Home Blog Page 31

এসএসকেএম হাসপাতালের কেবিনে মমতা

এসএসকেএম হাসপাতালের কেবিনে মমতা

নন্দীগ্রামে আহত তৃণমূল নেত্রী। যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রিন করিডর করে আনা হল কলকাতায়। মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আগে থেকেই তৈরি ছিল SSKM হাসপাতালের কেবিন। তৃণমূলনেত্রীর জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে উডবার্নের ১২.৫ নম্বর কেবিন। এছাড়াও তৈরি কার্ডিওলজি, জেনারেল মেডিসিন, অর্থোপেডিক, এনড্রোক্রাইনোলজি এবং সার্জারি বিশেষজ্ঞ ৫ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড । আপাতত পোর্টেবল মেশিন এনে এক্স-রে করে দেখা হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোট কতটা গুরুতর।

তৃণমূল নেত্রীর আহত হওয়ার খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম ও অরূপ বিশ্বাস। নেত্রীর আহত হওয়ার খবর পেয়ে উৎকণ্ঠায় হাসপাতালের বাইরে ভিড় জমান কর্মী-সমর্থক ও অনুগামীরা। মুখ্যমন্ত্রী হাসপাতালে পৌঁছনোর খবর পেয়ে তাঁকে সেখানে দেখতে আসে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এসএসকেএম চত্বরে থাকা তৃণমূলকর্মীরা রাজ্যপালকে দেখেই গো-ব্যাক স্লোগান দিতে থাকেন।

জানা গিয়েছে, এদিন মনোনয়ন পেশের পর নন্দীগ্রামের রানিচকে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে ফেরার সময় গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি। সেসময় প্রচুর লোক তাঁকে ঘিরে ছিলেন। আচমকা কয়েকজন ধাক্কা মারেন বলে অভিযোগ। ধাক্কায় গাড়ির দরজা বন্ধ হয়ে মুখ থুবড়ে পড়েন তিনি। বাঁ পায়ে গুরুতর চোট লেগেছে তাঁর। মুখ থুবড়ে পড়ায় হাতে মাথাতেও চোট পেয়েছেন তিনি। যন্ত্রণা এতটাই বাড়ে যে সমস্ত কর্মসূচি বাতিল করে কলকাতা ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। বেশ কিছুটা রাস্তা আসার পর যন্ত্রণায় এতটাই ছটফট করতে থাকেন নেত্রী, যে নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে পাঁজাকোলা করে তুলে গাড়ির পিছনের সিটে নিয়ে আসেন। নেত্রীর পা সাংঘাতিক ফুলে গিয়েছে খবর।

এর পিছনে চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর অভিযোগ, ‘চার-পাঁচজন মিলে চক্রান্ত করে ধাক্কা দিয়েছে। আশপাশে ছিল না কোনও পুলিশ।’ চাঞ্চল্যকর অভিযোগে শোরগোল রাজনৈতিক মহলে। এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান তিনি।

-এইসময়

সস্ত্রীক করোনা টিকা নিলেন রাষ্ট্রপতি

0
সস্ত্রীক করোনা টিকা নিলেন রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও তাঁর পত্নী রাশিদা খানম আজ বুধবার বিকেলে বঙ্গভবনে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন।
বাসস জানায়, ‘রাষ্ট্রপতি ও তাঁর পত্নী রাশিদা খানম আজ বিকেল ৫টায় বঙ্গভবনে করোনভাইরাস ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন।’ টিকা দেওয়ার সময় রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত চিকিৎসকগণ এবং সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৪ মার্চ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নেন।
প্রধানমন্ত্রী গত ২৭ জানুয়ারি রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভার্চ্যুয়ালি দেশে কোভিড-১৯ টিকাদান উদ্বোধন করেছিলেন।
অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকা উদ্ভাবিত এবং সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া (এসআইআই) উৎপাদিত এ টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনকালে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের নার্স রুনু ভেরোনিকা কোস্টাকে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়।

-নিউজ মেট্রো ডেস্ক

মামলার তারিখ জানা যাবে মোবাইলে ফোনে

মামলার তারিখ জানা যাবে মোবাইলে ফোনে
ফৌজদারি মামলার সাক্ষীর মোবাইলে ফোনে এসএমএস প্রেরণের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় ও টেলিটকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

নিজস্ব প্রতিবেদক :

আদালতে যথাসময়ে সাক্ষীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বিদ্যমান সমনজারি পদ্ধতির পাশাপাশি সাক্ষীর মোবাইল ফোনে এসএমএস- এর মাধ্যমে ফৌজদারি মামলার তারিখ জানাবে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এসএমএস-এর মাধ্যমে এই ডিজিটাল সমনজারির কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। আগামী ১৮ মার্চ এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে। প্রাথমিকভাবে কুমিল্লা ও নরসিংদী জেলায় পাইলট প্রোগ্রামের মাধ্যমে কার্যক্রমটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের মধ্যে এ সম্পর্কিত চুক্তি সম্পাদিত হয়। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক নির্দেশনায় এবং আইন সচিব মো. গোলাম সারওয়ারের তত্ত্বাবধানে আদালতে বিচারাধীন মামলা সম্পর্কে দ্রুততম সময়ে সাক্ষীকে অবগত করার জন্য এ চুক্তি সম্পাদিত হয়। এ চুক্তির মাধ্যমে ফৌজদারি মামলার সাক্ষীগণ আদালতে বিচারাধীন মামলার ধার্য তারিখ সম্পর্কে বিদ্যমান সমনজারি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি এসএমএস-এর মাধ্যমে অবগত হবেন। ফলে সহজে ও স্বল্প খরচে আদালতে সাক্ষীর উপস্থিতি নিশ্চিত হবে, যার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে মামলা নিষ্পত্তি সম্ভব হবে।

আইন ও বিচার বিভাগের পক্ষে যুগ্মসচিব এএইচএম হাবিবুর রহমান ভুঁইয়া এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের পক্ষে জেনারেল ম্যানেজার প্রভাষ চন্দ্র রায় চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আইন সচিব মো. গোলাম সারওয়ারসহ আইন ও বিচার বিভাগ এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বদলে যাচ্ছে দেশের সব বিমানবন্দর : মাহবুব আলী

0
বদলে যাচ্ছে দেশের সব বিমানবন্দর : মাহবুব আলী

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী বলেছেন, উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে দেশের সব বিমানবন্দর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুসারে দেশের সকল আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমান বন্দরে উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। এই উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সমাপ্তির পর দেশের বিমানবন্দরগুলো হবে যাত্রীদের জন্য আস্থা ও স্বস্তির জায়গা। সেবার মান উন্নয়নের মাধ্যমে যাত্রীদের সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছে মন্ত্রণালয়। আজ বুধবার চট্টগ্রামে শাহ্ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সকল বিমানবন্দর হতে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা ফ্লাইট পরিচালনার ব্যবস্থা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী  নির্দেশনা প্রদান করেছেন। এই নির্দেশনা অনুসারে দেশের সব বিমানবন্দর হতে ২৪ ঘণ্টা ফ্লাইট অপারেট করার জন্য কাজ চলছে। এ কাজ সমাপ্তির পর দেশের প্রধান প্রধান পর্যটন গন্তব্যে পর্যটকদের যাতায়াত সহজ হবে।

পরিদর্শনকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোকাম্মেল হোসেন, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ হান্নান মিয়া, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুকেশ কুমার সরকার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (পরিচালনা) এয়ার কমোডর খালিদ হোসেন ও প্রধান প্রকৌশলী আঃ মালেক উপস্থিত ছিলেন।

সিইউজে ও প্রেস ক্লাবের ৭মার্চ পালন

সিইউজে ও প্রেস ক্লাবের ৭মার্চ পালন

ইউনেস্কো স্বীকৃত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দিবসে নানা কর্মসূচি পালন করেছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব।

এর মধ্যে ছিল সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, দিনব্যাপী জাতির পিতার ভাষণ প্রচার, প্রেস ক্লাব প্রাঙণে স্থাপিত জাতির পিতার ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা।

প্রেস ক্লাব সভাপতি আলহাজ¦ আলী আব্বাসের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ। চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শামসুল ইসলামের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, বিএফইউজে’র সাবেক সহ সভাপতি শহীদ উল আলম, প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি সালাহউদ্দিন মো. রেজা, সিইউজে’র সিনিয়র সহ সভাপতি রতন কান্তি দেবাশীষ, বিএফইউজের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসিফ সিরাজ, প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সিইউজের যুগ্ম সম্পাদক সবুর শুভ প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে প্রেস ক্লাব সভাপতি আলহাজ আলী আব্বাস বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণে নিহিত ছিল। যে কারণে উক্ত ভাষণ ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি লাভ করেছে। আজ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা তাঁর উত্তরসুরি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।

এ সময় সিইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম ইফতেখারুল ইসলাম,  প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, গ্রন্থাগার সম্পাদক মিন্টু চৌধুরী, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলীউর রহমান, কার্যকরী সদস্য শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, মনজুর কাদের মনজু, সিনিয়র সদস্য সিরাজুল করিম মানিক, দেবপ্রসাদ দাস, মাহবুর উর রহমান, শতদল বড়ুয়া, আলমগীর সবুজ, রাজেশ চক্রবর্তী, সাইদুল আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

-নিউজ মেট্রো ডেস্ক

আখতারুজ্জামান বাবুসহ ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার

আখতারুজ্জামান বাবুসহ ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এবার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২১’ পাচ্ছেন আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুসহ নয় জন বিশিষ্ট ব্যক্তি। এ বছর সরকার এ পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে আজ মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২১’ প্রাপ্তরা হচ্ছেন : মরহুম এ কে এম বজলুর রহমান (স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ), শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার (স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ), মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খুরশিদ উদ্দিন আহমেদ (স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ), মরহুম আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু (স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ),  ড. মৃন্ময় গুহ নিয়োগী (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি),  মহাদেব সাহা (সাহিত্য), আতাউর রহমান (সংস্কৃতি), গাজী মাজহারুল আনোয়ার (সংস্কৃতি), অধ্যাপক ডা. এম আমজাদ হোসেন (সমাজসেবা/জনসেবা) এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (গবেষণা ও প্রশিক্ষণ)।

-নিউজ মেট্রো ডেস্ক

৮০ দেশে সফটওয়্যার রপ্তানি করছে বাংলাদেশ : মোস্তফা জব্বার

0
৮০ দেশে সফটওয়্যার রপ্তানি করছে বাংলাদেশ : মোস্তফা জব্বার

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, পৃথিবীর ৮০টি দেশে সফটওয়্যার রপ্তানি করছে বাংলাদেশ। অন্যান্য সফটওয়্যারের মতো ফিনান্সিয়াল সফটওয়্যারের তৈরির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ দক্ষতার স্বাক্ষর রাখছে। এরই ধারাবাহিকতায় আর্থিক নিরীক্ষা খাতে বিদ্যমান স্থবিরতা কাটিয়ে এই খাতটি একটি সম্ভাবনাময় খাতে পরিণত হচ্ছে। তিনি নিরীক্ষা কাজের জন্য টুলস তৈরির  প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এই লক্ষ্যে তিনি সরকারের গৃহীত উদ্যোগ সফল করতে আইসিটি সংশ্লিষ্ট ট্রেডবডিসমূহকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

মন্ত্রী গতকাল রাতে ঢাকায় ইনস্টিটিউট অভ্ চার্টার্ড একাউন্টেন্ট বাংলাদেশ (আইক্যাব) এর উদ্যোগে ‘ইনফরমেশন সিস্টেম অডিট’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। আইক্যাব সভাপতি এম এইচ হোসাইনের সভাপতিত্বে এবং আইক্যাব নেতা আলী আশফাকের সঞ্চালনায় প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র কর্মকর্তাগণ বক্তৃতা করেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী তৃতীয় শিল্প বিপ্লবে সফটওয়্যার সম্পৃক্ত পণ্য জিডিপিতে বড় অবদান রেখেছে উল্লেখ করে বলেন, মেধাসম্পদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপির শতকার ৩৭ ভাগ অবদান রাখছে। বাংলাদেশ হয়ত ওরাকলের মতো বড় বড় সফটওয়্যার বানাতে পারে না কিন্তু সক্ষমতায় আমরা বহু দূর এগিয়ে। দেশের কম্পিউটার বিকাশের অগ্রদূত ও কম্পিউটারে বাংলার প্রবর্তক মোস্তাফা জব্বার বলেন, ১৯৬৪ সালে দেশে প্রথম কম্পিউটার আসে। ১৯৮৭ সালের পূর্ব পর্যন্ত  এদেশে কম্পিউটার ছিলো বিশেষ ব্যক্তি, পেশা ও বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহারের যন্ত্রমাত্র। কম্পিউটারে বাংলা প্রচলনের পর এর প্রসার শুরু হয়। ১৯৯৬ সালের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কম্পিউটারের ওপর ভ্যাট ট্যাক্স প্রত্যাহার করে কম্পিউটারকে সাধারণ মানুষের নাগালে পৌঁছে দিতে যুগান্তকারি অবদান রাখেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে প্রযুক্তি খাতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা হয়।

-নিউজ মেট্রো ডেস্ক

ভ্রাম্যমাণ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর চালু

ভ্রাম্যমাণ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর চালু
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তরে ভ্রাম্যমান মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর উদ্বোধন করছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক

মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতে “ভ্রাম্যমাণ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর” চালু করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। রোববার (৭ মার্চ) সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনে জাদুঘর সম্বলিত ২টি বাস উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ।

এসময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ভ্রাম্যমান এ জাদুঘরের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরা হবে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিসংগ্রামের সঠিক তথ্য জানতে পারবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর বাস’ উদ্যোগ আমরা এবারই প্রথম নিয়েছি। এই বাসে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য থাকবে। জাদুঘর বাস শুধু ঢাকায় নয়, সারাদেশেই চলবে ।

উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের “নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধকরণ” প্রকল্পের অধীনে এই ভ্রাম্যমাণ জাদুঘর বাস চালু করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ।

– নিউজ মেট্রো ডেস্ক

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মুনজাত করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ছোট বোন শেখ রেহেনা
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আজ রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ এ অবস্থিত জাতির পিতার স্মৃতি জাদুঘরের সামনে রক্ষিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিকে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে এ শ্রদ্ধা জানান।
জাতির পিতার প্রতিকৃতির বেদীতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে শেখ রেহানা উপস্থিত ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট শাহাদৎবরণকারীদের স্মরণে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে এ সময় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক রেসকোর্সের ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দি উদ্যান) লক্ষ লক্ষ জনতার উপস্থিতিতে এক ভাষণের মাধ্যমে সমগ্র জাতিকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেন।
তিনি বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ পরবর্তীতে এই ভাষণ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে ইউনেস্কোর আন্তর্জাতিক দলিলে স্থান লাভ করে।
নিউজ মেট্রো ডেস্ক

ঢাকা-জলপাইগুড়ি ট্রেন উদ্বোধন করবেন দুই প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা-জলপাইগুড়ি ট্রেন উদ্বোধন করবেন দুই প্রধানমন্ত্রী
নিউজ মেট্রো প্রতিনিধি :
বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের সুবর্ণজয়ন্তীতে আগামী ২৬ মার্চ চালু হচ্ছে ঢাকা-জলপাইগুড়ি যাত্রীবাহী ট্রেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এর উদ্বোধন করবেন। বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের সময় নতুন এই আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন উদ্বোধন করা হবে। ট্রেনটি ঢাকা থেকে সরাসরি ভারতের নিউ জলপাইগুড়ি রেল জংশনে পৌঁছাবে।
প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে দুই দিন ট্রেনটি চলবে। ট্রেনের ভাড়া ও আসা যাওয়ার শিডিউল দুই দেশের রেল কর্মকর্তাদের বৈঠকে চুড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে সূত্র।