হেনরি এই ভূমিকম্পকে ‘ব্যাপক ক্ষতি’ বলে আখ্যায়িত করে এক মাসের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, হাইতির সেন্ট লুইস দু সুদ শহরের ১২ কিলোমিটার দূরে ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পের উৎপত্তি। এ জায়গাটি রাজধানী পোর্ট–অ–প্রিন্স থেকে ১৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে। পোর্ট–অ–প্রিন্সেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

সোমবার পদত্যাগ করবেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

সোমবার পদত্যাগ করবেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
নিউজ মেট্রো ডেস্ক :
ক্ষমতাসীন জোটের অন্তর্দ্বন্দ্বে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পরিপ্রেক্ষিতে আগামীকাল সোমবার পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন। তিনি এদিন মালয়েশিয়ার রাজা আল সুলতান আবদুল্লাহ’র কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির অনলাইন সংবাদ মাধ্যম ‘মালয়েশিয়াকিনি’।
মালয়েশিয়াকিনি’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েকটি দলের সমর্থন পেয়ে গত বছর মার্চে ন্যূনতম সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় বসেন মুহিউদ্দিন ইয়াসিন। কিন্তু জোটের বৃহত্তর শরিক দল ইউনাইটেড মালয়’স ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন থেকে নির্বাচিত পার্লামেন্ট সদস্যরা সম্প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে নিলে মুহিউদ্দিন ইয়াসিনের ভবিষ্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে। এ অবস্থায় তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।
এদিকে মুহিউদ্দিন ইয়াসিনের পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা প্রচার হবার পর নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হচ্ছেন- তা নিয়ে জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছে। করোনা মহামারীর মধ্যে এই মুহূর্তে সেখানে নতুন করে নির্বাচন হবে কি না, তা নিশ্চিত নয়। পরবর্তীকালে মালয়েশিয়ায় ঠিক কী হবে, তা নির্ভর করছে রাজা আলসুলতান আবদুল্লাহর সিদ্ধান্তের ওপর। এক্ষেত্রে তিনি কাউকে অন্তবর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বও দিতে পারেন বলে ধারণা করা হ্চ্ছে।

জাতীয় শোক দিবসে সিইউজে ও প্রেস ক্লাবের আলোচনা সভা

জাতীয় শোক দিবসে সিইউজে ও প্রেস ক্লাবের আলোচনা সভা
নিজস্ব প্রতিবেদক :
বঙ্গবন্ধুর ম্যূরালে শ্রদ্ধা নিবেদন, মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব। আলোচনা অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর পলাকত খুনিদের দেশে ফিরিয়ে ফাঁসি কার্যকর করার দাবির জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।
স্বাধীনতার মহান স্থপতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব এবং চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে)’র যৌথ উদ্যোগে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে সকালে অর্ধনমিতভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল এগারটায় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং সকাল সাড়ে এগারটায় ক্লাবের এস রহমান হলে কোরআন খানি, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন নিউ মনসুরাবাদ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ ছদর উদ্দিন ফারুকী।

সংক্ষিপ্ত আলোচনা করতে গিয়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি আলহাজ¦ আলী আব্বাস বলেন, ৭৫ এর পনেরো আগস্টের পরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবেই বঙ্গবন্ধুর স্মরণে ১৫ আগস্ট দোয়া মাহফিলসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছে।  সেই ধারাবাহিকতা আজও আছে। ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে আজকের প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে সাংবাদিক সমাজকে আরো অগ্রণী ভ‚মিকা পালন করতে হবে। যেহেতু বঙ্গবন্ধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি বাঙালি জাতির জনক এবং হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি।
বক্তারা বলেন, জাতির জনকের যে সকল খুনিরা এখনো পলাতক তাদের দেশে এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে। একইসাথে বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যে যারা ছিলেন এবং পরবর্তীতে লাভবান (বেনিফিশিয়ারি) হয়েছেন তাদেরও বিচারের আওতায় আনার দাবী জানান।
সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ। চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শামসুল ইসলামের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী।
এ সময় চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এম. নাসিরুল হক, মোসতাক আহমদ, শহীদ উল আলম, চট্টগ্রাম সাংবাদিক কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির সাবেক চেয়ারম্যান মঈনুদ্দিন কাদেরী শওকত, প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি সালাহউদ্দিন মো. রেজা, সহসভাপতি স ম ইব্রাহীম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী সিইউজের সহ সভাপতি অনিন্দ্য টিটো, যুগ্ম সম্পাদক সবুর শুভ, প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন হায়দার, ক্রীড়া সম্পাদক দেবাশীষ বড়–য়া দেবু, গ্রন্থাগার সম্পাদক মিন্টু চৌধুরী, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলীউর রহমান, কার্যকরী সদস্য শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, দেবদুলাল ভৌমিক, মনজুর কাদের মনজুসহ সাংবাদিক সংগঠনসমূহের বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি আফগান প্রেসিডেন্ট গণি

কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি আফগান প্রেসিডেন্ট গণি
নিউজ মেট্রো ডেস্ক :
আফগানিস্তানের চব্বিশটি প্রদেশের মধ্যে ২৩টির রাজধানী নিজেদের দখলে নিয়েছে তালেবানরা। এখন কাবুল অভিমুখে যাত্রা করেছে তাঁরা। এ পরিস্থিতিতে কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে পড়েছেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি। ২৩টি প্রদেশ হারিয়েও তিনি কি কাবুল রক্ষায় লড়াই করবেন নাকি আত্মসমর্পণ করবেন-এ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা।
শনিবার দেশটির উত্তরের শহর মাজার-ই-শরীফ দখল করে তালেবানরা। এরপর আজ রবিবার সকালে আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলের শহর জালালাবাদ বিনা যুদ্ধে দখলে নেয় তারা। এখন শুধুমাত্র কাবুল শহরটিই সরকারের নিয়ন্ত্রণে আছে।
সরকারি বাহিনীগুলোর এমন বিপর্যয়ের পর আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ গানির ওপর পদত্যাগের চাপ বাড়ছে। কাবুলে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে লড়াই করবে নাকি আত্মসমর্পণ করবে এই কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি এখন আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট।
এদিকে বিপর্যস্ত দেশটি থেকে নিজেদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়ার জন্য ৫০০০ সৈন্য পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে আমেরিকা। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আফগানিস্তান থেকে সৈন্য সরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে বলেন, “অন্য দেশের অভ্যন্তরীন দ্বন্দ্ব মেটাতে অনন্তকাল ধরে কোন দেশে আমেরিকার অবস্থান জানান দেয়ার সমর্থন করা যায় না।”
রবিবার সকালে জালালাবাদ দখলে নেয়ার মানে, তালেবানরা দেশটির সাথে পাকিস্তানের সংযোগকারী সড়কগুলোও নিজেদের করে নিয়েছে।
আফগানিস্তানের চতুর্থ বৃহত্তম শহর এবং বলখ প্রদেশের রাজধানী মাজার-ই-শরীফ দখল করে নেয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই জালালাবাদ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় তালেবানরা, মাজার-ই-শরীফ আয়ত্বে নিতেও কোন সংঘাতের প্রয়োজন হয়নি।

শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন
নিউজ মেট্রো ডেস্ক :
জাতীয় শোক দিবসে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কের ঐতিহাসিক বাড়িতে  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী আজ ভোরে সেখানে যান এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের সামনে রক্ষিত প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণের মাধ্যমে স্বাধীনতার এই মহান স্থপতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
প্রতিকৃতির বেদীতে পুষ্পার্ঘ অর্পণের পর বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বিউগেলে করুন সুর বাজানো হয় এবং সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত চৌকষ দল জাতির পিতাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের শহিদদের স্মরণে এ সময় বিশেষ মোনাজাতও অনুষ্ঠিত হয়।
পুষ্পাঞ্জলী অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী ধানমন্ডী ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়িটিতে প্রবেশ করে সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন। যেখানে ৪৬ বছর আগে ইতিহাসের এক বর্বরতম হত্যাযজ্ঞ সাধিত হয় এবং পরে বাড়িটিকে জাদুঘওে রূপান্তরিত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী সেখান থেকে বনানী কবরস্থানে যান। যেখানে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা, তাঁর ভাই শেখ কামাল, শেখ জামাল এবং শেখ রাসেলসহ ১৫ আগস্টের শহিদরা শায়িত রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের কবরে গোলাপের পাঁপড়ি ছড়িয়ে দেন। সেখানে তিনি ফাতেহা পাঠ করেন এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা ও দোয়া করেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে সেনাবাহিনীর কতিপয় বিপথগামী সদস্য বঙ্গবন্ধুকে তাঁর ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারে হত্যা করে। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা  বেগম ফজিলাতুন্নেছা, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল।
পৃথিবীর এই জঘন্যতম হত্যাকান্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ, মেয়ে বেবি ও নাতী সুকান্তবাবু। বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৮ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন।  এ সময় বঙ্গবন্ধুর দু’কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান।

সূত্র-বাসস

দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার আসামী বিগ্রেডিয়ার (অব.) আবদুর রহিমের মৃত্যু

দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার আসামী বিগ্রেডিয়ার (অব.) আবদুর রহিমের মৃত্যু
নিজস্ব প্রতিবেদক :
করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দী আসামী  জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই’র সাবেক পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম। করোনা আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। রবিবার ৮টা ১৪ মিনিটে সেখানেই আইসিইউতে তাঁর মৃত্যু হয়। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ও হাসপাতাল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কাশিমপুর কারাগার-২ এ কনডেম সেলে বন্দী থাকাবস্থায় গত ২৬ জুলাই আবদুর রহিমের করোনা সনাক্ত হয়। এরপর তাঁকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ৩১ জুলাই তাঁকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে ৫নম্বর ওয়ার্ডের করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয় তাঁকে। পরে অবস্থা খারাপ হওয়ায় আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত দশ ট্রাক অস্ত্র আটক মামলায় ২০০৯ সালে ১৬মে গ্রেফতার করা হয় এনএসআই’র সাবেক পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিমকে। ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুজিবুর রহমান  এ মামলায় সাবেক মন্ত্রী ও জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী, বিএনপি নেতা সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিমসহ ১৪ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। বর্তমানে এটি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।##

হাইতিতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৩ শতাধিক নিহত

হাইতিতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৩ শতাধিক নিহত
নিউজ মেট্রো ডেস্ক :
ক্যারিবিয় অঞ্চলের দেশ হাইতিতে ৭ দশমিক ২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখনো পর্যন্ত ৩০৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ১৮শ’র মতো মানুষ এতে আহত হয়েছে।
স্থানীয় সময় শনিবার সকালের এই ভূমিকম্পে গির্জা ও হোটেলসহ বহু ভবন পুরো ধসে পড়েছে ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী আরিয়েল অঁরি ইতিমধ্যেই হাইতিতে মাসব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
২০১০ সালে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে লাখো মানুষের মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি এখনো পুষিয়ে উঠতে পারেনি দেশটি।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা বলছে, দ্বীপটির সেইন্ট-লুইস দু সাদ শহর থেকে ১২ কিলোমিটার দুরে ভূমিকম্পের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। ওই অঞ্চলে ৫ দশমিক ১ মাত্রার একটি সহ মোট ছয়টি ‘আফটার-শক’ অনুভূত হয়েছে।
সেখান থেকে ১২৫ কিলোমিটার দুরে রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্স এবং প্রতিবেশী কয়েকটি দেশেও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরিয়েল অঁরি মানবিক সহায়তার জন্য দল গঠন করেছেন। তিনি বলেছেন, “এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল যতটা সম্ভব ধ্বংসস্তুপের নিচে থেকে জীবিতদের উদ্ধার করা।”
তিনি জানিয়েছে স্থানীয় হাসপাতালগুলো আহতদের সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে। বহু মানুষ সেখানে ভাঙা হাড়গোড় নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হাইতিতে ‘তৎক্ষণাৎ সহায়তা’ অনুমোদন দিয়েছেন। মার্কিন সাহায্য সংস্থা ইউএসএআইডি সেখানে ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ যাচাই, নিখোঁজদের খুঁজে বের করা এবং পুনর্গঠনে সহায়তা করবে।
হাইতির লে ন্যুভেলিস্ত সংবাদপত্রের সম্পাদক ফ্রানৎস দুভাল এক টুইট বার্তায় লিখেছেন লে কায় শহরে অন্তত দুটি হোটেল ধসে পড়েছে।
তিনি লিখেছেন, “১৪ অগাস্ট, ২০২১ সকাল সাড়ে আটটার দিকে ধীর, শক্তিশালী এবং দীর্ঘ কয়েক সেকেন্ড জুড়ে কেঁপে উঠেছে হাইতির মাটি।”
সংবাদদাতারা বলছেন লে ন্যুভেলিস্ত শহরের বেশিরভাগ গির্জা ও হোটেল ধসে পড়েছে অথবা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সেখানকার এপিসকোপাল গির্জার প্রধান আবিয়াদে লোজামা নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, “রাস্তা জুড়ে শুধু মানুষের চিৎকার। তারা তাদের প্রিয়জনকে খুঁজছে। পানি ও চিকিৎসা সহায়তা চাইছে।”
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে ভয়াবহ ধ্বংসের চিত্র ফুটে উঠেছে।
হাইতিতে সেভ দা চিলড্রেনের প্রধান লেইলা বুরাহলা বলেছেন, “ক্ষয়ক্ষতি যাচাই করতে বহু দিন লেগে যাবে। কি ধরনের মানবিক সহায়তা এখানে দরকার হবে তা পরিষ্কার।”
সূত্র: বিবিসি

আজ ১৫ আগস্ট : বাঙ্গালির কান্নার দিন

আজ ১৫ আগস্ট  : বাঙ্গালির কান্নার দিন
নিজস্ব প্রতিবেদক :
আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। স্বাধীনতার স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদত বার্ষিকী।

জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে দিবসটি পালন করবে। তবে, এবারও  বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর কারণে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতপূর্বক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জাতীয় শোক দিবসের  কর্মসূচি পালন করা হবে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপদগামী সদস্য ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা , বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল।
পৃথিবীর এই জঘন্যতম হত্যাকান্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ, মেয়ে বেবি ও সুকান্তবাবু, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দু’কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান।
দেশে করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে ও জাতীয় শোক দিবসকে সামনে রেখে এ মাসের প্রথম দিন থেকেই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করছে।
স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন। টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দলের শ্রদ্ধা নিবেদন। এছাড়াও, দিবসটি উপলক্ষে  দেশের সকল মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ও প্যাগোডায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। ১৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ বেতার এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। জাতীয় দৈনিক ও সাময়িকীতে ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও সংস্থা জাতীয় শোক দিবসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্ব স্ব কর্মসূচি প্রণয়ন করেছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে জাতীয় শোক দিবস পালনের জন্য সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতপূর্বক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে।
মূলত, ‘৭৫ এর ১৫ আগস্ট থেকেই বাংলাদেশে এক বিপরীত ধারার যাত্রা শুরু করে। বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে সামরিক শাসনের অনাচারি  ইতিহাস রচিত হতে থাকে ।
সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নোবেল জয়ী পশ্চিম জার্মানীর নেতা উইলি ব্রানডিট বলেন, মুজিবকে হত্যার পর বাঙালিদের আর বিশ্বাস করা যায় না। যে বাঙালি শেখ মুজিবকে হত্যা করতে পারে তারা যে কোন জঘন্য কাজ করতে পারে।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক ও বিশিষ্ট সাহিত্যিক নীরদ সি চৌধুরী বাঙালিদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা শেখ মুজিবকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি বিশ্বের মানুষের কাছে নিজেদের আত্মঘাতী চরিত্রই তুলে ধরেছে।
দ্য টাইমস অব লন্ডন এর ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট সংখ্যায় উল্লেখ করা হয় ‘সবকিছু সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুকে সব সময় স্মরণ করা হবে। কারণ, তাঁকে ছাড়া বাংলাদেশের বাস্তব কোন অস্তিত্ব নেই। একই দিন লন্ডন থেকে প্রকাশিত ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের লাখ লাখ লোক শেখ মুজিবের জঘন্য হত্যাকান্ডকে অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচনা করবে।’
শেখ মুজিবের সুচিন্তা থেকে আজকের বাঙালিরও শেখার আছে উল্লেখ করে ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য  সেন সম্প্রতি বলেছেন, তাঁকে ‘বাংলাদেশের জনক’ বা বঙ্গবন্ধু বলাটা নিতান্তই কম বলা। তিনি এর চেয়ে বড়  কোনও অভিধা এবং নাম কিনতে চাননি। মানুষ তাঁকে অন্তর থেকে ভালবাসতেন।

বঙ্গবন্ধু ছিলেন  রাজনীতির কবি : ড. হাছান মাহমুদ

বঙ্গবন্ধু ছিলেন  রাজনীতির কবি : ড. হাছান মাহমুদ
নিজস্ব প্রতিবেদক :
আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু বহু আগেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি রাজনীতির কবি ছিলেন, বঙ্গবন্ধু জানতেন কখন কোন কথাটি বলতে হয়, তিনি পরিকল্পনা করেছিলেন, প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কিন্তু বঙ্গবন্ধু সেটি প্রকাশ করেননি। বঙ্গবন্ধু স্বাধীকার আদায়ের আন্দোলনের মাধ্যমে ৬৬ সালে ছয়দফা ঘোষণা করলেন। ছয়দফার ভিত্তিতে জনমত গঠন করলেন। জনমত গঠন করে মানুষের মনন তৈরী করে তিনি নির্বাচনে গেলেন। নির্বাচনে গিয়ে তিনি প্রমাণ করলেন বাংলার মানুষ তার ছয়দফার পক্ষে আছে। এরপর ধীরে ধীরে বাঙালিকে আরো উদ্বেলিত করে ৭ই মার্চ স্বাধীনতার ডাক দিলেন।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চ এমনভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন পাকিস্তানিরা তাকে বিদ্রোহী বলে আখ্যায়িত ও অভিযোগ গঠন করতে পারেনি। তখন পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ঢাকা থেকে রাওয়ালপিন্ডি হেডকোয়ার্টারে রিপোর্ট দিয়েছিল চতুর শেখ মুজিব কার্যত পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা ঘোষণা করে দিয়েছে। কিন্তু আমাদের দেখে  দেখে তাকিয়ে থাকা ছাড়া কোন কিছুই করার ছিলনা।
শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট হলে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির নেতারা ক্রমাগতভাবে বঙ্গবন্ধুর ভুমিকাকে অস্বীকার করে আসছে। তারা একজন খলনায়ককে নায়ক বানানোর অপচেষ্ঠা চালান। জিয়াউর রহমান ছিল কার্যতপক্ষে একজন খুনি ও বিশ্বাসঘাতক। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সাথে তিনি ওৎপ্রোতভাবে যুক্ত ছিলেন। এই খুনির দলের রাজনীতি যারা করেন তারা বঙ্গবন্ধুর ভুমিকাকে অস্বিকার করে।
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশে যদি সুষ্ঠু রাজনৈতিক ধারা চালু করতে হয় ইতিহাস ও রাজনীতিকে কলুষমুক্ত করতে হয় তাহলে যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি করা যেমন নিষিদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। একইসাথে যারা বঙ্গবন্ধুর ভুমিকাকে খাটো করে দেখে এবং বঙ্গবন্ধুকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্ঠা চালায় তাদেরও রাজনীতি এদেশে বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। একজন খুনি এবং বিশ্বাসঘাতকের পক্ষে যারা রাজনীতি করেন তাদের রাজনীতি করার অধিকার থাকা উচিৎ নয়।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাধারন সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, মহিউদ্দিন রাশেদ, সম্পাদক মন্ডলির সদস্য আবুল কাশেম চিশতি, নুরুল আনোয়ার চৌধুরী বাহার, ইঞ্জিনিয়ার মেজবাউল আলম লাভলু, ইঞ্জিনিয়ার মো. হারুন, প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী, সদস্য ইফতেখার হোসেন বাবুল, উত্তরজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী দিলোয়ারা ইউসুফ প্রমুখ।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যদি বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা নাহতো তাহলে স্বাধীনতার ১৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ হতো একটি উন্নত সমৃদ্ধ রাষ্ট্র। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর দূর্নীতি আর দুঃশাসনের মাধ্যমে বাংলাদেশের অগ্রগতির চাকাকে ঘুর্ণায়মাণ চাকায় রূপান্তরিত করে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, আজকে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের পথে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে। এবং অনেক স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আগে আমরা বলতাম ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ রচনা করতে। এখন বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে ইতিমধ্যে ক্ষুধাকে আমরা জয় করেছি।
আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গত দেড়টি বছর করোনাকালে বহু মাস-সপ্তাহ লকডাউন ছিল। করোনার শুরুতে কিছু কিছু বুদ্ধিজীবি ও টকশোবিদ যারা রাত বারটার পর টেলিভিশনের পর্দা গরম করেন তাদের অনেকে শঙ্কা-আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল, দেশে হাজার হাজার মানুষ নাখেয়ে মরবে, রাস্তায় লাশ পড়ে থাকবে। তাদের সেই আশঙ্কাকে ভুল প্রমাণিত করেছে জননেত্রী শেখ হাসিনা। আজকে দেড়টি বছর একজন মানুষও অনাহারে মৃত্যুবরণ করেনি এই খেটে খাওয়া মানুষের দেশে।
তিনি বলেন, দেশে এখন কোন খালি পায়ে মানুষ দেখা যায়না, ছেড়া কাপড় পড়া মানুষ খুঁজে পাওয়া যায়না। আকাশ থেকে খুঁড়ে ঘর সহজে দেখা যায়না। এটিই হচ্ছে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। এটি কোন যাদুর কারণে হয়নি। শেখ হাসিনার যাদুকরি নেতৃত্বের কারণে এই পরিবর্তন হয়েছে, এটি অনেকের সহ্য হয়না।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি করোনার টিকা নিয়ে কত কুৎসা রটনা ও অপপ্রচার চালাল, পরে আবার নিজেরাই টিকা নিল। বিএনপির নেতারা টিকা নেয়ার ক্ষেত্রে গাধা জল গোলা করে খাওয়ার মতো কাজটাই করেছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেছেন দেশের আশি শতাংশ মানুষকে টিকা দেয়া হবে। বিএনপি মনে করেছিল টিকা আমরা সংগ্রহ করতে পারবোনা। গণটিকা কার্যক্রম যখন শুরু হয়েছে তখন তাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে।